
রাজশাহী-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু। ১৯৯১ সালে প্রথম রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। এরপর আরও দুবার মেয়র নির্বাচিত হন তিনি। ২০০১ সালে রাজশাহী-২ (সদর) আসনে সংসদ সদস্য হন। দলের সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আজকের পত্রিকার রাজশাহীর নিজস্ব প্রতিবেদক রিমন রহমান।
রিমন রহমান

আজকের পত্রিকা: ভোটাররা কেন আপনাকে ভোট দেবেন?
মিজানুর রহমান মিনু: আমি রাজশাহীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছি। দীর্ঘদিন ধরে আমি মানুষের সেবা করে আসছি। বড়রা আমাকে সন্তানের মতো দেখেন। আমি কারও সঙ্গে কোনো খারাপ ব্যবহার করিনি। কোনো অন্যায়ও করিনি। সবকিছু বিবেচনা করে রাজশাহীর মানুষ আমাকে ভোট দেবেন বলে আমার বিশ্বাস।
আজকের পত্রিকা: প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ওপর আপনার শ্রদ্ধা কতটা?
মিজানুর রহমান মিনু: যাঁরা নির্বাচন করছি, সবাই ভাই ভাই। সবাই এই মাটির সন্তান। সবার প্রতি আমার সমান শ্রদ্ধাবোধ আছে। কাউকে অসম্মান করি না। রাজশাহী শান্তির নগরী। সেটা আমাদের সবাইকেই রক্ষা করতে হবে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট শেষ করার জন্য আমার পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা থাকবে। জনগণ যাঁকে নির্বাচিত করবে, তিনি নির্বাচিত হবেন।
আজকের পত্রিকা: ভোটে হেরে গেলে মেনে নেবেন?
মিজানুর রহমান মিনু: অবশ্যই। জনগণ হচ্ছে সব ক্ষমতার উৎস। জনগণ যাঁদেরকে নির্বাচিত করবে, তিনি নির্বাচিত হবেন। সবাই মিলে তাঁকে সহযোগিতা করবে। আমিও করব।
আজকের পত্রিকা: জয়ী হলে এলাকার জন্য কোন বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাবে?
মিজানুর রহমান মিনু: আমি আগেই বলেছি, প্রথমেই রাজশাহীকে শান্তিপূর্ণ শহর করতে চাই। যারা ভূমিদস্যু, যারা চাঁদাবাজ, যারা সন্ত্রাসী, যারা অস্ত্রবাজ, তাদেরকে নির্মূল করা হবে। সবাইকে নিয়েই তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। আর রাজশাহীতে কর্মসংস্থানের জন্য কাজ করা হবে। এটা নিয়ে আমাদের নেতা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন। রাজশাহীতে আমরা অবশ্যই শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং বিশেষ করে আইটি সেক্টরে কাজ করব, যেন তরুণ প্রজন্ম এখান থেকে আয় করতে পারে। নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করা হবে। বিভিন্ন দেশের ভাষা রপ্ত করে দেশের বাইরেও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।
আজকের পত্রিকা: পরাজিত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা এলাকায় নিরাপদে থাকতে পারবেন?
মিজানুর রহমান মিনু: হ্যাঁ, রাজশাহী আমাদের সবার। আমরা সবাই মিলেই দেশ পরিচালনা করব। রাজশাহীকেও আমরা সবাই মিলে সুন্দরভাবে গড়ে তুলব একই সঙ্গে। এখানে যারা ভালো, তারা একে অপরের ভাই হিসেবে থাকব।
আজকের পত্রিকা: এমপি হলে সম্মানী ও বরাদ্দের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করবেন?
মিজানুর রহমান মিনু: আমি ১৯৯১ সাল থেকে মেয়র ও এমপি হয়ে আসছি। ১৭ বছর দায়িত্বে ছিলাম। পরের ১৭ বছর থেকে আবার স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ছিলাম। এর আগে এরশাদের আমলেও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করেছি। সব সময় আমি পরিচ্ছন্ন। আমি সম্মান রক্ষা করে চলি। আমার সবকিছুই প্রকাশিত। আগামীতেও কিছু গোপন থাকবে না।
আজকের পত্রিকা: ভোটাররা কেন আপনাকে ভোট দেবেন?
মিজানুর রহমান মিনু: আমি রাজশাহীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছি। দীর্ঘদিন ধরে আমি মানুষের সেবা করে আসছি। বড়রা আমাকে সন্তানের মতো দেখেন। আমি কারও সঙ্গে কোনো খারাপ ব্যবহার করিনি। কোনো অন্যায়ও করিনি। সবকিছু বিবেচনা করে রাজশাহীর মানুষ আমাকে ভোট দেবেন বলে আমার বিশ্বাস।
আজকের পত্রিকা: প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ওপর আপনার শ্রদ্ধা কতটা?
