এক টবে অনেক ক্যাকটাস পাখা মেলে থাকলে দেখতে বেশ ভালো লাগে। কাঁটাভর্তি থাকে বলে ক্যাকটাসের যত্নের সময় অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হয়। তাই বলে কি, কাঁটার ভয়ে এই সুন্দর গাছ থেকে দূরে থাকা যায়?
যত্নে যা করবেন
আলো
আপনার ক্যাকটাসগাছটি যেখানেই রাখুন না কেন, সেখানে যেন পর্যাপ্ত আলো থাকে। কিন্তু আলোর পরিমাণ যেন খুব বেশি না হয়। ঘরের যে কোনায় সূর্যের আলো আসে, সেখানেই ক্যাকটাসটি রাখুন। এতে সে প্রাণ ফিরে পাবে। যদি দেখেন অতিরিক্ত আলোয় আপনার ক্যাকটাস হলুদ বা বাদামি হয়ে যাচ্ছে, তবে দেরি না করে সেটিকে ছায়ায় রাখুন।
পানি
প্রতিদিন নিয়ম করে ক্যাকটাসে পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ এই গাছের ডালে পানি জমা থাকে। তবে এর অর্থ এই নয় যে ক্যাকটাসে পানির প্রয়োজন পড়ে না। দুই বা তিন দিন পরপর পানি দিতে পারেন। টবের মাটির পানি পুরোপুরি না শুকালে ফের পানি দেবেন না। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পানি দিলে ক্যাকটাস নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
মাটি ও সার
ক্যাকটাস বৃদ্ধির জন্য মাটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ক্যাকটাস রোপণ করার সময় বালি আর পাথরযুক্ত মাটি মিশিয়ে নিন। লক্ষ করুন, মাটিতে যেন পানি জমে না থাকে। সার হলো গাছের খাবার। ক্যাকটাসে কয়েক সপ্তাহ পরপর অল্প সার দিতে ভুলবেন না। তবে খেয়াল রাখতে হবে, এই সার যেন পরিমাণে খুব বেশি না হয়।
পোকামাকড়
গাছে পানি দেওয়ার সময় লক্ষ করুন, ক্যাকটাসের ওপর পোকামাকড় ঘরবাড়ি করেছে কি না। যদি দেখেন মাকড়সা এসে এই গাছের ওপর জালের মতো কিছু তৈরি করেছে, তবে স্প্রে দিয়ে গাছ থেকে সরিয়ে ফেলুন। এ ক্ষেত্রে পোকামাকড়ের হাত থেকে গাছ রক্ষার জন্য কীটনাশক ব্যবহার করতে পারেন। গাছের পরিচর্যার সময় হাতে গ্লাভস পরুন। এতে আপনি কাঁটার আঘাত থেকে দূরে থাকতে পারবেন।
সূত্র: সাউদার্ন লিভিং

কোরবানির ঈদে বেশি মাংস একসঙ্গে সংরক্ষণ করতে হয়। সঠিক পদ্ধতিতে মাংস সংরক্ষণ না করলে স্বাদ ও পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। মাংস সংরক্ষণের জন্য সবার আগে যে কাজ করা প্রয়োজন, সেটি হলো ফ্রিজ পরিষ্কার করা। ফ্রিজে জমা বরফ পরিষ্কার না করলে ভেতরের জায়গা কমে যায়। তাই জেনে নিন, কোরবানির মাংস ফ্রিজে রাখবেন কীভাবে...
৬ ঘণ্টা আগে
ঈদ মানে উৎসব আর আনন্দ, বেশি বেশি দাওয়াত আর খাওয়াদাওয়া। খেয়েও কীভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন, তা নিয়ে ভাবনার শেষ নেই অনেকের। তাই ভেবেচিন্তে খাবারের মেনু ঠিক করে রাখুন আগেভাবেই; যাতে ইদের মজাদার খাবারগুলো মিস হওয়ার সুযোগ না থাকে, আবার আপনি সুস্থও থাকেন। আপনার খাবারের মেনুতে সঠিক উপাদান...
৮ ঘণ্টা আগে
মূলত মোগল ও নবাবি আমলের খাবার রেজালা। পরে এই খাবার বাঙালি রান্নাঘরে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও কিছুটা বদলে গেছে; বিশেষ করে এতে দুধ ও মসলার ব্যবহারে ব্যাপক বদল এসেছে বাংলাদেশে। গরু, মুরগি বা খাসি—সব মাংসেরই রেজালা তৈরি করা যায়। ঈদে গরুর মাংসের সুস্বাদু একটি খাবার তৈরির উপায় বাতলে দিয়েছেন...
৯ ঘণ্টা আগে
এই প্রথম যাঁরা ঈদে শখ করে রান্না করার কথা ভাবছেন, তাঁরা গরুর মাংসের সহজ একটি রেসিপির কথা ভাবতে পারেন। আপনাদের জন্য হাতে মাখা মাংসের ঝালের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা। উপকরণ: গরুর মাংস ২ কেজি, আলু ৪টি, পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, আদা ও রসুনবাটা ৪ টেবিল চামচ, হলুদ, মরিচ ও ধনেগুঁড়া...
১০ ঘণ্টা আগে