
বিদ্যমান বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে যে দেশগুলো ‘খেলার’ চেষ্টা করবে, তাদের ওপর শুল্ক আরও বাড়ানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ‘যে দেশই (যুক্তরাষ্ট্রের) সুপ্রিম কোর্টের হাস্যকর সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে খেলার চেষ্টা করবে, বিশেষ করে যারা বছরের পর বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থকে ‘ছিঁড়েখুঁড়ে’ ফেলার চেষ্টা করছে, তাদের ওপর শুল্ক আরও বাড়বে। এমনকি তার চেয়েও কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হতে পারে তাদের।
নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে এক পোস্টে ট্রাম্প এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, ‘ক্রেতারা সাবধান।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরপরই বাণিজ্যযুদ্ধে নেমেছেন। তিনি বিশ্বের প্রায় প্রতিটা দেশের ওপরই পাল্টা শুল্ক চাপিয়েছেন। তাঁর দাবি, এই দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে দশকের পর দশক সুবিধা নিলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করেছে। ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক আরোপের পর তাঁর আহ্বানে বিভিন্ন দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যচুক্তি করেছে।
এর মধ্যেই সম্প্রতি মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এক আদেশে বলেন, ট্রাম্প যে আইন ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের ওপর পাল্টা শুল্ক বসিয়েছেন, তা সংবিধান পরিপন্থী। আদালতের এই রায়ের পরপরই ট্রাম্প অন্য একটি আইনে সব দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। পরে শুল্ক ১৫ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এরপরই এই হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি।
ট্রাম্পের নতুন এই শুল্কহার আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন—

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
৮ ঘণ্টা আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন।
৯ ঘণ্টা আগে