
ঢাকার অন্যতম দ্বীনি বিদ্যাপীঠ জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ীর (যাত্রাবাড়ী বড় মাদ্রাসা) প্রায় ১ হাজার ৩০০ কৃতী শিক্ষার্থীকে দেওয়া হচ্ছে সম্মাননা পাগড়ি।
আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে সম্মাননা পাগড়ি দেওয়া হবে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে হিফজুল কোরআন, দাওরায়ে হাদিস ও বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর কোর্স সম্পন্নকারী ছাত্রদের নিয়ে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন করার সব প্রস্তুতি শেষ করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, বিকেল থেকে শুরু হবে অনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। বাদ মাগরিব পবিত্র কোরআন ও বুখারি শরিফ খতম করাবেন কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড আল হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়ার চেয়ারম্যান আল্লামা মাহমূদুল হাসান। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, রাত ৯টায় বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হবে।
মাদ্রাসার শিক্ষক রিদওয়ান হাসান জানিয়েছেন, চলতি বছর বিভিন্ন বিভাগ থেকে ১ হাজার ২৮৩ জন শিক্ষার্থীকে এই সম্মাননা দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছেন দাওরায়ে হাদিস (মাওলানা) প্রায় ৯০০ জন, পবিত্র কোরআনের হাফেজ ১১৭ জন, মুফতি (ইফতা) ৬৬ জন, মুহাদ্দিস (উলুমুল হাদিস) ৮ জন, আরবি সাহিত্যে ডিপ্লোমা ৯৩ জন, মুফাসসির ২৪ জন, কারি (কেরাতে হাফস ও সাবা) ৬৯ জন এবং ইসলামি দাওয়াহ ৬ জন।
পাগড়ি প্রদান অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশবরেণ্য আলেমদের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রশাসনিক ও সব ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

হজ কোনো সাধারণ সফর নয়, এটি মহান আল্লাহর সান্নিধ্যলাভের এক অনন্য মাধ্যম। এই ইবাদত যেমন শরীরের পরিশ্রমে ঋদ্ধ, তেমনি আত্মার প্রশান্তিতে ধন্য। তবে প্রস্তুতির অভাবে অনেক সময় এই পবিত্র সফর কেবল ভ্রমণে পর্যবসিত হয়। তাই হজে যাওয়ার আগে প্রতিটি হাজিকে কিছু মৌলিক বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
এই নশ্বর জীবনে প্রতিটি মানুষেরই নিজস্ব কর্মপদ্ধতি ও ব্যস্ততা রয়েছে। কিন্তু একজন মুমিনের জীবনের মূল চালিকাশক্তি হলো পরকালের চিন্তা। দুনিয়াবি ব্যস্ততার পসরা যতই বড় হোক, মুমিন তার ইমান ও আমলের জন্য সময় বের করে নেয়।
৮ ঘণ্টা আগে
খিভা থেকে আমু দরিয়া (প্রাচীন অক্সাস নদী) পার হলেই চোখে পড়ে মাওয়ারাননাহার বা ট্রান্স-অক্সিয়ানার দিগন্ত। এই জনপদেই গড়ে উঠেছে উজবেকিস্তানের দুই গৌরবোজ্জ্বল শহর—সমরকন্দ ও বুখারা। তবে সব ছাপিয়ে বুখারাকে বলা হয় ‘কুব্বাতুল ইসলাম’ বা ইসলামের গম্বুজ; যা শতাব্দীকাল ধরে ঐতিহ্য, পাণ্ডিত্য এবং সুফি ঐতিহ্যের...
৮ ঘণ্টা আগে
শৈশবে শিখেছিলাম—‘নামাজে ডান পা নাড়াচাড়া করা যাবে না।’ এর পর থেকে আজ পর্যন্ত নামাজের শেষ পর্যন্ত ডান পা নাড়াচাড়া না করে সালাম ফেরাই। কিন্তু অনেককে দেখি বিষয়টি সম্পর্কে উদাসীন। তাহলে কি আমি ভুল জেনেছি এত দিন? এ ব্যাপারে ইসলামের সঠিক বিধান কী?’
৮ ঘণ্টা আগে