
মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিশ্বজুড়ে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্কের হার আরও ৫ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। আজ শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ঘোষণা দেন। তিনি জানিয়েছেন, বিশ্বজুড়ে আরোপ করা আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হবে।
এর আগে গতকাল শুক্রবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এক ঐতিহাসিক রায়ে ট্রাম্পের জরুরি অবস্থার দোহাই দিয়ে আরোপ করা শুল্ক অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে ওই রায়কে হাস্যকর ও আমেরিকা-বিরোধী হিসেবে বর্ণনা করেছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, বহু দেশ কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘লুট’ করছে এবং তাঁর আগে কেউ এর প্রতিবাদ করেনি।
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি অবিলম্বে এই শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে আইনত অনুমোদিত ১৫ শতাংশে উন্নীত করব।’ তাঁর দাবি, এই নতুন শুল্ক হবে আইনত পরীক্ষিত। ট্রাম্প প্রশাসন আগামী কয়েক মাসের মধ্যে নতুন এবং আইনগতভাবে বৈধ এই শুল্কের তালিকা চূড়ান্ত করবে বলেও জানান তিনি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও বলেন, তাঁর এই পদক্ষেপ ‘মেকিং আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ বা আমেরিকাকে আবারও মহান করার সফল প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাঁর মতে, আগের শুল্ক বাতিল করার যে রায় আদালত দিয়েছেন, তা দীর্ঘ পর্যবেক্ষণের পর একটি ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে প্রমাণিত হবে।

দেশের সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থায় বড় ধরনের লক্ষ্যভ্রষ্টতা দেখা দিয়েছে। যাঁদের জন্য কর্মসূচিগুলো, সেই দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বড় অংশ সুবিধার বাইরে; বিপরীতে সুবিধা পাওয়া মানুষের বড় অংশ দরিদ্র বা ঝুঁকিপূর্ণ নন। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ব্যবসায়ীদের আমদানি পরিকল্পনায় কিছুটা আস্থা ফিরলেও এর প্রতিফলন এখনো প্রকৃত আমদানিতে দেখা যাচ্ছে না। সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নতুন আমদানি ঋণপত্র বা এলসি খোলা বেড়েছে ৭ দশমিক ০৬ শতাংশ। বিপরীতে এলসি নিষ্পত্তির মাধ্যমে পরিমাপ করা প্রকৃত আমদানি বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ০৯ শতাংশ।
২ ঘণ্টা আগে
গ্যাস-সংকটের কারণে ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পকারখানাগুলোয় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়ায় অনেক কারখানাকে বয়লার ও জেনারেটর সচল রাখতে ডিজেলসহ অন্য বিকল্প জ্বালানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে একদিকে উৎপাদন ব্যয় যেমন বাড়ছে, তেমনি কমছে উৎপাদনের পরিমাণ।
৪ ঘণ্টা আগে
পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স পেয়েছে বাংলালিংকের শতভাগ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘নিও পিএসপি লিমিটেড’। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অভ্যন্তরে অনুমোদিতভাবে পরিশোধ সেবা দিতে পারবে। বাংলালিংক ‘মুক্ত পে’ ব্র্যান্ডের অধীনে তাদের ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা চালু করবে।
৮ ঘণ্টা আগে