
বগুড়া-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী গোলাম মো. সিরাজ। ইতিপূর্বে তিনি টানা চারবার এখান থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৯ সালে বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনেও জয়লাভ করেন। শিক্ষা, অবকাঠামো ও স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলেছে। দীর্ঘ সময় পর একটি ভিন্ন পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি রঞ্জন কুমার দে।
রঞ্জন কুমার দে, শেরপুর

আজকের পত্রিকা: জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক বাস্তবতাকে কীভাবে দেখছেন?
গোলাম মো. সিরাজ: জুলাই অভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। দীর্ঘ সময় ধরে মানুষ ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে। সেই সংগ্রামের পরিণতি আমরা দেখেছি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। মানুষ চায়, রাজনীতি হবে স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও জবাবদিহিমূলক। নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ। জনগণ এখন অনেক বেশি সচেতন। তারা জানে, গণতন্ত্র টেকসই করতে হলে শুধু ভোট দিলেই হবে না, নির্বাচিত প্রতিনিধিকে প্রশ্ন করতে হবে। এসব বিষয় মাথায় রেখে বিএনপি রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে।
আজকের পত্রিকা: নতুন বাস্তবতায় ভোটাররা কেন আপনাকে ভোট দেবেন?
গোলাম মো. সিরাজ: আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ করা। সততা, স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা—এই তিন বিষয়কে আমি সব সময় গুরুত্ব দিই। মানুষের সমস্যার কথা শুনি এবং সমাধানের চেষ্টা করি। ভোটাররা এখন শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব কাজের হিসাব দেখতে চান। সেই জায়গায় আমার আগের কাজই সবচেয়ে বড় শক্তি।
আজকের পত্রিকা: রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে আপনার অবস্থান কী?
গোলাম মো. সিরাজ: রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেটি কখনো শত্রুতায় রূপ নেওয়া উচিত নয়। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতি সম্মান বজায় রাখা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অংশ।
আজকের পত্রিকা: হেরে গেলে ফল মেনে নেবেন?
গোলাম মো. সিরাজ: অবশ্যই। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা করেছেন। অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে জনগণের রায় যা-ই হোক না কেন, তা মেনে নেওয়াই গণতান্ত্রিক দায়িত্ব। নির্বাচন শুধু জয়ের জন্য নয়, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার একটি প্রক্রিয়া। সেই প্রক্রিয়ার ফলাফল সবাইকে মেনে নিতে হবে।
আজকের পত্রিকা: এলাকার উন্নয়নে কোন বিষয়গুলো অগ্রাধিকার দেবেন?
গোলাম মো. সিরাজ: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, কৃষি ও কর্মসংস্থান—পাঁচটি খাত আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
আজকের পত্রিকা: তরুণ ভোটারদের ভূমিকা কীভাবে দেখছেন?
গোলাম মো. সিরাজ: তরুণদের ভাবনা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিতে চাই। তারা স্বপ্ন দেখে, আর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ তৈরি করা আমাদের দায়িত্ব।
আজকের পত্রিকা: নারীদের জন্য আপনার পরিকল্পনা কী?
গোলাম মো. সিরাজ: নারী শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান—এই বিষয়গুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। অনেক নারী উদ্যোক্তা আছেন, যাঁরা হস্তশিল্প, কৃষিভিত্তিক পণ্য ও ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। তাঁদের জন্য প্রশিক্ষণ, ঋণ সুবিধা ও বাজার সংযোগ বাড়ানো দরকার।
আজকের পত্রিকা: জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক বাস্তবতাকে কীভাবে দেখছেন?
গোলাম মো. সিরাজ: জুলাই অভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। দীর্ঘ সময় ধরে মানুষ ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে। সেই সংগ্রামের পরিণতি আমরা দেখেছি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। মানুষ চায়, রাজনীতি হবে স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও জবাবদিহিমূলক। নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ। জনগণ এখন অনেক বেশি সচেতন। তারা জানে, গণতন্ত্র টেকসই করতে হলে শুধু ভোট দিলেই হবে না, নির্বাচিত প্রতিনিধিকে প্রশ্ন করতে হবে। এসব বিষয় মাথায় রেখে বিএনপি রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে।
আজকের পত্রিকা: নতুন বাস্তবতায় ভোটাররা কেন আপনাকে ভোট দেবেন?
