
ইসলামে জুলুম বা অত্যাচারকে অন্যতম কবিরা গুনাহ হিসেবে সাব্যস্ত করা হয়েছে। কারও অধিকার হরণ, বিনা অপরাধে নির্যাতন বা মানহানি করা জুলুমের অন্তর্ভুক্ত। জালিমকে মহান আল্লাহ সাময়িক অবকাশ দিলেও তার শাস্তি নিশ্চিত। বিশেষ করে দুনিয়া ও আখিরাত—উভয় জায়গাতেই জুলুমের কঠিন বিচার হয়ে থাকে।
ইসলাম সব ধরনের অত্যাচারকে হারাম ঘোষণা করেছে। শুধু মুসলিম নয়, কোনো অমুসলিমের ওপর জুলুম করাও ইসলামে নিষিদ্ধ। সাধারণত নিচের কাজগুলো জুলুমের পর্যায়ভুক্ত:
⬤ কারও প্রাপ্য অধিকার হরণ করা।
⬤ দুর্বলের ওপর ক্ষমতার দাপট দেখানো বা নৃশংসতা চালানো।
⬤ বিনা অপরাধে কাউকে নির্যাতন বা উৎপীড়ন করা।
⬤ মানহানিকর অপবাদ দেওয়া।
জালিমরা অনেক সময় মনে করে তাদের এই অপরাধ দেখার কেউ নেই। কিন্তু আল্লাহ তাআলা জালিমদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে পূর্ণ অবগত। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা জালিমদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আল্লাহকে উদাসীন মনে কোরো না। তবে তিনি তাদের শুধু একটি নির্দিষ্ট দিন পর্যন্ত অবকাশ দেন।’ (সুরা ইবরাহিম: ৪২-৪৫)
অত্যাচারিত বা মজলুম ব্যক্তির দোয়া মহান আল্লাহর কাছে সরাসরি কবুল হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিস অনুযায়ী:
জুলুম এমন এক অপরাধ যা আল্লাহ তখন পর্যন্ত মাফ করেন না, যতক্ষণ না অত্যাচারিত ব্যক্তি তাকে ক্ষমা করে।
রাসুল (সা.) বলেছেন, দুটি পাপের শাস্তি আল্লাহ তাআলা আখিরাতের পাশাপাশি দুনিয়াতেও দিয়ে থাকেন: এক. জুলুম বা অত্যাচার করা। দুই. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা। (সুনানে তিরমিজি: ২৫১১)
ক্ষমতার মোহে যারা দুর্বলদের ওপর জুলুম করে, তারা আসলে নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনে। সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় জুলুম বর্জন করা প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব।

পরকালে সফল হতে পৃথিবীর জীবনে গুনাহ বা পাপ থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি উত্তম আমল করা প্রতিটি মুমিনের জন্য জরুরি। মহান আল্লাহর অনন্য নিয়ামতগুলোর একটি হলো বান্দাকে বিনা হিসাবে জান্নাত দান করা। কোন সৌভাগ্যবান ব্যক্তিরা কোনো প্রকার হিসাব ও আজাব ছাড়াই সরাসরি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেন এবং তাঁদের বিশেষ
১ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৬ ঘণ্টা আগে
আল্লাহ তাআলা পরিমাণের চেয়ে ইবাদতের ধারাবাহিকতা ও নিষ্ঠাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো তা-ই, যা নিয়মিত করা হয়—যদিও তা পরিমাণে অল্প হয়।’ (সহিহ বুখারি: ৬৪৬৪, সহিহ মুসলিম: ৭৮২)
১৪ ঘণ্টা আগে
বয়ঃসন্ধিকাল কিংবা তারুণ্যের চৌকাঠে পা রাখার পর অনেক তরুণ-তরুণীই একটি বিশেষ শারীরিক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন, যা সমাজ ও পরিবারে সাধারণত আড়ালে রাখা হয়। লোকলজ্জা আর সঠিক ধর্মীয় জ্ঞানের অভাবে অনেকে গোপনে এক তীব্র অপরাধবোধে ভুগতে থাকেন।
১ দিন আগে