
প্রায় সব বিয়েবাড়িতে একটা কথা শোনা যাবেই যাবে। বিয়ের পরদিন নাকি বর আর বউকে চিনতে পারেন না। কারণ, বিয়ের কনেকে এত ভারী মেকআপ দেওয়া হয় যে তাঁর আসল রূপই ঢাকা পড়ে যায় শেষমেশ।
মা-খালা, ভাবি আর বান্ধবীদের দেওয়া টোটকা গিলে প্রিমিয়াম ব্রাইডাল মেকআপ নেওয়া মেয়েটির অনুষ্ঠান শেষে মেকআপ তুলতে কয় ঘণ্টা সময় ব্যয় হয়, তা কি কেউ জানে? এখানেই শেষ নয়, স্প্রের ওপর স্প্রে, চিরুনি আর কার্লার ব্যবহার করে যে হেয়ারস্টাইল করা হয়, তা খুলতে বিয়ের রাতে চুলে জবজব করে তেল মাখতে হয় তাঁকে।
এখন সময় এসেছে ভারী মেকআপ ও হেয়ারস্টাইলকে বুড়ো আঙুল দেখানোর। সাদামাটা নো মেকআপ লুকেই বিয়ের মঞ্চে পা রাখছেন চলতি সময়ের বিয়ের কনেরা। এতটুকু খুঁত না রেখে নিজের ত্বকের স্বাভাবিক রংকে কী দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়, তা আরও একবার সবার নজরে নিয়ে এলেন অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ।
ফটোশুট হোক বা টিভি নাটকের শুটিং–ফারিণ বরাবরই সাজের ক্ষেত্রে মিনিমালিস্ট। বিয়ের সাজের ক্ষেত্রেও এর অন্যথা হয়নি। ১১ আগস্ট বিয়ে করেন তিনি। ১৪ আগস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের বিয়ের ছবি প্রকাশ করার পর থেকেই নেটপাড়ায় সাড়া ফেলে তাঁর বিয়ের ছবি। ছিমছাম বিয়ের পোশাক আর নো মেকআপ লুকেই দর্শকদের হৃদয় কেড়ে নেন এই তারকা। তাঁর এই স্নিগ্ধ সাজ দেখে তরুণীদের সাহসও বুঝি এক কাঠি ওপরে উঠল। এবার মা-শাশুড়ির জোরাজুরিতে ভারী গয়না গায়ে না তুলে ছিমছাম গয়না আর খোলা
চুলেই বিয়েটা সেরে নেওয়া যাবে!
ট্রেন্ডে এখন নো মেকআপ লুক শুধু ফারিণই নন, সাম্প্রতিক সময়ে অনেক তারকা বিয়েতে মিনিমাল ও নো মেকআপ লুক বেছে নিয়েছেন। গয়না সেটুকুই পরেছেন, যেটুকু নিজের জন্য মানানসই।
ভারী ব্রাইডাল মেকআপের পরিবর্তে মিনিমাল মেকআপ কেন এত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে—এই প্রশ্ন করায় জাহিদ খান ব্রাইডাল মেকওভারের স্বত্বাধিকারী জাহিদ খান বলেন, ‘কিছুদিন আগেও বিয়ের কনে মানেই ভারী মেকআপ থাকবে, এমনই একটা ধারণা প্রচলিত ছিল। পোশাক, মেকআপ, জুয়েলারি–সব মিলিয়ে অভিজাত একটা লুক থাকবে, এটাই ভাবা হতো। কিন্তু এখন এই ধারণা থেকে অনেকে সরে এসেছেন। কারণ, এখন কনেরা নিজেদের প্রাকৃতিক লুকটা রাখতেই বেশি পছন্দ করেন। আমারও ভালো লাগে যার যার প্রাকৃতিক লুকটা ঠিক রেখে মেকআপটা দিতে। স্কিন টোনটা ঠিক রেখে যদি বেইজ মেকআপটা করা যায়, তাহলে এতে ছবিটা ভালো আসে। ব্যক্তি নিজের মেকআপটাকে ক্যারিও করতে পারে।’
ফারিণের ব্রাইডাল মেকআপ প্রসঙ্গ
জাহিদ খানের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অভিনেত্রী ফারিণ ও জাহিদ খান–দুজন পরামর্শ করেই বিয়ের মেকআপ কেমন হবে, তা ঠিক করেছিলেন। জাহিদ খান বলেন, ‘ফারিণ একটু ন্যাচারাল লুকই পছন্দ করেন। এর আগেও শুটের জন্য তাঁর বেশ কিছু মেকআপ করেছি। আমার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী ফারিণকে ন্যাচারাল লুকেই অনেক বেশি সুন্দর লাগে। যেহেতু তাঁর শাড়িটা খুব নরম ও হালকা ছিল আর জুয়েলারিও ছিমছাম হালকা, তাই দুজনই চেয়েছিলাম, মেকআপটাও যেন ভারী না হয়ে হালকা হয়। বিয়ের কনে মানেই যে খুব সাজতে হবে, এই ধারণাটাও বদলানো দরকার।’
