
ইসলামি ইতিহাস ও হাদিস শাস্ত্রের এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রহরী শামসুদ্দিন আজ-জাহাবি (রহ.)। তাঁর কলম থেকে ঝরে পড়েছে বিশুদ্ধ ইলমের ঝরনাধারা। তিনি একাধারে হাফেজে হাদিস, মুহাক্কিক ইতিহাসবেত্তা, সূক্ষ্ম বিশ্লেষক ও কালজয়ী জীবনীকার। তাঁর প্রখর মেধা ও প্রজ্ঞাদীপ্ত কাজ আজও বিশ্বব্যাপী ইসলামিক স্কলারদের পথ দেখায়।
জন্ম ও শৈশব
৬৭৩ হিজরি সনে সিরিয়ার দামেশকে ইমাম জাহাবি (রহ.) জন্মগ্রহণ করেন। সেখানেই তাঁর শৈশব-কৈশোর অতিবাহিত হয় এবং ইলমের অদম্য স্পৃহা তাঁকে জ্ঞানচর্চায় নিমগ্ন করে। হিজরি ৭৪৮ সনে এই মহান মনীষী দামেশকেই ইন্তেকাল করেন।
নববী ইলমের তৃষ্ণা মেটাতে তিনি কেবল দামেশকেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। তিনি চষে বেড়িয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত। তাঁর সফরকৃত উল্লেখযোগ্য স্থানগুলো হলো:
এসব সফরে তিনি তৎকালীন শ্রেষ্ঠ আলেম ও শায়খদের সান্নিধ্য লাভ করেন, যা তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘মুজামুশ শুয়ুখিল কাবির’-এ বিস্তারিত বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস, ইতিহাস ও রিজাল শাস্ত্রের (বর্ণনাকারীদের মান যাচাই) ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন এক কিংবদন্তি। বিজ্ঞজনদের বক্তব্যেই তাঁর বিশালত্ব ফুটে ওঠে:
ইমাম আজ-জাহাবি (রহ.)-এর প্রতিটি গ্রন্থই যেন একটি জ্ঞানের মহাসাগর। তাঁর উল্লেখযোগ্য কিছু কাজ হলো:
ইমাম জাহাবি (রহ.) জীবন ও কাজ আজও বিশুদ্ধ জ্ঞান অন্বেষণকারীদের জন্য এক চিরন্তন আলোকবর্তিকা।

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ হলো ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ। দ্বিতীয় হিজরির ১৭ রমজান মক্কার কুরাইশ এবং মদিনার মুসলমানদের মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়। মাত্র ৩১৩ জন মুসলিম যোদ্ধা এক হাজার সুসজ্জিত কাফির বাহিনীর বিরুদ্ধে অভাবনীয় বিজয় লাভ করেন। এই যুদ্ধে ৭০ জন কাফির নিহত হয় এবং ৭০ জন বন্দী হয়।
২ ঘণ্টা আগে
মদিনার উত্তপ্ত মরুভূমি। মক্কার কুরাইশদের অন্যায় আর অত্যাচারের জবাব দিতে বদর প্রান্তরে মুখোমুখি হয়েছে হক আর বাতিল। একপাশে আবু জাহেলের নেতৃত্বে এক হাজার সশস্ত্র সুসজ্জিত বাহিনী, অন্যপাশে মাত্র ৩১৩ জন অল্পপ্রাণ মুসলিম। কিন্তু সেই মুসলিম বাহিনীর ভিড়ে লুকিয়ে ছিল দুই সাহসী কিশোর—মুআজ ও মুআওয়িজ।
৩ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৮ ঘণ্টা আগে
আল্লাহ তাআলা রমজান মাস দিয়েছেন ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের মৌসুম হিসেবে। এই মাসের প্রতিটি দিন, প্রতিটি রাতই রহমত ও বরকতে পরিপূর্ণ। তবে শেষ দশককে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এ দশকের ফজিলত প্রথম দুই দশকের চেয়ে বেশি।
১ দিন আগে