চলতি বছরের (১৪৪৪ হিজরি) পবিত্র রমজান মাসের সাহরি ও ইফতারের চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
আজ সোমবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে দীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৩ বা ২৪ মার্চ থেকে পবিত্র মাহে রমজান শুরু হবে। সম্ভাব্য ২৪ মার্চকেই প্রথম রমজান ধরে এ সূচি ঘোষণা করা হয়। সূচি অনুযায়ী, প্রথম রমজানে ঢাকায় সাহরির শেষ সময় ভোররাত ৪টা ৩৯ মিনিট এবং ইফতারির সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৪ মিনিট।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ১ রমজান চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। এই সূচিতে সাহরির শেষ সময় সতর্কতামূলকভাবে সুবহে সাদিকের ৩ মিনিট আগে ধরা হয়েছে। আর ফজরের ওয়াক্তের শুরু সুবহে সাদিকের ৩ মিনিট পরে রাখা হয়েছে। অতএব, সাহরির সতর্কতামূলক শেষ সময়ের ৬ মিনিট পর ফজরের আজান দিতে হবে। সূর্যাস্তের পর সতর্কতামূলকভাবে ৩ মিনিট বাড়িয়ে ইফতারের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
দেশের অন্যান্য বিভাগ ও জেলার সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় থেকে প্রকাশ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
তবে প্রকাশিত সময়সূচির সঙ্গে দূরত্ব অনুযায়ী ঢাকার সময়ের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৯ মিনিট পর্যন্ত যোগ করে ও ৯ মিনিট পর্যন্ত বিয়োগ করে অন্যান্য জেলার সাহরি ও ইফতারের সময় নির্ধারণের সংক্ষিপ্ত নির্দেশনাও যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

সিলেটের একটি ছিমছাম অফিস। একদিকে থরে থরে সাজানো বইপত্র, কি-বোর্ড, মাউস আর মেধা খাটিয়ে তৈরি করা নানান ডিজাইনের পোস্টার-ক্যালেন্ডার। অন্যদিকে নিজের হাতে আঁকা নানা রঙের ক্যালিগ্রাফি। মনোরম এই অফিসের এক কোণে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার স্ক্রিনে চলছে এআই প্রম্পটিংয়ের কারুকাজ।
৩ ঘণ্টা আগে
আকাশে মেঘ জমে বৃষ্টি বর্ষিত হওয়া আল্লাহ তাআলার অসীম রহমতের অপূর্ব নিদর্শন। বৃষ্টি যেমন মৃত জমিনকে জীবিত করে তোলে, তেমনি মানুষের অন্তরেও এনে দেয় প্রশান্তি ও সজীবতা। বৃষ্টির সময় নবীজি (সা.) বিশেষ কিছু আমল ও কাজ করতেন, যা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত ও শিক্ষণীয় আদর্শ।
৭ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১২ ঘণ্টা আগে
আনাস (রা.) আরও বলেন, আল্লাহর কসম! পরের ছয় দিন আমরা সূর্য দেখিনি। পরের জুমায় ফের ওই ব্যক্তি যখন মসজিদে প্রবেশ করেন, তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) খুতবা দিচ্ছিলেন। ওই ব্যক্তি আরজ করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, ধনসম্পদ সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, পানিতে পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে, আল্লাহর কাছে বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার দোয়া করুন।
১ দিন আগে