বিতরের নামাজ প্রকৃত অর্থে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের বাইরে স্বতন্ত্র কোনো ফরজ নামাজ নয়। বরং এটি এশার নামাজের সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট। এ জন্যই কেউ যদি এশার নামাজের আগে বিতর নামাজ আদায় করেন, তাঁর নামাজ শুদ্ধ হবে না। বিতরের নামাজের সময় হলো, এশার নামাজের সময়। তবে আগে এশার ফরজ নামাজ আদায় করতে হবে। তারপর আসবে বিতরের পালা।
বিতরের নামাজ ওয়াজিব। যেসব আলিম একে সুন্নত বলেন, তাঁরাও এর অপরিসীম গুরুত্বের কথা পরিষ্কার ভাষায় ব্যক্ত করেছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) কখনো বিতরের সালাত পরিত্যাগ করেননি। এ প্রসঙ্গে দু-একটি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস উল্লেখ করছি।
খারিজা বিন হুযাফা (রা.) বলেন, নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা তোমাদের এমন একটি সালাত দান করেছেন, যা তোমাদের জন্য লাল-লাল উটনিগুলোর তুলনায়ও অনেক বেশি মূল্যবান।’ আমরা জিজ্ঞেস করলাম, ‘কোন সেই নামাজ, হে আল্লাহর রাসুল?’ নবীজি বললেন, ‘সেটা হলো বিতরের নামাজ। এশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিক উদিত হওয়ার মাঝে এ নামাজ আদায় করতে হয়।’ (আবু দাউদ, তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ, হাদিস সহিহ)
অন্য হাদিসে আবদুল্লাহ বিন বুরায়দা নবীজি (সা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, ‘বিতর অত্যাবশ্যকীয় একটি দায়িত্ব। যে ব্যক্তি বিতরের নামাজ আদায় করল না, সে আমার উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত নয়।’ (আবু দাউদ ও মুসতাদরাকে হাকিম)
হানাফি মাজহাবের বিশুদ্ধ মতানুযায়ী বিতরের নামাজ তিন রাকাত এক সালাম ও দুই বৈঠকে আদায় করতে হবে। রমজানের বাইরে একাকী আদায় করলেও রমজানে বিতর জামাতের সঙ্গে আদায় করতে হয়।
নবীজি (সা.) বিতরের প্রথম রাকাতে সুরায়ে আলা, দ্বিতীয় রাকাতে কুল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরুন এবং তৃতীয় রাকাতে সুরা ইখলাস পাঠ করতেন। এ হাদিস থেকে পরিষ্কার অনুমান করা যায়, নবীজি নিয়মিত তিন রাকাত নামাজ বিতর হিসেবে আদায় করতেন।

নবী-রাসুলগণ ছিলেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ। তাঁরা সবাই শারীরিক শ্রমের কাজ করেছেন। নবীজি (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা পৃথিবীতে যত নবী-রাসুল পাঠিয়েছেন, তাঁরা সবাই বকরি চরানোর কাজ করেছেন।’ সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আপনিও কি বকরি চরিয়েছেন?’ নবীজি (সা.) বললেন, ‘হ্যাঁ, আমি কয়েক...
১৫ ঘণ্টা আগে
আবু বকর সিদ্দিক (রা.) ছিলেন একজন সৎ ও সফল ব্যবসায়ী। ইসলাম গ্রহণের আগেই মক্কার সম্মানিত বণিকদের একজন ছিলেন এবং কাপড়ের ব্যবসা করতেন। ইসলাম গ্রহণের পরও ব্যবসা চালিয়ে যান এবং নিজের উপার্জন থেকেই জীবিকা নির্বাহ করেন। খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করার পরও প্রথম দিকে বাজারে গিয়ে তিনি ব্যবসা করতে চেয়েছিলেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
ইসলামি সংস্কৃতিতে একে অপরের সঙ্গে দেখা হলে সালাম দেওয়া সুন্নত। এটি মহান আল্লাহর কাছে একে অপরের শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা করা। হাদিস শরিফে রাসুলুল্লাহ (সা.) সালামের ব্যাপক প্রচলনের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘যতক্ষণ তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা সৃষ্টি হবে না, ততক্ষণ তোমরা মুমিন হতে পারবে না।
১৫ ঘণ্টা আগে
নবী-রাসুল ও সাহাবিদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে যুগে যুগে মুসলিম মনীষীরাও শ্রম ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এর মাধ্যমে তাঁরা আত্মনির্ভরশীল জীবন গড়তেন এবং দ্বীনদারির সঙ্গে দুনিয়াবি দায়িত্বের সমন্বয় ঘটাতেন। তাঁদের সততা, আমানতদারি ও ন্যায়পরায়ণতা অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল।
১৬ ঘণ্টা আগে