
মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আদালতের সিদ্ধান্তকে ‘ভয়াবহ’ বলে অভিহিত করার পাশাপাশি যে বিচারকেরা তাঁর বাণিজ্য নীতির বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের ‘মূর্খ’ এবং ‘দেশপ্রেমহীন’ বলে তীব্র আক্রমণ করেছেন তিনি।
গত বছর হোয়াইট হাউস ঘোষিত বৈশ্বিক শুল্কনীতিকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। বিভক্ত বেঞ্চের (৬-৩ ব্যবধান) দেওয়া এই রায়ে প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস জানান, প্রেসিডেন্ট তাঁর ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। রায়ে বলা হয়, কংগ্রেস স্পষ্টভাবে ক্ষমতা না দিলে প্রেসিডেন্ট নিজে থেকে এভাবে কর বা শুল্ক চাপাতে পারেন না।
এই রায়ের ফলে গত এক বছরে সংগৃহীত বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার শুল্ক ব্যবসায়ীদের ফেরত দেওয়ার পথ প্রশস্ত হলো।
আদালতের রায়ের পরপরই হোয়াইট হাউস থেকে দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের কাছে আরও দুর্দান্ত বিকল্প আছে এবং আমরা এর মাধ্যমে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরব।’ তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ব্যবসায়ীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি তিনি আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে বছরের পর বছর ঝুলিয়ে রাখবেন।
একই সঙ্গে তিনি ‘সেকশন ১২২’ নামক একটি আইন ব্যবহার করে নতুন ১০ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেছেন। এই আইন অনুযায়ী ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে এই শুল্ক কার্যকর হবে এবং পরবর্তী ১৫০ দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এরপর বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেসের সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হবে।
নিজের মনোনীত বিচারক অ্যামি কোনি ব্যারেট এবং নিল গোরসাফ বিপক্ষে ভোট দেওয়ায় ট্রাম্প চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি তাঁদের জন্য লজ্জিত। তাঁরা কেবল মূর্খ এবং পোষা কুকুরের মতো আচরণ করছেন। তাঁরা সংবিধানের প্রতি অনুগত নন।’
বিশ্লেষকেরা বলছেন, ট্রাম্পের এই নতুন সিদ্ধান্তে ভারত, ব্রিটেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো ঘনিষ্ঠ বাণিজ্য অংশীদাররাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যদিও কানাডা এবং মেক্সিকোকে উত্তর আমেরিকা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির অধীনে এই শুল্ক থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ওষুধ, সার এবং কিছু ইলেকট্রনিক পণ্যকেও এই তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে।
এদিকে আদালতের রায়ের পর ওয়াল স্ট্রিটে স্বস্তির হাওয়া দেখা গেছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ০.৭ শতাংশ বেড়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আদালতের রায়কে স্বাগত জানালেও ট্রাম্পের নতুন ঘোষণায় আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ বিশ্ববাণিজ্যে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করবে। ওয়াশিংটনের সেন্টার ফর আ নিউ আমেরিকান সিকিউরিটির গবেষক জেফরি গার্টজ বলেন, ‘আজকের এই ঘটনায় পরিস্থিতি আরও জটিল ও বিশৃঙ্খল হয়ে উঠল।’
সরকারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসন অন্তত ১৩০ বিলিয়ন ডলার শুল্ক সংগ্রহ করেছে। এখন এই বিশাল অঙ্কের অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে আইনি লড়াই দীর্ঘায়িত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যে অর্থনীতি বাংলাদেশের মানুষের বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে পারবে এবং যে উন্নয়নের স্বপ্ন আমরা দেখাতে চেষ্টা করছি, ট্রিলিয়ন ডলার ইকোনমির দিকে আমরা যাচ্ছি। সেটা যাতে বাস্তবায়ন হতে পারে। সেই চেষ্টা করছি।
৮ ঘণ্টা আগে
জোরপূর্বক শ্রমে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশসহ আরও ৫৯টি দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসন স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার ৬০টি দেশ থেকে আমদানির উপর ১০ থেকে সাড়ে ১২ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে
১৩ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও বেড়েছে। আজ বুধবার এশিয়ার প্রাথমিক লেনদেনে অপরিশোধিত তেলের দাম ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিকে এর প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন
১৫ ঘণ্টা আগে
ব্যাংকঋণ পুনঃ তফসিলের বিশেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছিল খেলাপি ঋণের চাপ কমাতে। সে লক্ষ্যে গত বছর সেপ্টেম্বরে ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্টের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০ বছরের জন্য খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ দেওয়া হয়। পরে আরও ছাড় দিয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া এক নির্দেশনায় এককালীন জমার মাত্র...
১ দিন আগে