
জামাতে নামাজ আদায় ইসলামের অন্যতম প্রধান নিদর্শন। এটি মুসলিম উম্মাহর পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও ঐক্যের প্রতীক। রাসুলুল্লাহ (সা.) মসজিদে জামাতে উপস্থিত হওয়ার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘জামাতের সঙ্গে আদায় করা নামাজ একাকী আদায় করার চেয়ে ২৭ গুণ বেশি মর্যাদাসম্পন্ন।’ (সহিহ বুখারি: ৬৪৫)
তবে অসুস্থতা, প্রবল বৃষ্টিপাত, দুর্যোগ, নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কা বা দূরবর্তী অবস্থানের মতো শরয়ি ওজরের কারণে মসজিদে যাওয়া সম্ভব না হলে পরিবার নিয়ে ঘরে জামাতে নামাজ আদায় করা যায়।
১. একজন পুরুষ মুক্তাদি থাকলে: সে ইমামের ডান পাশে সামান্য পেছনে দাঁড়াবে।
২. দুই বা ততোধিক পুরুষ থাকলে: ইমাম সামনে এককভাবে দাঁড়াবেন এবং পুরুষ মুক্তাদিরা ইমামের পেছনে কাতার সোজা করে দাঁড়াবেন।
৩. নারী মুক্তাদি থাকলে: নারীরা সর্বাবস্থায় পুরুষদের পেছনের কাতারে আলাদাভাবে দাঁড়াবেন।
৪. শুধু স্বামী-স্ত্রী হলে: স্বামী সামনে ইমাম হিসেবে দাঁড়াবেন এবং স্ত্রী ঠিক তাঁর পেছনের কাতারে একাই দাঁড়াবেন। স্বামীর পাশে সমানভাবে দাঁড়ানো সুন্নাহসম্মত নয়।
ঘরে জামাতের জন্য মুখে উচ্চারণ করে নিয়তের প্রয়োজন নেই; অন্তরের ইচ্ছাই যথেষ্ট। তবে ইমামকে ইমামতির এবং মুক্তাদিকে অনুসরণের নিয়ত করতে হবে।
মনে রাখা প্রয়োজন, ওজর ছাড়া মসজিদে যাওয়া বর্জন করা অনুচিত। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মসজিদে যেতে না পারলে ঘরে সঠিক নিয়ম মেনে জামাতে নামাজ আদায় করাই সচেতন মুমিনের পরিচয়। ঘরে পরিবারকে নিয়ে জামাতে নামাজ আদায় করলে পরিবারে দ্বীনি পরিবেশ তৈরি হয়, সন্তানেরা নামাজের প্রতি অনুরাগী হয় এবং ঘরে আল্লাহর রহমত ও শান্তি বজায় থাকে।

মানবজীবনের স্বাভাবিক পরিণতি মৃত্যু। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মানুষের কর্মজীবনের ইতি ঘটলেও কিছু নেক আমল এমন রয়েছে, যার প্রতিদান পরকালেও অবিরাম পৌঁছাতে থাকে। দুনিয়ায় রেখে যাওয়া এমন কিছু কল্যাণকর উদ্যোগ মৃত্যুর পরও আলোর উৎস হয়ে থাকে।
১ দিন আগেতাওয়াফ করা অবস্থায় বেশি বেশি ইস্তিগফার, জিকির ও দোয়া করা উত্তম। এ সময় আল্লাহর কাছে নিজের ভাষায় মনের আকুতি ও প্রয়োজন তুলে ধরে মিনতি করা যায়। প্রয়োজনে কোরআন তিলাওয়াতও করা যায়। তবে দোয়াগুলোর অর্থ বুঝে পড়া ভালো, যেন রবের কাছে কী চাওয়া হচ্ছে, তা হৃদয় দিয়ে অনুভব করা যায়।
২ দিন আগে
ইবাদত বান্দা ও তার রবের মধ্যে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যম। রাসুল (সা.) ইবাদতে এমন স্বাদ পেতেন যে তিনি বলতেন, ‘নামাজে আমার চোখের শীতলতা রাখা হয়েছে।’ (সহিহুল জামে: ৩০৯৮)। প্রত্যেক মুমিনের চেষ্টা হওয়া উচিত ইবাদতের সেই মধুরতা অর্জন করা। এ ক্ষেত্রে নিচের চারটি বিষয় বিশেষভাবে সহায়ক হতে পারে।
২ দিন আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
২ দিন আগে