পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নামাজ বিতর। বিতর অর্থ বিজোড়। এ নামাজ তিন রাকাতবিশিষ্ট হওয়ায় কিংবা এর মাধ্যমে রাতে আদায় করা নামাজগুলোর রাকাতসংখ্যা বিজোড় হয়ে যায় বিধায় একে বিতর বলা হয়। এশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিকের আগপর্যন্ত বিতর নামাজ আদায়ের সময়। তবে নিয়মিত শেষ রাতে ওঠার অভ্যাস আছে এমন ব্যক্তির জন্য রাতের শেষ ভাগে বিতর আদায় করা উত্তম। অবশ্য শেষ রাতে ওঠার অভ্যাস না থাকলে ঘুমানোর আগেই বিতর আদায় করে নেওয়া উচিত।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি শেষ রাতে ওঠার ব্যাপারে নিশ্চিত নয়, সে যেন রাতের প্রথম ভাগে বিতর আদায় করে নেয়। আর যে শেষ রাতে উঠে তাহাজ্জুদ আদায়ের ব্যাপারে আশাবাদী, সে রাতের শেষভাগে বিতর আদায় করবে। কারণ, শেষ রাতের নামাজের সময় ব্যাপকসংখ্যক ফেরেশতা উপস্থিত থাকেন এবং এটাই উত্তম।’ (মুসলিম)
রাসুল (সা.) কখনো বিতর ছাড়তেন না। সাহাবিদেরও বিতর আদায়ের নির্দেশ দিতেন। রাসুল (সা.) এরশাদ করেন, ‘আল্লাহ তাআলা একটি বাড়তি নামাজ দিয়ে তোমাদের সাহায্য করেছেন, যা তোমাদের জন্য লাল উটের চেয়ে উত্তম। তা হচ্ছে বিতর। আল্লাহ তাআলা এ নামাজ তোমাদের জন্য এশা ও ফজরের মধ্যবর্তী সময়ে আদায়ের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন।’ (তিরমিজি)
আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, ‘আমার প্রাণপ্রিয় বন্ধু আমাকে তিনটি বিষয়ের অসিয়ত করেছেন, যা মৃত্যু পর্যন্ত আমি ত্যাগ করব না। তা হলো প্রতি মাসে তিনটা রোজা রাখা, দুই রাকাত চাশতের নামাজ আদায় করা এবং ঘুমানোর আগে বিতর নামাজ আদায় করা। (বুখারি ও মুসলিম) অন্য এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘হে কোরআনের অনুসারীরা, তোমরা বিতর আদায় করো। কারণ আল্লাহ তাআলা বিজোড় এবং বিতর নামাজ ভালোবাসেন।’ (তিরমিজি)
লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক

জাহেলিয়াতের ঘোর অমানিশায় নিমজ্জিত ছিল এই ধরণি। মানুষ বিস্মৃত হয়েছিল মানবিকতা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের ন্যূনতম আলো। কন্যাসন্তানকে জীবন্ত প্রোথিত করার মতো নির্মমতা, গোত্রে গোত্রে রক্তক্ষয়ী সংঘাত আর অন্যায়-অবিচারের পঙ্কিলতায় আরবের ধূলিকণা ছিল কলঙ্কিত।
৪ ঘণ্টা আগে
মানবসভ্যতার ইতিহাসে যেসব মহামানব তাঁদের কালজয়ী কর্ম ও আদর্শ দিয়ে পৃথিবীকে আলোকিত করেছেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। তিনি কেবল কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতা ছিলেন না; বরং তিনি ছিলেন একাধারে মহান শিক্ষক, সমাজসংস্কারক, ন্যায়বিচারক, দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক...
৪ ঘণ্টা আগে
পবিত্র কোরআনের জরাজীর্ণ পাতায় আলতো হাত বোলান তিনি। অক্ষরের প্রতি পরম মমতায় চোখে ভেসে ওঠে এক ঐশ্বরিক শ্রদ্ধা। তিনি পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির অধিবাসী হাফেজ ইমরান কুরাইশি। কোনো সরকারি অনুদান বা সংস্থার সাহায্য ছাড়া, স্রেফ নিজের ইচ্ছাশক্তি ও রবের প্রতি ভালোবাসাকে সম্বল করে চার বছর ধরে এক অনন্য...
৪ ঘণ্টা আগে
‘ফি আমানিল্লাহ’ একটি আরবি বাক্য, যার অর্থ—‘আল্লাহর নিরাপত্তায়’ বা ‘আল্লাহ আপনাকে নিরাপদে রাখুন’। কাউকে বিদায় দেওয়া কিংবা বিদায় নেওয়ার সময়ে দোয়ার উদ্দেশ্যে এই বাক্যটি বলা যাবে। এতে কোনো বাধা নেই। তবে এ ক্ষেত্রে ইসলামের মূল শিক্ষা ও সুন্নাহর সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪ ঘণ্টা আগে