মানবজাতিকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে পরিচালিত করতে এবং মহান আল্লাহর পরিচয় পৌঁছে দিতে যুগে যুগে দুনিয়ায় এসেছেন নবী ও রাসুলগণ। পরিভাষায়, যাঁদের কাছে নতুন কিতাব ও শরিয়ত এসেছে, তাঁরা ‘রাসুল’ এবং পূর্ববর্তী রাসুলের শরিয়ত অনুসরণকারীগণ নবী।
হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, আল্লাহ তাআলা পৃথিবীতে মোট ১ লাখ ২৪ হাজার (মতান্তরে ২ লাখ ২৪ হাজার) নবী-রাসুল পাঠিয়েছেন, যার মধ্যে রাসুল ছিলেন ৩১৫ জন।
তবে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা সব নবী-রাসুলের নাম উল্লেখ করেননি। মুসলিম হিসেবে আমাদের জন্য কোরআনে বর্ণিত ২৫ জন নবী ও রাসুলের নাম এবং তাঁদের জীবন সম্পর্কে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ আমরা কোরআনে বর্ণিত এই ২৫ জন নবীর তালিকা ও তাঁদের সম্পর্কে কিছু দুর্লভ তথ্য জানব।
সর্বাধিক আলোচিত নবী: হজরত মুসা (আ.)-এর কথা কোরআনে সবচেয়ে বেশি (১৩৬ বার) বলা হয়েছে।
পিতা-পুত্রের সিলসিলা: হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর পুত্র ইসমাইল ও ইসহাক, নাতি ইয়াকুব এবং প্রপৌত্র ইউসুফ—সবাই নবী ছিলেন।
সুরার নামকরণ: কোরআনে ছয়জন নবীর নামে সুরার নামকরণ করা হয়েছে (ইউনুস, হুদ, ইউসুফ, ইবরাহিম, নুহ ও মুহাম্মদ)।

সুরাটির বারবার পুনরাবৃত্ত আয়াত ‘ফাবিআইয়ি আলাই রাব্বিকুমা তুকাজজিবান’ (অতএব তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নেয়ামতকে অস্বীকার করবে?) মানুষের অন্তরে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও গভীর প্রভাব সৃষ্টি করে।
৪ ঘণ্টা আগে
যুগ যুগ ধরে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পবিত্র মক্কার উদ্দেশে হজ পালনের জন্য ছুটে আসেন হজযাত্রীরা। হজের সফর যেন ত্যাগ, ধৈর্য ও অদম্য বিশ্বাসের এক জীবন্ত প্রতীক। দুর্গম পথ, প্রতিকূল আবহাওয়া আর সীমাহীন অনিশ্চয়তাকে সঙ্গী করে আফ্রিকান হাজিরা যেভাবে বছরের পর বছর বায়তুল্লাহর জিয়ারতে এসেছেন, তা বিশ্ব ইতিহাসের...
৮ ঘণ্টা আগে
ইশরাক শব্দের অর্থ হলো আলোকিত হওয়া। সূর্য ওঠার পর জগৎ যখন আলোকিত হয়, তখন এই নামাজ আদায় করা হয় বলে একে সালাতুল ইশরাক বলা হয়। এটি নফল নামাজ এবং সুন্নতে গায়রে মুআক্কাদা, অর্থাৎ ঐচ্ছিক সুন্নত। মহানবী (সা.) নিজে এই নামাজ আদায় করতেন এবং সাহাবায়ে কেরামকেও উৎসাহিত করতেন।
৯ ঘণ্টা আগে
আরবি বর্ষপঞ্জির ১১তম মাস—জিলকদ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা যে চারটি মাসকে ‘মর্যাদাপূর্ণ’ (আশহুরুল হুরুম) বলে ঘোষণা করেছেন, জিলকদ তার অন্যতম। জাহিলিয়াতের যুগেও আরবে এই মাসে যুদ্ধবিগ্রহ নিষিদ্ধ ছিল। বর্তমানে মুমিনদের জন্য এটি হজ ও কোরবানির প্রস্তুতির মাস।
১১ ঘণ্টা আগে