
জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন মহান আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়। এই দিনগুলোতে নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। কোরবানির উদ্দেশ্যে যাঁরা পশু প্রস্তুত রেখেছেন বা কোরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, তাঁদের জন্য জিলহজের ১ তারিখ থেকে কোরবানি সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত চুল, নখ ও শরীরের পশম না কাটা একটি বিশেষ মুস্তাহাব আমল।
নবী করিম (সা.) জিলহজের এই দিনগুলোতে কোরবানিদাতাদের বিশেষ সংযমের নির্দেশ দিয়েছেন। উম্মে সালামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
‘জিলহজের দশক শুরু হলে তোমাদের মধ্যে যারা কোরবানি করতে ইচ্ছুক, তারা যেন তাদের চুল ও নখ না কাটে।’ (সহিহ্ মুসলিম: ১৯৭৭)
এই আমলটি মূলত আল্লাহর আদেশের প্রতি আনুগত্য এবং কোরবানির মহান ইবাদতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি বহিঃপ্রকাশ। এর মাধ্যমে একজন মুমিন নিজের পুরো অস্তিত্ব নিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির অপেক্ষায় থাকেন।
অনেকেই মনে করেন এই আমলটি কেবল কোরবানিদাতাদের জন্য। তবে ইসলামি স্কলাররা আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসের ভিত্তিতে বলেন, যাঁরা সামর্থ্যের অভাবে কোরবানি করতে পারছেন না, তাঁরাও যদি জিলহজের প্রথম ১০ দিন চুল-নখ না কেটে ঈদের দিন কাটেন, তবে আল্লাহ তাআলা তাঁদের পূর্ণ কোরবানির সওয়াব দান করতে পারেন। (সুনানে আবু দাউদ: ২৭৮৯)
বাংলাদেশে এ বছর (২০২৬) জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যেতে পারে আজ ১৮ মে (সোমবার) দিবাগত রাতে। তাই যাঁরা কোরবানি করবেন এবং এই আমলটি করতে ইচ্ছুক, তাঁদের আজ সন্ধ্যার আগেই নখ, চুল, গোঁফ ও শরীরের অন্যান্য অযাচিত লোম কেটে ফেলা উচিত। চাঁদ দেখা যাওয়ার খবর পাওয়ার পর থেকে কোরবানি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এগুলো কাটা থেকে বিরত থাকতে হবে।

পৃথিবীর সূচনালগ্ন থেকেই আল্লাহ তাআলা বছরে মাসের সংখ্যা ১২টি নির্ধারণ করে রেখেছেন। প্রাচীনকাল থেকে সব নবীর শরিয়তেই ১২টি চন্দ্রমাসকে এক বছর হিসাবে গণনা করা হতো। এ মাসগুলোর মধ্যে চারটি মাস বিশেষ মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী।
২ ঘণ্টা আগে
পবিত্র হজব্রত পালনের মাস জিলহজ। ইসলামের বরকতময় মাসগুলোর মধ্যেও এটি অন্যতম। বিশেষত এ মাসের প্রথম দশ দিন আল্লাহ তাআলার নিকট অত্যন্ত প্রিয় ও মর্যাদাপূর্ণ। এই দিনগুলোকে নেক আমলের মৌসুম বলা হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৪ ঘণ্টা আগে
কোরবানি ইসলামের অন্যতম একটি মৌলিক ইবাদত। আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, কোরবানি কেবল পরিবারের পুরুষ বা উপার্জনক্ষম ব্যক্তিদের ওপরই বর্তায়। অনেক নারীই মনে করেন, যেহেতু তাঁদের কোনো ব্যক্তিগত আয় বা ইনকাম নেই, সেহেতু তাঁদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার প্রশ্নই আসে না।
১ দিন আগে