
ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও) স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটে লড়ছেন ঢাকা মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বিএনপি তাঁকে বহিষ্কার করেছে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল হককে এ আসনে প্রার্থী করা হয়। আসন্ন নির্বাচনের নানা দিক নিয়ে নীরবের ভাবনা ও প্রত্যাশা নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন রাহুল শর্মা।
রাহুল শর্মা

আজকের পত্রিকা: দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করায় আপনাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের অন্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। নতুন এই প্রেক্ষাপটে ভোটাররা কেন আপনাকে ভোট দেবেন?
সাইফুল আলম নীরব: আমি ঢাকা-১২ আসনের অন্তর্গত বৃহত্তর তেজগাঁও এলাকায় জন্মগ্রহণ করেছি। আমার শৈশব, কৈশোর ও যৌবন—সবই কেটেছে এই এলাকায়। আমার রাজনৈতিক জীবনের ৪৩ বছরের পুরোটা সময়ই ঢাকা-১২ আসনকে ঘিরে। আমার বিশ্বাস, পুরো রাজনৈতিক জীবন, ত্যাগ ও সংগ্রাম মূল্যায়ন করে দলমত-নির্বিশেষে এলাকাবাসী আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন।
আজকের পত্রিকা: এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিষয়ে আপনার মূল্যায়ন জানতে চাই।
সাইফুল আলম নীরব: যাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তাঁদের কেউ এখানকার সন্তান নন। তাঁরা এই এলাকার রাজনীতির সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন না।
আজকের পত্রিকা: নির্বাচিত হলে আসনের অন্তর্ভুক্ত এলাকার কোন বিষয়গুলোতে আপনি অগ্রাধিকার দেবেন?
সাইফুল আলম নীরব: আমার প্রধান অগ্রাধিকার হবে ঢাকা-১২ আসনকে মাদক ও চাঁদাবাজমুক্ত করা। পাশাপাশি এই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে যে ড্রেনেজ সমস্যা রয়েছে, তার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আজকের পত্রিকা: দল আপনাকে বহিষ্কার করেছে। এরপরও আপনার প্রচারণায় বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের দেখা যাচ্ছে। বিষয়টি কীভাবে দেখছেন?
সাইফুল আলম নীরব: আমি শহীদ জিয়া, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের পরীক্ষিত সৈনিক। যাঁরা শহীদ জিয়ার আদর্শে বিশ্বাস করেন, তাঁরা সবাই আমার সঙ্গে থাকবেন—এটাই বাস্তবতা।
আজকের পত্রিকা: আপনি কি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকছেন?
সাইফুল আলম নীরব: এলাকার মানুষের কল্যাণের জন্যই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছি।
আজকের পত্রিকা: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতে কী আলোচনা হয়েছে?
সাইফুল আলম নীরব: আমি তাঁর কাছে দোয়া চেয়েছি।
আজকের পত্রিকা: নির্বাচনের পরিবেশ এ পর্যন্ত কেমন দেখছেন?
সাইফুল আলম নীরব: এখন পর্যন্ত পরিবেশ ভালো।
আজকের পত্রিকা: দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করায় আপনাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের অন্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। নতুন এই প্রেক্ষাপটে ভোটাররা কেন আপনাকে ভোট দেবেন?
সাইফুল আলম নীরব: আমি ঢাকা-১২ আসনের অন্তর্গত বৃহত্তর তেজগাঁও এলাকায় জন্মগ্রহণ করেছি। আমার শৈশব, কৈশোর ও যৌবন—সবই কেটেছে এই এলাকায়। আমার রাজনৈতিক জীবনের ৪৩ বছরের পুরোটা সময়ই ঢাকা-১২ আসনকে ঘিরে। আমার বিশ্বাস, পুরো রাজনৈতিক জীবন, ত্যাগ ও সংগ্রাম মূল্যায়ন করে দলমত-নির্বিশেষে এলাকাবাসী আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন।
আজকের পত্রিকা: এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিষয়ে আপনার মূল্যায়ন জানতে চাই।
সাইফুল আলম নীরব: যাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তাঁদের কেউ এখানকার সন্তান নন। তাঁরা এই এলাকার রাজনীতির সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন না।
আজকের পত্রিকা: নির্বাচিত হলে আসনের অন্তর্ভুক্ত এলাকার কোন বিষয়গুলোতে আপনি অগ্রাধিকার দেবেন?
সাইফুল আলম নীরব: আমার প্রধান অগ্রাধিকার হবে ঢাকা-১২ আসনকে মাদক ও চাঁদাবাজমুক্ত করা। পাশাপাশি এই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে যে ড্রেনেজ সমস্যা রয়েছে, তার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আজকের পত্রিকা: দল আপনাকে বহিষ্কার করেছে। এরপরও আপনার প্রচারণায় বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের দেখা যাচ্ছে। বিষয়টি কীভাবে দেখছেন?
সাইফুল আলম নীরব: আমি শহীদ জিয়া, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের পরীক্ষিত সৈনিক। যাঁরা শহীদ জিয়ার আদর্শে বিশ্বাস করেন, তাঁরা সবাই আমার সঙ্গে থাকবেন—এটাই বাস্তবতা।
আজকের পত্রিকা: আপনি কি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকছেন?
সাইফুল আলম নীরব: এলাকার মানুষের কল্যাণের জন্যই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছি।
আজকের পত্রিকা: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতে কী আলোচনা হয়েছে?
সাইফুল আলম নীরব: আমি তাঁর কাছে দোয়া চেয়েছি।
আজকের পত্রিকা: নির্বাচনের পরিবেশ এ পর্যন্ত কেমন দেখছেন?
সাইফুল আলম নীরব: এখন পর্যন্ত পরিবেশ ভালো।

মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেশায় চিকিৎসক। দীর্ঘদিন ধরেই জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি করেন। কিন্তু কখনো নির্বাচন করেননি। এবার তাঁকেই রাজশাহী-২ (সদর) আসনে দলীয় প্রার্থী করেছে জামায়াতে ইসলামী। সেসব নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন...
১ দিন আগে
বগুড়া-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী গোলাম মো. সিরাজ। ইতিপূর্বে তিনি টানা চারবার এখান থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৯ সালে বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনেও জয়লাভ করেন। শিক্ষা, অবকাঠামো ও স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলেছে।
২ দিন আগে
রাজশাহী-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু। ১৯৯১ সালে প্রথম রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। এরপর আরও দুবার মেয়র নির্বাচিত হন তিনি। ২০০১ সালে রাজশাহী-২ (সদর) আসনে সংসদ সদস্য হন। দলের সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আজকের পত্রিকার...
৩ দিন আগে
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন তাসনিম জারা। ঢাকা-৯ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী তিনি। যদিও তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তিনি এর বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। জনসংযোগ চলাকালে আজকের পত্রিকাকে সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন অর্চি হক।
১১ দিন আগে