
আপনি কি বইপ্রেমী? তাহলে আজকের বই দিবসে গল্পটা আপনার সঙ্গেই জমবে ভালো। বইপ্রেমী হিসেবে বই দিয়ে ঘর সাজাতে ভালোবাসেন নিশ্চয়ই। বইপোকারা বাড়ি সাজানোর সময় বা ফ্ল্যাটের ইন্টেরিয়র ডিজাইন করার সময় বই সাজানোর জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখেন। আপনার বাড়িতে আলাদা লাইব্রেরি রুম থাকুক বা না থাকুক; ঘরটিকে যেন অতিরিক্ত বইয়ে বোঝা মনে না হয়, তা নিশ্চিত করা ঘরের সৌন্দর্য রক্ষার জন্য অপরিহার্য। ডেকোরেশনের জন্য আপনার ঘরের সাজসজ্জার সঙ্গে মানানসই এবং কাছের গুরুত্বপূর্ণ বইগুলো বেছে নিন। কখনো কখনো ঘরের সঙ্গে মানানসই বইগুলো একত্রে রাখাই ভালো—যেমন রান্নাঘরে রান্নার বই বা শিশুর বিছানার পাশে শোয়ার আগে পড়ার প্রিয় বই। আবার কখনো কখনো, বইগুলো ঘরের নকশারই একটি অংশ হয়ে উঠতে পারে। আপনার বাড়ির সর্বত্র বই রাখার কিছু উপায় এখানে দেওয়া রইল।
সাজানোটা অর্থপূর্ণ হোক
আপনার প্রিয় বইগুলো কী কী? যদি নির্দিষ্ট কিছু বই আপনাকে সত্যিই অনুপ্রাণিত করে বা হৃদয় ছুঁয়ে যায়, তবে সেগুলোকে আপনার বাড়িতে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দিন। বই দিয়ে সাজানোর অর্থ হলো, আপনি যা ভালোবাসেন তা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া এবং এমন একটি জায়গা তৈরি করা, যা আপনার ব্যক্তিত্ব ও শৈলীকে ফুটিয়ে তোলে।
আপনার ঘরের একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়—যেমন কফি টেবিল বা বেড সাইড টেবিলে প্রিয় বইগুলোর একটি সংগ্রহ পর্যায়ক্রমে রাখার কথা ভাবতে পারেন। আপনি যদি কোনো ক্ল্যাসিক লেখক বা কবির ভক্ত হন, তবে তাঁদের কাজের সর্বোচ্চ মানের বাঁধাই করা বইটি খুঁজে বের করুন। সাজসজ্জার জন্য সেগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ তাকে রাখুন। বইয়ের তাক সাজানোর সময় আপনি খুব বেশি থিমভিত্তিক না করে পরিপূরক জিনিসপত্রও সঙ্গে রাখতে পারেন। উদাহরণ হিসেবে, ভ্রমণবিষয়ক বইগুলো যেখানে রাখবেন, সেই দেয়ালে আপনার ভ্রমণকালের সেরা ছবিগুলো সেঁটে দিতে পারেন।
রং, আকার বা ধরন অনুযায়ী সাজান
বই দিয়ে সাজানোর একটি আকর্ষণীয় উপায় হলো সেগুলোকে রং অনুযায়ী দলবদ্ধ করে সাজানো। এটি কেবল পরিচ্ছন্ন অনুভূতিই দেয় না; বরং এটি ঘরটিকে অতিরিক্ত ভারাক্রান্ত না করে কিছুটা উজ্জ্বলতা যোগ করার একটি দুর্দান্ত উপায় হয়ে ওঠে। এমন বই বেছে নিন, যা ঘরের সজ্জার রঙের সঙ্গে মেলে বা মানানসই হয় এবং তারপর সেগুলোকে রঙের টোন অনুযায়ী গুচ্ছাকারে সাজান। আপনার যদি একাধিক ঘর থাকে, তবে ঘরের সঙ্গে মানানসই করে বইগুলোর ধরন অনুযায়ী সাজান। যেমন বসার ঘরের কফি টেবিলের জন্য শিল্প ও আলংকারিক বই, শোয়ার ঘরের জন্য উপন্যাস, অফিসের জন্য রেফারেন্স বই এবং রান্নাঘরের জন্য রান্নার বই। একবার ধরন অনুযায়ী আপনার বইগুলো ভাগ করা হয়ে গেলে, প্রতিটি জায়গায় একটি পরিচ্ছন্ন ও গোছানো ভাব আনতে সেগুলোকে আকার বা রং অনুযায়ী দলবদ্ধ করুন।
স্তূপ করে রাখা
বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় বইয়ের স্তূপকে ছোট ছোট প্রদর্শনী মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করুন। একটির ওপরে আরেকটি রেখে বইয়ের স্তূপকে সোফার পাশে একটি সাইড টেবিল হিসেবে ব্যবহার করুন। এবার এই স্তূপের ওপর পিতল বা মাটির কোনো বড় শোপিস রাখতে পারেন।
মলাট বদলে ফেলুন
পুরোনো বইয়ের জীর্ণ মলাট সেলফের সৌন্দর্য নষ্ট করে। বইয়ের মলাট পরিবর্তন করলে বইটিও দীর্ঘদিন ভালো থাকবে, আবার সেলফটিও পরিপাটি দেখাবে। সাদা কিংবা বাদামি কাগজ বা র্যাপিং পেপার দিয়ে সুন্দর মলাট তৈরি করা যায়।
অপ্রয়োজনীয় বই বাদ দিন
ঠাসাঠাসি করে রাখা বইয়ের তাক দেখতে অগোছালো এবং বিশৃঙ্খল লাগতে পারে। বাড়িতে একটি বড় লাইব্রেরি না থাকলে বই সরিয়ে ফেলা যতই কঠিন হোক না কেন, আপনাকে অপ্রয়োজনীয় বই বাদ দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে বই দান করতে বা বিক্রিও করতে পারেন।
তাকে বই ভালো করে মুছে সাজিয়ে রাখুন। বাড়িতে বসে জুম মিটিং করলে বা পডকাস্ট করলে যদি সুদৃশ্য বইয়ের তাকটিকেই ব্র্যাকগ্রাউন্ডে রাখার অভ্যাস থাকে, তাহলে প্রায়ই বইয়ের তাকটি সাজানোয় পরিবর্তন আনতে পারেন। বইয়ের তাকগুলোতে কিছু দৃষ্টিনন্দন জিনিস—যেমন শিল্পকর্ম, ফুলদানি, শঙ্খ বা সুন্দর পাথর বা গাছের মতো আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক জিনিসও সাজিয়ে রাখতে পারেন।
সূত্র: ওয়েল বাই ডিজাইন

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পর্যটক ইয়াসির আরাফাত থাকেন লন্ডন শহরে। থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানিয়েছেন, কোন দেশটি কোন ধরনের পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য আদর্শ।
১৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের একটি রাজ্য অ্যারিজোনা। সেই রাজ্যের এক উত্তপ্ত ধুলোমাখা শহরের নাম সেলিগম্যান। শহরটিতে ৯৮ বছর বয়সী এক নরসুন্দর অ্যাঞ্জেল ডেলগাডিল। সব সময় মুখে তাঁর অমলিন হাসি। ভালোবেসে মানুষ তাঁকে ডাকে ‘রুট ৬৬-এর দেবদূত’ বা ‘দ্য ফাদার অব দ্য মাদার রোড’ নামে।
১৩ ঘণ্টা আগে
পাহাড়ি ঢাল বেয়ে সমুদ্রের নীল জলরাশির দিকে নেমে গেছে সারি সারি রঙিন দালান। একপলক দেখলে আপনার মনে হবে, হয়তো ইতালির বিখ্যাত ‘আমালফি কোস্ট’-এ দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু না, এই দৃশ্যের দেখা মেলে এশিয়াতেই। ভ্রমণ গন্তব্যের জনপ্রিয় দেশ ভিয়েতনামের এক দ্বীপে।
১৪ ঘণ্টা আগে
এশিয়া ও ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে ফ্লাইটের সংখ্যা কমিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছে থাইল্যান্ডের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা থাই এয়ারওয়েজ। পর্যটন খাতে মন্দা এবং জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় আগামী মে মাস থেকে এই পদক্ষেপ কার্যকর করা হবে বলে জানা গেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে