
অবশেষে সব জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সরাসরি ‘ফেস-টু-ফেস’ বা মুখোমুখি বৈঠকে বসেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এই ঐতিহাসিক বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।
এর আগে বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছিল, দুই দেশ কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো সরাসরি বা প্রত্যক্ষ আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। হোয়াইট হাউসের এই আনুষ্ঠানিক বার্তার মাধ্যমে সেই খবরের সত্যতা নিশ্চিত হলো। ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আরও বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন।
হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে সরাসরি বা ‘ফেস-টু-ফেস’ আলোচনায় ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে আছেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।
১৯৭৯ সালের পর এটিই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে হওয়া সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরাসরি কূটনৈতিক সাক্ষাৎ। দীর্ঘ বিরতির পর শুরু হওয়া এই সরাসরি আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে এক বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এর আগে ৮ এপ্রিল ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, কোনো দেশ যদি ইরানকে সামরিক অস্ত্র সরবরাহ করে, তবে সেই দেশের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা সব পণ্যের ওপর তাৎক্ষণিকভাবে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘কোনো দেশ ইরানকে সামরিক সহায়তা দিলে
২৪ মিনিট আগে
টাইমস অব ইসরায়েল দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানিয়েছে, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে বিশাল অর্থনৈতিক মূল্য চুকাতে হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় উৎপাদন বা জিডিপির বড় ধরনের ক্ষতি এবং রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। ভবিষ্যতে এই যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পুরোপুরি পরিষ্কার হবে।
৩০ মিনিট আগে
ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক ইস্যুতে সমঝোতা না হওয়ায় রণংদেহী মূর্তি ধারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ‘লকড অ্যান্ড লোডেড’ (পুরোপুরি প্রস্তুত) অবস্থায় রয়েছে এবং উপযুক্ত সময়ে মার্কিন সামরিক
১ ঘণ্টা আগে
১৯৬১ সালে জন্ম নেওয়া গালিবাফ একজন কট্টর রক্ষণশীল রাজনীতিবিদ। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের মূলে রয়েছে সামরিক অভিজ্ঞতা। ১৯৮০ সালে তিনি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীতে (আইআরজিসি) যোগ দেন। ১৯৮০-র দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় তিনি আইআরজিসির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং যুদ্ধক্ষেত্রে
২ ঘণ্টা আগে