হজ মুমিনের জীবনে একবারই ফরজ হয়। তাও কেবল দৈহিক ও আর্থিক সামর্থ্য থাকার শর্তে। ফলে যাঁরা হজ পালনের সুযোগ পান, তাঁরা প্রকৃত অর্থেই ভাগ্যবান। হজ হাজিদের জীবনে আমূল পরিবর্তন আনে। আল্লাহর প্রেমে সিক্ত হয়ে গুনাহমুক্ত জীবন গড়ার শপথ নেন তাঁরা। অবশ্য হজের এই ফজিলত ও পুরস্কার হাজির তাকওয়া, সদিচ্ছা ও নিষ্ঠার ওপরই নির্ভর করে। হজ-পরবর্তী জীবনে তাঁর কার্যকলাপ বলে দেবে তাঁর হজ কতটুকু ফলপ্রসূ।
এ কথা সত্য যে হজ মানুষের জীবন পাল্টে দেয়। হাজিকে আল্লাহর প্রিয় বান্দায় পরিণত করে। হজ মুমিন বান্দাকে মুত্তাকি ও নিষ্ঠাবান হওয়ার প্রশিক্ষণ দেয়। দুনিয়ার ভোগবিলাস থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার শিক্ষা দেয়। তাই হজ থেকে ফিরেও ভালো কাজের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
হজ থেকে ফিরে বান্দার প্রথম কাজ হলো, দৈনন্দিন জীবনের ফরজগুলো আবশ্যিকভাবে পালন করা, সব গুনাহ থেকে বিরত থাকা এবং মানুষের হক যথাযথভাবে আদায় করা। অতীতে পেশাগত বা অন্য কোনো কারণে কোনো গুনাহের কাজে জড়িত থাকলে তা থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখা। এ ক্ষেত্রে তাঁকে আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের সান্নিধ্য গ্রহণ করতে হবে এবং কোরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা মোতাবেক জীবন পরিচালনা করতে হবে।
নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত করা, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে গিয়ে জামাতের সঙ্গে আদায় করা, প্রতিদিনের সুন্নত-মুস্তাহাবগুলো যথাযথভাবে পালন করা, বেশি বেশি নফল ইবাদতের অভ্যাস গড়ে তোলা ইত্যাদি কাজ গুনাহমুক্ত জীবনের পক্ষে দারুণ সহায়ক। বিশেষ করে রাতের শেষ প্রহরে তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়ের অভ্যাস গড়ে তোলা আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের বৈশিষ্ট্য। তবে এসব করতে গিয়ে সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করা যাবে না। পরিবারসহ সবার হক যথাযথভাবে আদায় করতে হবে।

মানবজীবনে জীবনসঙ্গীর প্রভাব অপরিসীম। একজন ভালো সঙ্গী মানুষকে আলোর পথে চালিত করে, আর মন্দ সঙ্গী জীবনকে বিপথগামী করে তোলে। সারা দিনের ক্লান্তি শেষে ঘরে ফিরে সঙ্গীর একটু সহমর্মিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ দেহ-মনকে প্রফুল্ল করে তোলে, মানুষকে নতুন উদ্যমে বাঁচার প্রেরণা জোগায়।
৭ ঘণ্টা আগে
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাচনশৈলীর অধিকারী। তাঁর কথা বলার ধরন ও শব্দ চয়ন ছিল এতটাই মনোমুগ্ধকর, যা শ্রোতার হৃদয়ে সরাসরি রেখাপাত করত। তাঁর সুমিষ্ট বাণী মানুষকে সত্যের পথে আকর্ষিত করত।
১৫ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৯ ঘণ্টা আগে
আমরা আখিরাতের অনন্ত জীবনের যাত্রী। এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার প্রতিটি কর্মকাণ্ডের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ পাবে পরকালে—যার শেষ পরিণতি হয় চিরসুখের জান্নাত, না হয় ভয়াবহ জাহান্নাম। আজকাল আমরা অঢেল ধনসম্পদ, বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ি কিংবা সমাজের উঁচু পদমর্যাদাকেই ‘সফলতা’ বলে ধরে নিয়েছি।
২ দিন আগে