আবরার নাঈম

সময় অতি মূল্যবান জিনিস। সময় থাকতে সময়ের মূল্য দিতে হয়। অতীতে যারা সময়ের মূল্য দিয়েছে, আজ আমরা তাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। সময়কে মূল্যায়ন করলে সময়ও আমাকে স্মরণীয় করে রাখবে স্মৃতির পাতায়। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা সময়ের শপথ করে বলেন, ‘শপথ সময়ের।’ (সুরা আসর: ১)
আমরা নানাভাবে সময় অপচয় করি। সময়ের অপব্যবহার করি। বর্তমানে সবচেয়ে ভয়ানক একসময় নষ্টকারী যন্ত্র হলো মোবাইল ফোন। এতে ছোট-বড় সবাই আক্রান্ত। দুই বছরের শিশু থেকে আশি বছরের বৃদ্ধ পর্যন্ত মোবাইলে আসক্ত। ফেসবুক, ইউটিউব, মেসেঞ্জার, ইমু, হোয়াটসঅ্যাপে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অযথা সময় কাটিয়ে দেয় তারা। রাতের পর রাত কেটে যায় মোবাইলে গেম খেলে। দীর্ঘ রাত জাগার কারণে ফজরের নামাজও কাজা হয়ে যায়।
পূর্বসূরিদের কাছে সময়ের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। আমাদের পূর্বসূরিরা সময়ের মূল্য বুঝতেন। সময়কে সঠিক কাজে ব্যয় করতেন। সে জন্য আজ তাদের আমরা ভক্তি ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। প্রসিদ্ধ তাবেয়ি হজরত হাসান বসরি (রহ.) বলতেন, প্রতিটি দিনই আদমসন্তানকে ডেকে বলে যায়, ‘আদমসন্তান, আমি নতুন একটি দিন। আমার মাঝে মানুষ যে কাজ করে, আমি তার সাক্ষী হয়ে থাকি।
যদি আমি চলে যাই, তবে পেছনে আর কখনো ফিরে আসি না। তাই তোমার যা ইচ্ছা, সামনে পাঠাও। ভবিষ্যৎজীবনে তুমি তারই প্রতিদান পাবে। আর যার পেছানোর ইচ্ছে করে, তাকে পিছিয়ে রাখো। মনে রেখো সময় কখনো ফিরে আসে না।’ (আল হাসানুল বসরি: ১৪০)
ইয়াহইয়া বিন মুয়াজ (রহ.) কতই-না চমৎকার বলেছেন, ‘রাত দীর্ঘ হয়। ঘুমিয়ে রাতকে তুমি ছোট করে ফেলো না। দিন হয় স্বচ্ছ ও নির্মল। তাই তোমার পাপ দিয়ে দিনকে পঙ্কিল কোরো না।’ (সিফাতুস সাফওয়া: ৪ / ৯৪)

সময় অতি মূল্যবান জিনিস। সময় থাকতে সময়ের মূল্য দিতে হয়। অতীতে যারা সময়ের মূল্য দিয়েছে, আজ আমরা তাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। সময়কে মূল্যায়ন করলে সময়ও আমাকে স্মরণীয় করে রাখবে স্মৃতির পাতায়। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা সময়ের শপথ করে বলেন, ‘শপথ সময়ের।’ (সুরা আসর: ১)
আমরা নানাভাবে সময় অপচয় করি। সময়ের অপব্যবহার করি। বর্তমানে সবচেয়ে ভয়ানক একসময় নষ্টকারী যন্ত্র হলো মোবাইল ফোন। এতে ছোট-বড় সবাই আক্রান্ত। দুই বছরের শিশু থেকে আশি বছরের বৃদ্ধ পর্যন্ত মোবাইলে আসক্ত। ফেসবুক, ইউটিউব, মেসেঞ্জার, ইমু, হোয়াটসঅ্যাপে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অযথা সময় কাটিয়ে দেয় তারা। রাতের পর রাত কেটে যায় মোবাইলে গেম খেলে। দীর্ঘ রাত জাগার কারণে ফজরের নামাজও কাজা হয়ে যায়।
পূর্বসূরিদের কাছে সময়ের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। আমাদের পূর্বসূরিরা সময়ের মূল্য বুঝতেন। সময়কে সঠিক কাজে ব্যয় করতেন। সে জন্য আজ তাদের আমরা ভক্তি ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। প্রসিদ্ধ তাবেয়ি হজরত হাসান বসরি (রহ.) বলতেন, প্রতিটি দিনই আদমসন্তানকে ডেকে বলে যায়, ‘আদমসন্তান, আমি নতুন একটি দিন। আমার মাঝে মানুষ যে কাজ করে, আমি তার সাক্ষী হয়ে থাকি।
যদি আমি চলে যাই, তবে পেছনে আর কখনো ফিরে আসি না। তাই তোমার যা ইচ্ছা, সামনে পাঠাও। ভবিষ্যৎজীবনে তুমি তারই প্রতিদান পাবে। আর যার পেছানোর ইচ্ছে করে, তাকে পিছিয়ে রাখো। মনে রেখো সময় কখনো ফিরে আসে না।’ (আল হাসানুল বসরি: ১৪০)
ইয়াহইয়া বিন মুয়াজ (রহ.) কতই-না চমৎকার বলেছেন, ‘রাত দীর্ঘ হয়। ঘুমিয়ে রাতকে তুমি ছোট করে ফেলো না। দিন হয় স্বচ্ছ ও নির্মল। তাই তোমার পাপ দিয়ে দিনকে পঙ্কিল কোরো না।’ (সিফাতুস সাফওয়া: ৪ / ৯৪)

নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
৩ ঘণ্টা আগে
জুমার নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। ‘জুমুআহ’ শব্দের অর্থ একত্র হওয়া বা কাতারবদ্ধ হওয়া। সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন শুক্রবারে প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানরা একত্র হয়ে জামাতের সঙ্গে জোহরের নামাজের পরিবর্তে এই নামাজ আদায় করেন, তাই একে জুমার নামাজ বলা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ঊর্ধ্বাকাশ ভ্রমণ মানব ইতিহাসের একটি অলৌকিক ঘটনা। এই সফরে নবীজি (সা.) সপ্তম আকাশ পেরিয়ে আল্লাহ তাআলার এত নিকটবর্তী হয়েছিলেন, যেখানে কোনো ফেরেশতা এমনকি জিবরাইল (আ.)-ও যেতে পারেননি। নবীজি (সা.)-এর এই মহাযাত্রা উম্মতের জন্য আল্লাহর কুদরতের বিশেষ নিদর্শন হয়ে আছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রমজানের আগমনী বার্তা নিয়ে আমাদের দোরগোড়ায় হাজির হচ্ছে পবিত্র মাস শাবান। এটি চান্দ্রবর্ষের অষ্টম মাস। আরবিতে এ মাসকে বলা হয় আশ-শাবানুল মুআজ্জাম। ইতিহাস বলে, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের দেড় বছর পর পূর্বতন কিবলা ফিলিস্তিনের মসজিদুল আকসা বা বায়তুল মুকাদ্দাসের...
৬ ঘণ্টা আগে