
কোরবানি মহান আল্লাহর অন্যতম নিদর্শন বা ‘শিআরুল্লাহ’। এই ইবাদতের মূল ভিত্তি হলো আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য ও তাকওয়া। পশুর বিশেষ নামকরণের একটি বিষয় আমাদের সমাজে লক্ষ করা যায়। এ নিয়ে ইসলামি শরিয়তে যেমন অনুমোদন রয়েছে, তেমনি আছে কিছু সুনির্দিষ্ট বিধিনিষেধ।
শরিয়ত অনুযায়ী পশুপাখির সুন্দর ও মার্জিত নাম রাখা সম্পূর্ণ বৈধ। স্বয়ং বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম তাঁদের পোষা প্রাণীদের নাম রাখতেন।
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর উটের নাম ছিল ‘আজবা’ ও ‘কাসওয়া’। তাঁর ঘোড়ার নাম ছিল ‘সাকব’ এবং খচ্চরের নাম ছিল ‘দুলদুল’।
সুতরাং, আদর করে কোরবানির পশুর একটি সুন্দর নাম রাখা ইসলামি সংস্কৃতিরই অংশ।
পশুর নাম রাখা বৈধ হলেও মানুষের নামে বা মানুষের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ নামে পশুর নামকরণ করা জায়েজ নয়। এর প্রধান দুটি কারণ হলো:
আজকাল হাটে পশুর নাম ‘ট্রাম্প’, ‘মোদি’ বা ‘নেতানিয়াহু’ রাখা হচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে এটি ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ মনে হলেও ইসলামি স্কলারদের মতে এটি ইবাদতের গাম্ভীর্য নষ্ট করে। কোরবানি একটি পবিত্র সফর, সেখানে রাজনৈতিক ঘৃণা বা বিদ্রূপের মিশ্রণ ইবাদতের ‘ইখলাস’ বা একনিষ্ঠতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এটি ইবাদতকে একধরনের তামাশার বস্তুতে পরিণত করার শামিল, যা কবিরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
পশুপাখির নামকরণ নিয়ে ইসলামি চিন্তাবিদদের পরামর্শ হলো:
কোরবানির মূল লক্ষ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন। পশুর নাম কী রাখা হলো বা সেটি কতটা ভাইরাল হলো, তাতে আল্লাহর কাছে কোনো গুরুত্ব নেই। আল্লাহর কাছে পৌঁছায় কেবল বান্দার ‘তাকওয়া’। তাই সস্তা জনপ্রিয়তা বা রাজনৈতিক বিদ্রূপের ঊর্ধ্বে থেকে পবিত্র এই ইবাদতকে সব ধরনের কুরুচিপূর্ণ সংস্কৃতি থেকে মুক্ত রাখা প্রতিটি মুমিনের ইমানি দায়িত্ব।

ইসলামের পাঁচটি প্রধান স্তম্ভের অন্যতম হলো সালাত বা নামাজ। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নির্ধারিত নামাজ আদায় করা প্রত্যেক বালেগ (প্রাপ্তবয়স্ক) ও সুস্থ মস্তিষ্কের মুসলিমের ওপর আবশ্যক বা ফরজ। এই পাঁচ ওয়াক্তের সর্বশেষ নামাজ হলো এশার নামাজ। আরবিতে যাকে বলা হয় صلاة العشاء; সালাতুল ইশা।
১৫ ঘণ্টা আগে
ধর্মীয় পাঠকদের অন্যতম আকর্ষণের জায়গা আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা। দেশি-বিদেশি প্রকাশনীগুলো যখন নান্দনিক সাজে স্টল সাজিয়ে বসে, নতুন বইয়ের ঘ্রাণে যখন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ও পূর্ব চত্বর ম-ম করে, তখন দূর-দূরান্ত থেকে এখানে ছুটে আসেন ধর্মপ্রাণ লেখক-পাঠক। স্টল ঘুরে উল্টেপাল্টে বই দেখা
১৬ ঘণ্টা আগে
প্রশ্ন: শরিয়াহর আলোকে জাদু বা সিহরের বাস্তবতা কতটুকু? কোনো ব্যক্তি বা পরিবার জাদুগ্রস্ত হলে তাদের আচরণ ও শরীরে কী কী সুনির্দিষ্ট লক্ষণ প্রকাশ পায়? কোরআন-সুন্নাহ নির্দেশিত শরিয়াহসম্মত উপায়ে এর স্থায়ী প্রতিরোধ ও প্রতিকার কীভাবে সম্ভব? জানতে চাই।
১৭ ঘণ্টা আগে
আধুনিক ও ব্যস্ততম জীবনে আমরা প্রতিনিয়ত নানাবিধ সংকট ও বিপদের সম্মুখীন হই। ব্যক্তিগত, সামাজিক কিংবা আত্মিক নানামুখী জটিলতা থেকে উত্তরণের পথ খুঁজতে আমরা কত উপায়েরই-না দ্বারস্থ হই। অথচ এই অনুসন্ধানের মাঝেই অনেক সময় ভুলে যাই মহাগ্রন্থ আল-কোরআনের কথা।
১৯ ঘণ্টা আগে