
টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে গত শুক্রবার থেকে চলছে তাবলিগ জামাতের শুরায়ি নেজামের জোড় ইজতেমা। পাঁচ দিনের জোড় ইজতেমার তৃতীয় দিন ছিল আজ রোববার (৩০ নভেম্বর)। বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ইতিমধ্যে জোড় ইজতেমায় অংশ নিয়েছেন। আল্লাহর রাস্তায় দাওয়াত, তালিম ও আত্মশুদ্ধির উদ্দেশ্যে আয়োজিত জোড় ইজতেমা ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।
জোড় ইজতেমায় শুধু তিন চিল্লার সাথি ও কমপক্ষে এক চিল্লা সময় দিয়েছেন এমন ওলামায়ে কেরাম এসে থাকেন বলে জানিয়েছেন শুরায়ি নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান। তিনি জানান, এখানে গত এক বছর তাঁরা কী মেহনত করেছেন, সেই কারগুজারি বড়দের শোনান এবং মুরব্বিরা কারগুজারি শোনার পরে তাবলিগের সাথিরা আগামী এক বছর কীভাবে মেহনত করবেন—এর দিকনির্দেশনা দেন।
জানা যায়, জাতীয় নির্বাচনের কারণে ইজতেমা পেছালেও যথাসময়ে জোড় ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের জোড় ইজতেমায় ভারত, পাকিস্তান, সৌদিআরব, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইতালি, জাপান, সিঙ্গাপুরসহ ১৯টি দেশের ৭০০ জন বিদেশি মেহমান বর্তমানে টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে অবস্থান করছেন।
টঙ্গীর কহরদরিয়াখ্যাত তুরাগ নদের তীরে ইজতেমা ময়দানের প্রতিটি খিত্তায় বয়ানের পাশাপাশি এখান থেকে নগদ চিল্লার জামাত বের করার প্রস্তুতি চলছে। ইজতেমায় এ পর্যন্ত পাঁচ মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। আগামী ২ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে এবারের পাঁচ দিনের জোড় ইজতেমা শেষ হবে।

মুমিনের জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদত হলো প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করা। এটি এমন এক আমল, যা সরাসরি কোরআনের নির্দেশ এবং অসংখ্য সহিহ হাদিসে এর ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর ওপর দরুদ পাঠ করেন।
১ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৬ ঘণ্টা আগে
মানবজীবনে জীবনসঙ্গীর প্রভাব অপরিসীম। একজন ভালো সঙ্গী মানুষকে আলোর পথে চালিত করে, আর মন্দ সঙ্গী জীবনকে বিপথগামী করে তোলে। সারা দিনের ক্লান্তি শেষে ঘরে ফিরে সঙ্গীর একটু সহমর্মিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ দেহ-মনকে প্রফুল্ল করে তোলে, মানুষকে নতুন উদ্যমে বাঁচার প্রেরণা জোগায়।
১৮ ঘণ্টা আগে
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাচনশৈলীর অধিকারী। তাঁর কথা বলার ধরন ও শব্দ চয়ন ছিল এতটাই মনোমুগ্ধকর, যা শ্রোতার হৃদয়ে সরাসরি রেখাপাত করত। তাঁর সুমিষ্ট বাণী মানুষকে সত্যের পথে আকর্ষিত করত।
১ দিন আগে