দাম্পত্য সম্পর্ক পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। জাগতিক জীবনে প্রশান্তি, স্থিতিশীলতা ও চারিত্রিক নিষ্কলুষতা অর্জন এবং পৃথিবীতে মানব প্রজন্মের বিস্তারই এ সম্পর্কের মৌলিক উদ্দেশ্য। এই উদ্দেশ্য পুরোপুরি বাস্তবায়িত হওয়ার জন্য স্বামী-স্ত্রীর মাঝে প্রেম-ভালোবাসা, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও দাম্পত্য সম্পর্ক স্থায়ী হওয়া বাঞ্ছনীয়। রূপচর্চা, পরিচ্ছন্নতা ও গোছালো জীবনযাপন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পরস্পরের প্রতি আকর্ষণবোধ ও ভালোবাসা বৃদ্ধি করে এবং দাম্পত্য সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ জন্যই ইসলাম দাম্পত্যজীবনে এ দিকটির প্রতি লক্ষ রাখতে বিশেষ জোর দিয়েছে।
মহানবী (সা.) এরশাদ করেন, ‘সর্বোত্তম স্ত্রী তিনি, যাঁর প্রতি তাকালে স্বামীর হৃদয় পুলকিত হয়।’ (নাসায়ি, আহমদ) উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) রাসুল (সা.)-এর জন্য সাজতেন। গয়না ও রঙিন পোশাক পরতেন। এক হাদিসে তিনি বলেন, ‘একদিন রাসুল (সা.) আমার ঘরে এলেন। আমার হাতে রুপার একটি আংটি দেখে বললেন, “এটা কী, আয়েশা?” আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, এটা আপনার জন্য নিজেকে সাজাতে পরিধান করেছি।’ (আবু দাউদ)
এসব হাদিসের আলোকে আলেমগণ বলেন, শরিয়তের সীমার ভেতরে থেকে স্বামীর মনোরঞ্জনের জন্য সাজগোজ করা স্ত্রীর ওপর স্বামীর অধিকার। (আল-মাওসুআতুল ফিকহিয়্যাহ)
স্ত্রী যেমন স্বামীর জন্য সাজবেন, তেমনি স্বামীও স্ত্রীর জন্য নিজেকে পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি করে রাখবেন। রাসুল (সা.) ও সাহাবিরা তা-ই করতেন। হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বাড়িতে প্রবেশ করার পর প্রথম মিসওয়াক দিয়ে মুখ ও দাঁত পরিষ্কার করে নিতেন। (মুসলিম)
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘আমি যেমন চাই, আমার স্ত্রী আমার জন্য সেজেগুজে থাকবে, আমিও তেমনি তার জন্য সাজতে পছন্দ করি। কারণ আল্লাহ বলেছেন, “স্ত্রীদের ওপর যেমন স্বামীদের অধিকার আছে, তেমনি স্বামীদের ওপরও স্ত্রীদের ন্যায়সংগত অধিকার আছে।”’ (সুরা আল-বাকারা: ২২৮, তাফসিরে তাবারি)
লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৩৫ মিনিট আগে
চাঁদের সঙ্গে আমাদের ভিন্ন ধরনের এক সম্পর্ক। ছেলেবেলায় মায়ের মুখে চাঁদ মামার কবিতা শুনে এর প্রতি ভিন্ন এক টান তৈরি হয়। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গল্প, কবিতা, উপন্যাসে চাঁদের উপস্থিতি আমাদের আরও আপ্লুত করে।
৯ ঘণ্টা আগে
পৃথিবীর সূচনালগ্ন থেকেই আল্লাহ তাআলা বছরে মাসের সংখ্যা ১২টি নির্ধারণ করে রেখেছেন। প্রাচীনকাল থেকে সব নবীর শরিয়তেই ১২টি চন্দ্রমাসকে এক বছর হিসাবে গণনা করা হতো। এ মাসগুলোর মধ্যে চারটি মাস বিশেষ মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী।
১২ ঘণ্টা আগে
জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন মহান আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়। এই দিনগুলোতে নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। কোরবানির উদ্দেশ্যে যাঁরা পশু প্রস্তুত রেখেছেন বা কোরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, তাঁদের জন্য জিলহজের ১ তারিখ থেকে কোরবানি সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত চুল, নখ ও শরীরের পশম না কাটা একটি বিশেষ মুস্তাহাব আমল।
১৩ ঘণ্টা আগে