ইসলাম ডেস্ক

সুবহে সাদিকের পর থেকে সূর্যোদয়ের পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত সময়কে ইসলামের পরিভাষায় ফজর বলা হয়। ইসলামে দৈনিক যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয়েছে, এর মধ্যে ফজরের নামাজ সর্বাধিক গুরুত্ববহ। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ফজরের শপথ করেছেন। ফজর নামে স্বতন্ত্র একটি সুরাও নাজিল করা হয়েছে। ফজরের নামাজের নির্দেশ দিয়ে এরশাদ হয়েছে, ‘হে নবী, সূর্য হেলে পড়ার সময় থেকে রাতের অন্ধকার নামা পর্যন্ত নামাজ কায়েম করও এবং ফজরের সময় কোরআন পাঠে যত্নবান থেক। স্মরণ রেখ, ফজরের (নামাজের) তিলাওয়াতে (ফেরেশতাদের) সমাবেশ ঘটে।’ (সুরা ইসরা: ৭৮) ফজরের নামাজের ফজিলত সম্পর্কে মহানবী (সা.) বলেন, ‘ফজরের দুই রাকাত নামাজ পুরো দুনিয়া ও তাতে যা কিছু আছে, তার চেয়ে উত্তম।’ (মুসলিম)
ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করার গুরুত্ব অনেক। অধিকাংশ মানুষ এই সময় ঘুমের ঘোরে অচেতন থাকে। তাই এই সময়ে আল্লাহর স্মরণে মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায়ের ফজিলত সবচেয়ে বেশি। মহানবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি এশা ও ফজরের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করে, সে যেন সারা রাত দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ে।’ (মুসলিম) এ ছাড়া অসংখ্য হাদিসে ফজরের নামাজ জামাতে আদায়ের গুরুত্ব ও ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।
ফজরের নামাজের গুরুত্বের কারণে তাতে গাফিলতির পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি ফজরের জামাতে উপস্থিত না হলে তার ইমান ও নিফাকের ব্যাপারে আমরা সন্দিহান হয়ে যেতাম।’ মহানবী (সা.) এই নামাজকে মুমিন ও মুনাফিকের মধ্যে পার্থক্য নির্ণায়ক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘মুনাফিকদের জন্য ফজর ও এশার নামাজের চেয়ে অধিক মর্যাদাবান কোনো নামাজ নেই। এ দুই নামাজের ফজিলত তারা জানলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা তাতে উপস্থিত হতো।’ (বুখারি)

সুবহে সাদিকের পর থেকে সূর্যোদয়ের পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত সময়কে ইসলামের পরিভাষায় ফজর বলা হয়। ইসলামে দৈনিক যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয়েছে, এর মধ্যে ফজরের নামাজ সর্বাধিক গুরুত্ববহ। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ফজরের শপথ করেছেন। ফজর নামে স্বতন্ত্র একটি সুরাও নাজিল করা হয়েছে। ফজরের নামাজের নির্দেশ দিয়ে এরশাদ হয়েছে, ‘হে নবী, সূর্য হেলে পড়ার সময় থেকে রাতের অন্ধকার নামা পর্যন্ত নামাজ কায়েম করও এবং ফজরের সময় কোরআন পাঠে যত্নবান থেক। স্মরণ রেখ, ফজরের (নামাজের) তিলাওয়াতে (ফেরেশতাদের) সমাবেশ ঘটে।’ (সুরা ইসরা: ৭৮) ফজরের নামাজের ফজিলত সম্পর্কে মহানবী (সা.) বলেন, ‘ফজরের দুই রাকাত নামাজ পুরো দুনিয়া ও তাতে যা কিছু আছে, তার চেয়ে উত্তম।’ (মুসলিম)
ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করার গুরুত্ব অনেক। অধিকাংশ মানুষ এই সময় ঘুমের ঘোরে অচেতন থাকে। তাই এই সময়ে আল্লাহর স্মরণে মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায়ের ফজিলত সবচেয়ে বেশি। মহানবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি এশা ও ফজরের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করে, সে যেন সারা রাত দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ে।’ (মুসলিম) এ ছাড়া অসংখ্য হাদিসে ফজরের নামাজ জামাতে আদায়ের গুরুত্ব ও ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।
ফজরের নামাজের গুরুত্বের কারণে তাতে গাফিলতির পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি ফজরের জামাতে উপস্থিত না হলে তার ইমান ও নিফাকের ব্যাপারে আমরা সন্দিহান হয়ে যেতাম।’ মহানবী (সা.) এই নামাজকে মুমিন ও মুনাফিকের মধ্যে পার্থক্য নির্ণায়ক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘মুনাফিকদের জন্য ফজর ও এশার নামাজের চেয়ে অধিক মর্যাদাবান কোনো নামাজ নেই। এ দুই নামাজের ফজিলত তারা জানলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা তাতে উপস্থিত হতো।’ (বুখারি)

গিবত অর্থ পরনিন্দা, দোষচর্চা বা কুৎসা রটনা করা। বর্তমান সমাজে গিবত একটি ভয়াবহ ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। আড্ডা, বিনোদন কিংবা সামান্য রাগের বশে আমরা অন্যের অনুপস্থিতিতে এমন অনেক কথা বলে ফেলি, যা তার সামনে বললে সে কষ্ট পেত।
১৬ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১ দিন আগে
নফল একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হলো অতিরিক্ত বা ঐচ্ছিক। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় ফরজ ও ওয়াজিবের অতিরিক্ত ইবাদতকে নফল বলা হয়। এসব আমলে রয়েছে অঢেল সওয়াব; তবে তা ত্যাগ করলে কোনো গুনাহ বা তিরস্কার নেই।
১ দিন আগে
প্রবাসে গমন-ইচ্ছুক এবং বর্তমান প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনের নানামুখী সংকট, আইনি জটিলতা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও পরিবার ভাঙনের কারণ-উত্তরণসহ নানা বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদানের লক্ষ্যে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের গাইডলাইন’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১ দিন আগে