ফারিণের বিয়ের শাড়ি ও ওড়না–সব ঢাকা থেকে বানিয়ে নেওয়া। প্রায় এক বছর সময় লেগেছে ওড়নাসহ সেই শাড়িটা বানাতে। জাহিদ খানের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিনেত্রী ফারিণের মাথায় যে ট্র্যাডিশনাল ঘরানার টিকলি ছিল, সেটা তাঁর মায়ের। ওই টিকলির নকশার সঙ্গে মিলিয়ে বাদবাকি জুয়েলারি আমিসে থেকে বানিয়ে নেওয়া হয়েছে।
যেহেতু বিয়ের আগের দিন ফারিণের শুট ছিল এবং পরের দিন গুরুত্বপূর্ণ কাজও ছিল, তাই হাতে মেহেদি পরা হয়ে ওঠেনি। তবে হাতের ওপরের পিঠে আগের দিনের বউদের মতো গোল করে আলতা পরেছিলেন তিনি। জাহিদ খান বলেন, ‘আলতা ও ফ্যাব্রিক কালার মিলিয়ে তাঁর হাতে পরানো হয়েছিল আগের দিনের বউয়ের মতো। ফারিণের আউটফিটের সঙ্গেও এটা যাচ্ছিল। দুজন মিলিয়ে ভেবেচিন্তেই টেম্পরারিলি মেকওভারটা করেছিলাম।’
সাধারণত ট্র্যাডিশনাল ব্রাইডাল লুকে কনের চুলটা বাঁধাই থাকে। সঙ্গে ফুল সংযোজন করা হয়। কিন্তু ফারিণের ক্ষেত্রে ভিন্ন কিছু করতে চেয়েছিলেন জাহিদ খান। হাইলাইট করা লেয়ার কাট চুল মাঝখানে সিঁথি কেটে সেট করে দিয়েছিলেন তিনি। যাতে চলতে-ফিরতে সমস্যা না হয় এই তারকার।
মেকআপের ক্ষেত্রে নিজের স্বাভাবিক স্কিন টোন ঠিক রেখে মেকআপ করলেই নিজের ব্যক্তিত্ব ফুটে ওঠে। মেকআপ ক্যারি করাটাও সহজ হয়।
জাহিদ খান, স্বত্বাধিকারী, জাহিদ খান ব্রাইডাল মেকওভার

প্রায় সব বিয়েবাড়িতে একটা কথা শোনা যাবেই যাবে। বিয়ের পরদিন নাকি বর আর বউকে চিনতে পারেন না। কারণ, বিয়ের কনেকে এত ভারী মেকআপ দেওয়া হয় যে তাঁর আসল রূপই ঢাকা পড়ে যায় শেষমেশ।
মা-খালা, ভাবি আর বান্ধবীদের দেওয়া টোটকা গিলে প্রিমিয়াম ব্রাইডাল মেকআপ নেওয়া মেয়েটির অনুষ্ঠান শেষে মেকআপ তুলতে কয় ঘণ্টা সময় ব্যয় হয়, তা কি কেউ জানে? এখানেই শেষ নয়, স্প্রের ওপর স্প্রে, চিরুনি আর কার্লার ব্যবহার করে যে হেয়ারস্টাইল করা হয়, তা খুলতে বিয়ের রাতে চুলে জবজব করে তেল মাখতে হয় তাঁকে।
এখন সময় এসেছে ভারী মেকআপ ও হেয়ারস্টাইলকে বুড়ো আঙুল দেখানোর। সাদামাটা নো মেকআপ লুকেই বিয়ের মঞ্চে পা রাখছেন চলতি সময়ের বিয়ের কনেরা। এতটুকু খুঁত না রেখে নিজের ত্বকের স্বাভাবিক রংকে কী দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়, তা আরও একবার সবার নজরে নিয়ে এলেন অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ।
ফটোশুট হোক বা টিভি নাটকের শুটিং–ফারিণ বরাবরই সাজের ক্ষেত্রে মিনিমালিস্ট। বিয়ের সাজের ক্ষেত্রেও এর অন্যথা হয়নি। ১১ আগস্ট বিয়ে করেন তিনি। ১৪ আগস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের বিয়ের ছবি প্রকাশ করার পর থেকেই নেটপাড়ায় সাড়া ফেলে তাঁর বিয়ের ছবি। ছিমছাম বিয়ের পোশাক আর নো মেকআপ লুকেই দর্শকদের হৃদয় কেড়ে নেন এই তারকা। তাঁর এই স্নিগ্ধ সাজ দেখে তরুণীদের সাহসও বুঝি এক কাঠি ওপরে উঠল। এবার মা-শাশুড়ির জোরাজুরিতে ভারী গয়না গায়ে না তুলে ছিমছাম গয়না আর খোলা
চুলেই বিয়েটা সেরে নেওয়া যাবে!