গোলাম মো. সিরাজ: আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ করা। সততা, স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা—এই তিন বিষয়কে আমি সব সময় গুরুত্ব দিই। মানুষের সমস্যার কথা শুনি এবং সমাধানের চেষ্টা করি। ভোটাররা এখন শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব কাজের হিসাব দেখতে চান। সেই জায়গায় আমার আগের কাজই সবচেয়ে বড় শক্তি।
আজকের পত্রিকা: রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে আপনার অবস্থান কী?
গোলাম মো. সিরাজ: রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেটি কখনো শত্রুতায় রূপ নেওয়া উচিত নয়। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতি সম্মান বজায় রাখা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অংশ।
আজকের পত্রিকা: হেরে গেলে ফল মেনে নেবেন?
গোলাম মো. সিরাজ: অবশ্যই। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা করেছেন। অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে জনগণের রায় যা-ই হোক না কেন, তা মেনে নেওয়াই গণতান্ত্রিক দায়িত্ব। নির্বাচন শুধু জয়ের জন্য নয়, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার একটি প্রক্রিয়া। সেই প্রক্রিয়ার ফলাফল সবাইকে মেনে নিতে হবে।
আজকের পত্রিকা: এলাকার উন্নয়নে কোন বিষয়গুলো অগ্রাধিকার দেবেন?
গোলাম মো. সিরাজ: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, কৃষি ও কর্মসংস্থান—পাঁচটি খাত আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
আজকের পত্রিকা: তরুণ ভোটারদের ভূমিকা কীভাবে দেখছেন?
গোলাম মো. সিরাজ: তরুণদের ভাবনা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিতে চাই। তারা স্বপ্ন দেখে, আর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ তৈরি করা আমাদের দায়িত্ব।
আজকের পত্রিকা: নারীদের জন্য আপনার পরিকল্পনা কী?
গোলাম মো. সিরাজ: নারী শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান—এই বিষয়গুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। অনেক নারী উদ্যোক্তা আছেন, যাঁরা হস্তশিল্প, কৃষিভিত্তিক পণ্য ও ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। তাঁদের জন্য প্রশিক্ষণ, ঋণ সুবিধা ও বাজার সংযোগ বাড়ানো দরকার।

রাজশাহী-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু। ১৯৯১ সালে প্রথম রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। এরপর আরও দুবার মেয়র নির্বাচিত হন তিনি। ২০০১ সালে রাজশাহী-২ (সদর) আসনে সংসদ সদস্য হন। দলের সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আজকের পত্রিকার...
১ দিন আগে
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন তাসনিম জারা। ঢাকা-৯ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী তিনি। যদিও তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তিনি এর বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। জনসংযোগ চলাকালে আজকের পত্রিকাকে সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন অর্চি হক।
৯ দিন আগে
নাট্যদল বিবেকানন্দ থিয়েটারের ২৫তম প্রযোজনা ‘ভাসানে উজান’। গত নভেম্বরে মঞ্চে এসেছে নাটকটি। ২৯ ডিসেম্বর রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে সন্ধ্যা ৭টায় মঞ্চস্থ হবে নাটকটির চতুর্থ প্রদর্শনী। অপূর্ব কুমার কুণ্ডুর নাট্যরূপ এবং শুভাশীষ দত্ত তন্ময়ের নির্দেশনায় একক অভিনয় করেছেন মো. এরশাদ হাসান।
২০ দিন আগে
টেলিভিশন চ্যানেল বাংলা ভিশনের জনপ্রিয় সংবাদ উপস্থাপক মামুন আব্দুল্লাহর সাবলীল উপস্থাপনার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ অনুশীলন, দক্ষতা ও অবিচল আত্মবিশ্বাস। তাঁর সঙ্গে কথোপকথনে উঠে এসেছে সংবাদ উপস্থাপনার কৌশল, লাইভ সম্প্রচারের চাপ সামলানোর বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং এ পেশায় আগ্রহীদের জন্য মূল্যবান পরামর্শ।
১৩ ডিসেম্বর ২০২৫