মিজানুর রহমান মিনু: যাঁরা নির্বাচন করছি, সবাই ভাই ভাই। সবাই এই মাটির সন্তান। সবার প্রতি আমার সমান শ্রদ্ধাবোধ আছে। কাউকে অসম্মান করি না। রাজশাহী শান্তির নগরী। সেটা আমাদের সবাইকেই রক্ষা করতে হবে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট শেষ করার জন্য আমার পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা থাকবে। জনগণ যাঁকে নির্বাচিত করবে, তিনি নির্বাচিত হবেন।
আজকের পত্রিকা: ভোটে হেরে গেলে মেনে নেবেন?
মিজানুর রহমান মিনু: অবশ্যই। জনগণ হচ্ছে সব ক্ষমতার উৎস। জনগণ যাঁদেরকে নির্বাচিত করবে, তিনি নির্বাচিত হবেন। সবাই মিলে তাঁকে সহযোগিতা করবে। আমিও করব।
আজকের পত্রিকা: জয়ী হলে এলাকার জন্য কোন বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাবে?
মিজানুর রহমান মিনু: আমি আগেই বলেছি, প্রথমেই রাজশাহীকে শান্তিপূর্ণ শহর করতে চাই। যারা ভূমিদস্যু, যারা চাঁদাবাজ, যারা সন্ত্রাসী, যারা অস্ত্রবাজ, তাদেরকে নির্মূল করা হবে। সবাইকে নিয়েই তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। আর রাজশাহীতে কর্মসংস্থানের জন্য কাজ করা হবে। এটা নিয়ে আমাদের নেতা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন। রাজশাহীতে আমরা অবশ্যই শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং বিশেষ করে আইটি সেক্টরে কাজ করব, যেন তরুণ প্রজন্ম এখান থেকে আয় করতে পারে। নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করা হবে। বিভিন্ন দেশের ভাষা রপ্ত করে দেশের বাইরেও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।
আজকের পত্রিকা: পরাজিত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা এলাকায় নিরাপদে থাকতে পারবেন?
মিজানুর রহমান মিনু: হ্যাঁ, রাজশাহী আমাদের সবার। আমরা সবাই মিলেই দেশ পরিচালনা করব। রাজশাহীকেও আমরা সবাই মিলে সুন্দরভাবে গড়ে তুলব একই সঙ্গে। এখানে যারা ভালো, তারা একে অপরের ভাই হিসেবে থাকব।
আজকের পত্রিকা: এমপি হলে সম্মানী ও বরাদ্দের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করবেন?
মিজানুর রহমান মিনু: আমি ১৯৯১ সাল থেকে মেয়র ও এমপি হয়ে আসছি। ১৭ বছর দায়িত্বে ছিলাম। পরের ১৭ বছর থেকে আবার স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ছিলাম। এর আগে এরশাদের আমলেও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করেছি। সব সময় আমি পরিচ্ছন্ন। আমি সম্মান রক্ষা করে চলি। আমার সবকিছুই প্রকাশিত। আগামীতেও কিছু গোপন থাকবে না।

এনসিপি থেকে পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন তাসনিম জারা। ঢাকা-৯ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী তিনি। যদিও তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তিনি এর বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। জনসংযোগ চলাকালে আজকের পত্রিকাকে সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন অর্চি হক।
৮ দিন আগে
নাট্যদল বিবেকানন্দ থিয়েটারের ২৫তম প্রযোজনা ‘ভাসানে উজান’। গত নভেম্বরে মঞ্চে এসেছে নাটকটি। ২৯ ডিসেম্বর রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে সন্ধ্যা ৭টায় মঞ্চস্থ হবে নাটকটির চতুর্থ প্রদর্শনী। অপূর্ব কুমার কুণ্ডুর নাট্যরূপ এবং শুভাশীষ দত্ত তন্ময়ের নির্দেশনায় একক অভিনয় করেছেন মো. এরশাদ হাসান।
১৯ দিন আগে
টেলিভিশন চ্যানেল বাংলা ভিশনের জনপ্রিয় সংবাদ উপস্থাপক মামুন আব্দুল্লাহর সাবলীল উপস্থাপনার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ অনুশীলন, দক্ষতা ও অবিচল আত্মবিশ্বাস। তাঁর সঙ্গে কথোপকথনে উঠে এসেছে সংবাদ উপস্থাপনার কৌশল, লাইভ সম্প্রচারের চাপ সামলানোর বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং এ পেশায় আগ্রহীদের জন্য মূল্যবান পরামর্শ।
১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর রায়হান রাফী পরিচালিত ‘অমীমাংসিত’ ওয়েব ফিল্মের মুক্তির ঘোষণা এসেছে। ৪ ডিসেম্বর ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিনে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। এতে অভিনয় করেছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ। এ ছাড়া আসছে ডিসেম্বরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে তাঁর অভিনীত ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’।
০১ ডিসেম্বর ২০২৫