
মানুষ হিসেবে আমাদের জীবনে ছোট-বড় অনেক গুনাহ হতে পারে। তবে পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলা তওবাকারী বান্দাকে অত্যন্ত ভালোবাসেন। গুনাহমুক্ত জীবন আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত। আপনি যদি আপনার পাপ মোচন করতে চান এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে চান, তবে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত এই দোয়াগুলো নিয়মিত পাঠ করতে পারেন।
মুসা (আ.) যখন ভুলবশত একটি কাজ করেছিলেন, তখন তিনি এই দোয়াটি পড়েছিলেন:
رَبِّ إِنِّىْ ظَلَمْتُ نَفْسِىْ فَاغْفِرْ لِىْ
উচ্চারণ: রাব্বি ইন্নি জলামতু নাফসি ফাগফিরলি।
অর্থ: হে আমার রব, নিশ্চয়ই আমি আমার নফসের প্রতি জুলুম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। (সুরা কাসাস: ১৬)
আল্লাহই আমাদের একমাত্র অভিভাবক। তাঁর কাছে ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ উপায়:
أَنْتَ وَلِيُّنَا فَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا وَأَنْتَ خَيْرُ الْغَافِرِينَ
উচ্চারণ: আনতা ওয়ালিউনা ফাগফিরলানা ওয়ারহামনা ওয়া আনতা খাইরুল গাফিরিন।
অর্থ: আপনি আমাদের অভিভাবক। সুতরাং, আমাদের ক্ষমা করে দিন এবং আপনিই উত্তম ক্ষমাশীল। (সুরা আরাফ: ১৫৫)
সবচেয়ে দয়ালু সত্তার কাছে করুণা চাওয়ার দোয়া:
رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنْتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ
উচ্চারণ: রাব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়া আনতা খাইরুর রাহিমিন।
অর্থ: হে আমাদের রব, আপনি ক্ষমা করুন, দয়া করুন এবং আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু। (সুরা মুমিনুন: ১১৮)
رَبَّنَا أَتْمِمْ لَنَا نُورَنَا وَاغْفِرْ لَنَا إِنَّكَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণ: রাব্বানা আতমিম লানা নুরানা ওয়াগফিরলানা ইন্নাকা আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।
অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের জন্য আমাদের নূর পূর্ণ করে দিন এবং আমাদের ক্ষমা করুন; নিশ্চয়ই আপনি সর্ব বিষয়ে সর্ব ক্ষমতাবান। (সুরা তাহরিম: ০৮)
سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ
উচ্চারণ: সামিনা ওয়া আতানা গুফরানাকা রাব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাসির।
অর্থ: আমরা শুনলাম এবং মানলাম। হে আমাদের রব, আমরা আপনারই (নিকট) ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল। (সুরা বাকারা: ২৮৫)
অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে এই আবেদনটি অত্যন্ত কার্যকর:
رَبَّنَا لَاتُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا
উচ্চারণ: রাব্বানা লা তুআখিজনা ইন্নাসিনা আও আখতানা।
অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের দায়ী করেন না যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি। (সুরা বাকারা: ২৮৬)
رَبَّنَا إِنَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণ: রাব্বানা ইন্নানা আমান্না ফাগফিরলানা জুনুবানা ওয়াকিনা আজাবান্নার।
অর্থ: হে আমাদের রব, নিশ্চয় আমরা ইমান এনেছি। অতএব আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমাদের জাহান্নামের আজাব হতে রক্ষা করুন। (সুরা আলে ইমরান: ১৬)
মানুষ যখন নিজের ওপর চরম জুলুম করে ফেলে, তখন এই দোয়াই শ্রেষ্ঠ আশ্রয়:
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنْفُسَنَا وَإِنْ لَمْ تَغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ
উচ্চারণ: রাব্বানা জালামনা আনফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফিরলানা ওয়া তারহামনা লানাকুনান্না মিনাল খাসিরিন।
অর্থ: হে আমাদের রব, আমরা আমাদের নিজেদের ওপর জুলুম করেছি। এখন যদি আপনি আমাদের ক্ষমা না করেন ও দয়া না করেন, তাহলে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ব। (সুরা আরাফ: ২৩)
শয়তানের প্ররোচনায় গুনাহ হয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়, কিন্তু গুনাহর ওপর অটল থাকা বিপজ্জনক। গুনাহ হয়ে গেলে:

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৪ ঘণ্টা আগে
ইতিকাফের মূল উদ্দেশ্য হলো মহিমান্বিত রাত ‘লাইলাতুল কদর’ অন্বেষণ করা। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকে শবে কদর অন্বেষণ করো।’ (সহিহ্ বুখারি: ২০২০)। ইতিকাফকারী ব্যক্তি যেহেতু পুরো সময় ইবাদতে থাকেন, তাই তাঁর শবে কদর পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।
২১ ঘণ্টা আগে
বিংশ শতাব্দীর মুসলিম উম্মাহর অন্যতম শ্রেষ্ঠ পথপ্রদর্শক, প্রখ্যাত সাহিত্যিক সাইয়েদ আবুল হাসান আলি নদভি (রহ.)। ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে ভারতের রায়বেরেলির এক সম্ভ্রান্ত আলেম পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা সাইয়েদ আবদুল হাই ছিলেন ‘নুজহাতুল খাওয়াতির’-এর মতো কালজয়ী গ্রন্থের রচয়িতা।
১ দিন আগে
সুমামা কিছুটা অবাক হলেন। তিনি এমন কোমল প্রশ্ন আশা করেননি। তবুও তাঁর মুখের ভাব কঠোর রেখে বললেন, ‘হে মুহাম্মদ, ভাবছি তো অনেক কিছুই। তবে আমি আপনার কাছে উত্তম আচরণেরই আশা করছি। যদি আপনি আমাকে হত্যা করেন, তবে আপনি একজন খুনিকে হত্যা করবেন। আর যদি আপনি দয়া করেন, তবে আপনি একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির ওপর...
১ দিন আগে