
গর্ভপাত করাতে ইচ্ছুক নারীদের গোপনীয়তা রক্ষা জোরদার করতে নতুন বিধিমালা জারি করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। গতকাল সোমবার জারি করা এই আইনে প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত গোপন স্বাস্থ্য তথ্য প্রকাশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের নাগরিক অধিকার কার্যালয়ের মাধ্যমে জারি করা নতুন আইনটি ১৯৯৬ সালের হেলথ ইনস্যুরেন্স পোর্টেবিলিটি অ্যাক্টের (এইচআইপিএএ) গোপনীয়তা বিধির আওতায় বিদ্যমান বিধানগুলোকে আরও দৃঢ় করে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে, যেসব অঙ্গরাজ্যে গর্ভপাত নিষিদ্ধ সেসব রাজ্যের নারীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে এ আইন জারি করা হয়েছে। আইনত গর্ভপাত করানোর জন্য তাঁদের অঙ্গরাজ্যের বাইরে যেতে হয়। অঙ্গরাজ্যগুলোতে গর্ভপাতের অধিকার সীমাবদ্ধ করার পর থেকে এই সংখ্যা বেড়েছে।
গর্ভপাতের অধিকার সমর্থনকারী গবেষণা দল গাটম্যাচার ইনস্টিটিউট বলছে, ২০২৩ সালের প্রথম অর্ধেকে প্রায় ৯২ হাজার ১০০ নারী গর্ভপাত করানোর জন্য অঙ্গরাজ্যের বাইরে যান। ২০২০ সালের একই সময়ের তুলনায় এই সংখ্যা দ্বিগুণের চেয়েও বেশি।
অ্যালাবামা, ওকলাহোমা ও আইডাহোর মতো অঙ্গরাজ্যগুলোতে এজাতীয় ভ্রমণে সহায়তা করা বা অর্থ প্রদান করাকে অপরাধ হিসেবে বন্ধ করার চেষ্টা চলছে। আলাবামা ও আইডাহোতে এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে মামলা চলছে। এই নিয়ম গর্ভপাত করে বা এর জন্য অর্থ দেয় এমন স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহকারী, বিমাকারী বা অন্যান্য সংস্থাকেও সুরক্ষা দেয়।
বাইডেন বলেন, ‘বৈধ প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা চাওয়া বা পাওয়ার কারণে কারও মেডিকেল রেকর্ড তাদের, চিকিৎসক বা প্রিয়জনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা উচিত নয়।’
এ আইনের ঘোষণা করে স্বাস্থ্য ও মানবসেবা সচিব জেভিয়ার বেসেরা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রত্যেক আমেরিকানের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার রয়েছে, বিশেষ করে এটি যখন তাদের খুব গোপন, খুব ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য তথ্য হয়।
এ আইনে বিশেষ করে প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত গোপন স্বাস্থ্য তথ্য ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গর্ভপাতের মতো প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা পেতে, সরবরাহ বা সহজতর করতে চাওয়া ব্যক্তি, সরবরাহকারী বা অন্যদের শনাক্তকরণ, তদন্ত বা শাস্তি দেওয়ার চেষ্টা করার সময় এসব তথ্য ব্যবহার করা যাবে না।
তবে এ আইন শুধু তখনই কার্যকর হবে, যখন সেবাটি বৈধ প্রক্রিয়ায় নেওয়া হবে। অর্থাৎ ওই সব অঙ্গরাজ্যে এ আইন কার্যকর হবে না, যেখানে গর্ভপাত অবৈধ। যারা অঙ্গরাজ্যের বাইরে গিয়ে গর্ভপাত করায়, তাদের ক্ষেত্রেও এ আইন কার্যকর হবে।

