মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ

শীতের সকাল মানেই ঘন কুয়াশা, কনকনে ঠান্ডা বাতাস আর আরামদায়ক বিছানার প্রবল আকর্ষণ। এই সময়ে ঘুমের ঘোর ভেঙে জেগে ওঠা যে কারও জন্যই বেশ কষ্টসাধ্য। ঠিক এই মুহূর্তেই ফজরের নামাজ একজন মুমিনের ইমানের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়ায়। শীতের ভোরে অজু-গোসলের কষ্ট আর বিছানার মোহ ত্যাগ করা সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
শীতের কষ্ট উপেক্ষা করে যে ব্যক্তি আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে, সে-ই প্রকৃত অর্থে আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়। হাদিসে কুদসিতে এসেছে, ‘আল্লাহ তাআলা সেই বান্দার প্রতি অত্যন্ত সন্তুষ্ট ও বিস্মিত হন, যে শীতের রাতে আরামদায়ক বিছানা ছেড়ে কেবল নামাজের জন্য উঠে দাঁড়ায়।’ (মুসনাদে আহমাদ: ২৩৮০২)। তাই শীতের সকালে ফজরের নামাজ আদায় করার জন্য যে ব্যক্তি কনকনে ঠান্ডায় অজু করে আল্লাহর সান্নিধ্যে দাঁড়ায়, আল্লাহ তার জীবনকে বরকত ও শান্তিতে ভরে দেন।
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘...আর ফজরের নামাজ; নিশ্চয়ই ফজরের নামাজ পরিলক্ষিত হয় বিশেষভাবে।’ (সুরা বনি ইসরাইল: ৭৮)।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, তোমাদের কাছে রাতে একদল ফেরেশতা এবং দিনে একদল ফেরেশতা (পালাক্রমে) যাতায়াত করেন। তাঁরা ফজরের নামাজ এবং আসরের নামাজের সময় একত্র হন। যদিও তিনি বান্দাদের সম্পর্কে তাঁদের চেয়েও ভালো জানেন, তবু তোমাদের কাছে রাত যাপনকারী ফেরেশতারা যখন আল্লাহর দরবারে ফিরে যান, তখন আল্লাহ তাআলা তাঁদের জিজ্ঞেস করেন, ‘তোমরা আমার বান্দাদের কোন অবস্থায় রেখে এলে?’ ফেরেশতারা তখন উত্তরে বলেন, ‘আমরা যখন তাদের কাছে গিয়েছিলাম তখন তারা নামাজরত ছিল, আবার যখন তাদের ছেড়ে এলাম তখনো তারা নামাজরত ছিল।’
হাদিসে এসেছে, ‘ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) নামাজ দুনিয়া ও তার মধ্যবর্তী সবকিছুর চেয়ে উত্তম।’ (সহিহ মুসলিম: ৭২৫)। কেবল সুন্নতের মর্যাদা যদি এত বেশি হয়, তবে ফরজ নামাজের গুরুত্ব ও সওয়াব যে কত মহান, তা সহজেই অনুমেয়।

শীতের সকাল মানেই ঘন কুয়াশা, কনকনে ঠান্ডা বাতাস আর আরামদায়ক বিছানার প্রবল আকর্ষণ। এই সময়ে ঘুমের ঘোর ভেঙে জেগে ওঠা যে কারও জন্যই বেশ কষ্টসাধ্য। ঠিক এই মুহূর্তেই ফজরের নামাজ একজন মুমিনের ইমানের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়ায়। শীতের ভোরে অজু-গোসলের কষ্ট আর বিছানার মোহ ত্যাগ করা সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
শীতের কষ্ট উপেক্ষা করে যে ব্যক্তি আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে, সে-ই প্রকৃত অর্থে আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়। হাদিসে কুদসিতে এসেছে, ‘আল্লাহ তাআলা সেই বান্দার প্রতি অত্যন্ত সন্তুষ্ট ও বিস্মিত হন, যে শীতের রাতে আরামদায়ক বিছানা ছেড়ে কেবল নামাজের জন্য উঠে দাঁড়ায়।’ (মুসনাদে আহমাদ: ২৩৮০২)। তাই শীতের সকালে ফজরের নামাজ আদায় করার জন্য যে ব্যক্তি কনকনে ঠান্ডায় অজু করে আল্লাহর সান্নিধ্যে দাঁড়ায়, আল্লাহ তার জীবনকে বরকত ও শান্তিতে ভরে দেন।
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘...আর ফজরের নামাজ; নিশ্চয়ই ফজরের নামাজ পরিলক্ষিত হয় বিশেষভাবে।’ (সুরা বনি ইসরাইল: ৭৮)।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, তোমাদের কাছে রাতে একদল ফেরেশতা এবং দিনে একদল ফেরেশতা (পালাক্রমে) যাতায়াত করেন। তাঁরা ফজরের নামাজ এবং আসরের নামাজের সময় একত্র হন। যদিও তিনি বান্দাদের সম্পর্কে তাঁদের চেয়েও ভালো জানেন, তবু তোমাদের কাছে রাত যাপনকারী ফেরেশতারা যখন আল্লাহর দরবারে ফিরে যান, তখন আল্লাহ তাআলা তাঁদের জিজ্ঞেস করেন, ‘তোমরা আমার বান্দাদের কোন অবস্থায় রেখে এলে?’ ফেরেশতারা তখন উত্তরে বলেন, ‘আমরা যখন তাদের কাছে গিয়েছিলাম তখন তারা নামাজরত ছিল, আবার যখন তাদের ছেড়ে এলাম তখনো তারা নামাজরত ছিল।’
হাদিসে এসেছে, ‘ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) নামাজ দুনিয়া ও তার মধ্যবর্তী সবকিছুর চেয়ে উত্তম।’ (সহিহ মুসলিম: ৭২৫)। কেবল সুন্নতের মর্যাদা যদি এত বেশি হয়, তবে ফরজ নামাজের গুরুত্ব ও সওয়াব যে কত মহান, তা সহজেই অনুমেয়।

দৈহিক পবিত্রতার অন্যতম মাধ্যম অজু। ইসলামের প্রধান ইবাদত নামাজ শুদ্ধ হওয়ার জন্য এটিকে শর্ত হিসেবে ধরা করা হয়। দিনে অন্তত পাঁচবার অজু করতে হয় একজন মুসলিমকে। যাঁরা অজুকে গুরুত্ব দেন, নিয়মিত অজু অবস্থায় থাকার চেষ্টা করেন, তাঁদের জন্য রয়েছে দুনিয়ায় শান্তি ও আখিরাতে মুক্তির প্রতিশ্রুতি।
২৫ মিনিট আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
৭ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
২১ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মদিনার ঐতিহাসিক খন্দক যুদ্ধক্ষেত্রে একটি বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় যুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ মসজিদ আধুনিকায়নের পাশাপাশি ওই ঐতিহাসিক যুদ্ধের রণকৌশল প্রদর্শনের জন্য একটি আধুনিক ‘সিমুলেশন সাইট’ বা কৃত্রিম যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করা হচ্ছে।
২ দিন আগে