ট্রেন্ডে এখন নো মেকআপ লুক শুধু ফারিণই নন, সাম্প্রতিক সময়ে অনেক তারকা বিয়েতে মিনিমাল ও নো মেকআপ লুক বেছে নিয়েছেন। গয়না সেটুকুই পরেছেন, যেটুকু নিজের জন্য মানানসই।
ভারী ব্রাইডাল মেকআপের পরিবর্তে মিনিমাল মেকআপ কেন এত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে—এই প্রশ্ন করায় জাহিদ খান ব্রাইডাল মেকওভারের স্বত্বাধিকারী জাহিদ খান বলেন, ‘কিছুদিন আগেও বিয়ের কনে মানেই ভারী মেকআপ থাকবে, এমনই একটা ধারণা প্রচলিত ছিল। পোশাক, মেকআপ, জুয়েলারি–সব মিলিয়ে অভিজাত একটা লুক থাকবে, এটাই ভাবা হতো। কিন্তু এখন এই ধারণা থেকে অনেকে সরে এসেছেন। কারণ, এখন কনেরা নিজেদের প্রাকৃতিক লুকটা রাখতেই বেশি পছন্দ করেন। আমারও ভালো লাগে যার যার প্রাকৃতিক লুকটা ঠিক রেখে মেকআপটা দিতে। স্কিন টোনটা ঠিক রেখে যদি বেইজ মেকআপটা করা যায়, তাহলে এতে ছবিটা ভালো আসে। ব্যক্তি নিজের মেকআপটাকে ক্যারিও করতে পারে।’
ফারিণের ব্রাইডাল মেকআপ প্রসঙ্গ
জাহিদ খানের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অভিনেত্রী ফারিণ ও জাহিদ খান–দুজন পরামর্শ করেই বিয়ের মেকআপ কেমন হবে, তা ঠিক করেছিলেন। জাহিদ খান বলেন, ‘ফারিণ একটু ন্যাচারাল লুকই পছন্দ করেন। এর আগেও শুটের জন্য তাঁর বেশ কিছু মেকআপ করেছি। আমার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী ফারিণকে ন্যাচারাল লুকেই অনেক বেশি সুন্দর লাগে। যেহেতু তাঁর শাড়িটা খুব নরম ও হালকা ছিল আর জুয়েলারিও ছিমছাম হালকা, তাই দুজনই চেয়েছিলাম, মেকআপটাও যেন ভারী না হয়ে হালকা হয়। বিয়ের কনে মানেই যে খুব সাজতে হবে, এই ধারণাটাও বদলানো দরকার।’
ফারিণের বিয়ের শাড়ি ও ওড়না–সব ঢাকা থেকে বানিয়ে নেওয়া। প্রায় এক বছর সময় লেগেছে ওড়নাসহ সেই শাড়িটা বানাতে। জাহিদ খানের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিনেত্রী ফারিণের মাথায় যে ট্র্যাডিশনাল ঘরানার টিকলি ছিল, সেটা তাঁর মায়ের। ওই টিকলির নকশার সঙ্গে মিলিয়ে বাদবাকি জুয়েলারি আমিসে থেকে বানিয়ে নেওয়া হয়েছে।
যেহেতু বিয়ের আগের দিন ফারিণের শুট ছিল এবং পরের দিন গুরুত্বপূর্ণ কাজও ছিল, তাই হাতে মেহেদি পরা হয়ে ওঠেনি। তবে হাতের ওপরের পিঠে আগের দিনের বউদের মতো গোল করে আলতা পরেছিলেন তিনি। জাহিদ খান বলেন, ‘আলতা ও ফ্যাব্রিক কালার মিলিয়ে তাঁর হাতে পরানো হয়েছিল আগের দিনের বউয়ের মতো। ফারিণের আউটফিটের সঙ্গেও এটা যাচ্ছিল। দুজন মিলিয়ে ভেবেচিন্তেই টেম্পরারিলি মেকওভারটা করেছিলাম।’
সাধারণত ট্র্যাডিশনাল ব্রাইডাল লুকে কনের চুলটা বাঁধাই থাকে। সঙ্গে ফুল সংযোজন করা হয়। কিন্তু ফারিণের ক্ষেত্রে ভিন্ন কিছু করতে চেয়েছিলেন জাহিদ খান। হাইলাইট করা লেয়ার কাট চুল মাঝখানে সিঁথি কেটে সেট করে দিয়েছিলেন তিনি। যাতে চলতে-ফিরতে সমস্যা না হয় এই তারকার।
মেকআপের ক্ষেত্রে নিজের স্বাভাবিক স্কিন টোন ঠিক রেখে মেকআপ করলেই নিজের ব্যক্তিত্ব ফুটে ওঠে। মেকআপ ক্যারি করাটাও সহজ হয়।
জাহিদ খান, স্বত্বাধিকারী, জাহিদ খান ব্রাইডাল মেকওভার

প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
৭ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
১৩ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
১৫ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
১৯ ঘণ্টা আগে