গর্ভপাত করাতে ইচ্ছুক নারীদের গোপনীয়তা রক্ষা জোরদার করতে নতুন বিধিমালা জারি করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। গতকাল সোমবার জারি করা এই আইনে প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত গোপন স্বাস্থ্য তথ্য প্রকাশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের নাগরিক অধিকার কার্যালয়ের মাধ্যমে জারি করা নতুন আইনটি ১৯৯৬ সালের হেলথ ইনস্যুরেন্স পোর্টেবিলিটি অ্যাক্টের (এইচআইপিএএ) গোপনীয়তা বিধির আওতায় বিদ্যমান বিধানগুলোকে আরও দৃঢ় করে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে, যেসব অঙ্গরাজ্যে গর্ভপাত নিষিদ্ধ সেসব রাজ্যের নারীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে এ আইন জারি করা হয়েছে। আইনত গর্ভপাত করানোর জন্য তাঁদের অঙ্গরাজ্যের বাইরে যেতে হয়। অঙ্গরাজ্যগুলোতে গর্ভপাতের অধিকার সীমাবদ্ধ করার পর থেকে এই সংখ্যা বেড়েছে।
গর্ভপাতের অধিকার সমর্থনকারী গবেষণা দল গাটম্যাচার ইনস্টিটিউট বলছে, ২০২৩ সালের প্রথম অর্ধেকে প্রায় ৯২ হাজার ১০০ নারী গর্ভপাত করানোর জন্য অঙ্গরাজ্যের বাইরে যান। ২০২০ সালের একই সময়ের তুলনায় এই সংখ্যা দ্বিগুণের চেয়েও বেশি।
অ্যালাবামা, ওকলাহোমা ও আইডাহোর মতো অঙ্গরাজ্যগুলোতে এজাতীয় ভ্রমণে সহায়তা করা বা অর্থ প্রদান করাকে অপরাধ হিসেবে বন্ধ করার চেষ্টা চলছে। আলাবামা ও আইডাহোতে এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে মামলা চলছে। এই নিয়ম গর্ভপাত করে বা এর জন্য অর্থ দেয় এমন স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহকারী, বিমাকারী বা অন্যান্য সংস্থাকেও সুরক্ষা দেয়।
বাইডেন বলেন, ‘বৈধ প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা চাওয়া বা পাওয়ার কারণে কারও মেডিকেল রেকর্ড তাদের, চিকিৎসক বা প্রিয়জনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা উচিত নয়।’
এ আইনের ঘোষণা করে স্বাস্থ্য ও মানবসেবা সচিব জেভিয়ার বেসেরা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রত্যেক আমেরিকানের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার রয়েছে, বিশেষ করে এটি যখন তাদের খুব গোপন, খুব ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য তথ্য হয়।
এ আইনে বিশেষ করে প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত গোপন স্বাস্থ্য তথ্য ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গর্ভপাতের মতো প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা পেতে, সরবরাহ বা সহজতর করতে চাওয়া ব্যক্তি, সরবরাহকারী বা অন্যদের শনাক্তকরণ, তদন্ত বা শাস্তি দেওয়ার চেষ্টা করার সময় এসব তথ্য ব্যবহার করা যাবে না।
তবে এ আইন শুধু তখনই কার্যকর হবে, যখন সেবাটি বৈধ প্রক্রিয়ায় নেওয়া হবে। অর্থাৎ ওই সব অঙ্গরাজ্যে এ আইন কার্যকর হবে না, যেখানে গর্ভপাত অবৈধ। যারা অঙ্গরাজ্যের বাইরে গিয়ে গর্ভপাত করায়, তাদের ক্ষেত্রেও এ আইন কার্যকর হবে।

উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়োয়েরি মুসেভেনির সমর্থকদের কাছে সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে তাঁর বিপুল বিজয় ৪০ বছরের শাসনেরই এক ধরনের স্বীকৃতি। নির্বাচনে তিনি পেয়েছেন ৭২ শতাংশ ভোট। এটি তাঁর সর্বোচ্চ প্রাপ্ত ভোটের কাছাকাছি। ১৯৯৬ সালে উগান্ডার প্রথম সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি পেয়েছিলেন ৭৪ শতাংশ ভোট।
১ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকারীরা নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় সুলাওয়েসি দ্বীপের পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছানোর সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ওই বিমানে ১১ জন আরোহী ছিলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
৫ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
৫ ঘণ্টা আগে