মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ

মানবজীবনের এক অপরিহার্য অনুষঙ্গ হলো ব্যবসা-বাণিজ্য। ইসলাম এই অর্থনৈতিক খাতকে শুধু জীবিকার মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং ইবাদতের অংশ হিসেবে গণ্য করেছে। তবে এ জন্য প্রয়োজন ন্যায়নিষ্ঠা, সততা ও আল্লাহভীতি। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করো না; তবে পারস্পরিক সম্মতিতে ব্যবসার মাধ্যমে হলে তা বৈধ।’ (সুরা নিসা: ২৯)
এই আয়াত প্রমাণ করে, ব্যবসা হালাল উপার্জনের মাধ্যম হলেও এতে যদি প্রতারণা, জুলুম বা হারাম উপাদান যুক্ত হয়, তবে তা আল্লাহর কাছে গৃহীত হয় না।
ব্যবসায়িক নৈতিকতা ও নৈতিক দায়িত্ব
ব্যবসায় ইসলামের মূল শিক্ষা হলো সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও আল্লাহভীতি। ব্যবসা মানুষের জীবিকার প্রধান মাধ্যম হলেও এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে নৈতিক দায়িত্ব। তাই ইসলাম ব্যবসায় এমন সব আচরণ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে, যা মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন করে বা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
প্রতারণা, ধোঁকাবাজি, জালিয়াতি, মুনাফাখোরী, মাপে কম দেওয়া কিংবা নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রি—এসব কার্যকলাপ ইসলামে সম্পূর্ণভাবে হারাম। আল্লাহ কোরআনে বলেন, ‘যারা মাপে কম দেয়, তাদের জন্য ধ্বংস।’ (সুরা মুতাফফিফিন: ১)
রাসুলুল্লাহ (সা.) সততার গুরুত্ব সম্পর্কে জোর দিয়ে বলেছেন, ‘সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত ব্যবসায়ী নবী, সিদ্দিক ও শহীদদের সঙ্গে থাকবে।’ (জামে তিরমিজি: ১২০৯)
এই হাদিস প্রমাণ করে যে, ব্যবসায় সততা শুধু দুনিয়ার সফলতার নিশ্চয়তা নয়, বরং আখিরাতেও উচ্চ মর্যাদা লাভের মাধ্যম। একজন মুসলিম ব্যবসায়ীর কর্তব্য হলো, তাঁর লেনদেনকে স্বচ্ছ ও ন্যায়নিষ্ঠ করা, যাতে সমাজে আস্থা, শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠিত হয়।
ব্যবসা-বাণিজ্য শুধু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়, বরং তা আখিরাতের সফলতার মাধ্যমও হতে পারে, যদি ইসলামি নীতিমালা অনুসরণ করা হয়। প্রতিটি মুসলিমের কর্তব্য হলো ব্যবসায়ে জুলুম, প্রতারণা ও হারাম থেকে দূরে থাকা এবং আল্লাহর বিধান মেনে চলা। ইসলামি নীতিভিত্তিক বাণিজ্য সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতেও ভারসাম্য আনতে সক্ষম। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ব্যবসা-বাণিজ্যে ইসলামি নীতিমালা অনুসরণের তৌফিক দান করুন।
লেখক: প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি

মানবজীবনের এক অপরিহার্য অনুষঙ্গ হলো ব্যবসা-বাণিজ্য। ইসলাম এই অর্থনৈতিক খাতকে শুধু জীবিকার মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং ইবাদতের অংশ হিসেবে গণ্য করেছে। তবে এ জন্য প্রয়োজন ন্যায়নিষ্ঠা, সততা ও আল্লাহভীতি। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করো না; তবে পারস্পরিক সম্মতিতে ব্যবসার মাধ্যমে হলে তা বৈধ।’ (সুরা নিসা: ২৯)
এই আয়াত প্রমাণ করে, ব্যবসা হালাল উপার্জনের মাধ্যম হলেও এতে যদি প্রতারণা, জুলুম বা হারাম উপাদান যুক্ত হয়, তবে তা আল্লাহর কাছে গৃহীত হয় না।
ব্যবসায়িক নৈতিকতা ও নৈতিক দায়িত্ব
ব্যবসায় ইসলামের মূল শিক্ষা হলো সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও আল্লাহভীতি। ব্যবসা মানুষের জীবিকার প্রধান মাধ্যম হলেও এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে নৈতিক দায়িত্ব। তাই ইসলাম ব্যবসায় এমন সব আচরণ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে, যা মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন করে বা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
প্রতারণা, ধোঁকাবাজি, জালিয়াতি, মুনাফাখোরী, মাপে কম দেওয়া কিংবা নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রি—এসব কার্যকলাপ ইসলামে সম্পূর্ণভাবে হারাম। আল্লাহ কোরআনে বলেন, ‘যারা মাপে কম দেয়, তাদের জন্য ধ্বংস।’ (সুরা মুতাফফিফিন: ১)
রাসুলুল্লাহ (সা.) সততার গুরুত্ব সম্পর্কে জোর দিয়ে বলেছেন, ‘সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত ব্যবসায়ী নবী, সিদ্দিক ও শহীদদের সঙ্গে থাকবে।’ (জামে তিরমিজি: ১২০৯)
এই হাদিস প্রমাণ করে যে, ব্যবসায় সততা শুধু দুনিয়ার সফলতার নিশ্চয়তা নয়, বরং আখিরাতেও উচ্চ মর্যাদা লাভের মাধ্যম। একজন মুসলিম ব্যবসায়ীর কর্তব্য হলো, তাঁর লেনদেনকে স্বচ্ছ ও ন্যায়নিষ্ঠ করা, যাতে সমাজে আস্থা, শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠিত হয়।
ব্যবসা-বাণিজ্য শুধু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়, বরং তা আখিরাতের সফলতার মাধ্যমও হতে পারে, যদি ইসলামি নীতিমালা অনুসরণ করা হয়। প্রতিটি মুসলিমের কর্তব্য হলো ব্যবসায়ে জুলুম, প্রতারণা ও হারাম থেকে দূরে থাকা এবং আল্লাহর বিধান মেনে চলা। ইসলামি নীতিভিত্তিক বাণিজ্য সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতেও ভারসাম্য আনতে সক্ষম। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ব্যবসা-বাণিজ্যে ইসলামি নীতিমালা অনুসরণের তৌফিক দান করুন।
লেখক: প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি

চলতি বছর বিভিন্ন বিভাগ থেকে ১ হাজার ২৮৩ জন শিক্ষার্থীকে এই সম্মাননা দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছেন দাওরায়ে হাদিস (মাওলানা) প্রায় ৯০০ জন, পবিত্র কোরআনের হাফেজ ১১৭ জন, মুফতি (ইফতা) ৬৬ জন, মুহাদ্দিস (উলুমুল হাদিস) ৮ জন, আরবি সাহিত্যে ডিপ্লোমা ৯৩ জন, মুফাসসির ২৪ জন, কারি (কেরাতে হাফস ও সাবা) ৬৯ জন...
১২ ঘণ্টা আগে
জুমার দিন মুসলিম উম্মাহর জন্য এক বিশেষ নিয়ামত। এই দিনটিকে সপ্তাহের সেরা দিন হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন নবী করিম (সা.)। জুমার দিন কেবল একটি নামাজ আদায়ের মাধ্যম নয়; বরং এদিনের প্রতিটি মুহূর্তেই রহমত, বরকত ও মাগফিরাত বর্ষিত হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
একটি রাষ্ট্রের প্রকৃত পরিচয় তার সংবিধানে নয়, বরং সেই সংবিধানের ন্যায়সংগত প্রয়োগের ওপর নির্ভর করে। ইতিহাস সাক্ষী দেয়—বিপুল সম্পদ, আধুনিক প্রযুক্তি কিংবা শক্তিশালী সামরিক বাহিনী কোনো রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখতে পারে না, যদি সেখানে ইনসাফ বা ন্যায়বিচার অনুপস্থিত থাকে।
১৪ ঘণ্টা আগে
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নবুওয়তপ্রাপ্তির শুরু থেকে ইসলামের ভিত্তি সুদৃঢ়করণ ও মুসলিম উম্মাহর জাগরণে নারীদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। তাঁরা নিজেদের উৎসর্গ করেছেন, সম্পদ ব্যয় করেছেন, হিজরত করেছেন, এমনকি নিজের জীবনও বিলিয়ে দিয়েছেন। এর বহু দৃষ্টান্ত রয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে