
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ইঁদুর করোনাভাইরাসের বাহক হতে পারে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষণাপত্রটি সম্প্রতি ‘এমবায়ো’ নামে একটি উন্মুক্ত জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
এমবায়ো জার্নালের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বলেছে, নিউইয়র্ক শহরে অন্তত ৮০ লাখ ইঁদুর রয়েছে। এই ইঁদুরগুলো করোনাভাইরাসের তিনটি ভেরিয়েন্টের জন্য সংবেদনশীল। তবে ভেরিয়েন্টগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়নি ওই প্রতিবেদনে।
গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ইঁদুরগুলো মানুষের সংস্পর্শে আসার প্রচুর সুযোগ রয়েছে। এতে মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর আগে ১৩৪৭ থেকে ১৩৫১ সালের মধ্যে ইউরোপে এমন ঘটনা ঘটেছিল। ওই সময়ে ইঁদুরের মাধ্যমে ব্ল্যাক ডেথ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) বলেছে, পশু থেকে মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা বিরল।
গবেষণাটির প্রধান তত্ত্বাবধানকারী এবং মিসৌরি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফ্লুয়েঞ্জা ও উদীয়মান সংক্রামক রোগ কেন্দ্রের পরিচালক ডা. হেনরি ওয়ান বলেছেন, ‘এই ফলাফলগুলো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসার জন্য যথেষ্ট নয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে।’
এর আগে হংকং ও বেলজিয়ামের ইঁদুরের ওপর গবেষণা করে দেখা গেছে, ইঁদুরগুলো করোনাভাইরাসের সংস্পর্শে এসেছিল।
গবেষকেরা বলেছেন, তাঁরা ৭৯টি ইঁদুরের ওপর গবেষণা করে এ সিদ্ধান্তে এসেছেন। বেশির ভাগ ইঁদুর নিউইয়র্ক শহরের ব্রুকলিন পার্কের আশপাশ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। করোনা পরীক্ষায় ৭৯টি ইঁদুরের মধ্যে ১৩টির শরীরে করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে।
গবেষকেরা আরও বলেছেন, ‘সামগ্রিকভাবে বলা যায়, মহামারির সময়ে প্রাণীরা ভাইরাস ছড়ানোর ব্যাপারে ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য আমাদের জানাশোনার পরিধি আরও বাড়াতে হবে এবং সতর্ক থাকতে হবে, যাতে প্রাণী ও মানুষ—উভয়েই সুস্থ থাকতে পারি।’

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ইঁদুর করোনাভাইরাসের বাহক হতে পারে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষণাপত্রটি সম্প্রতি ‘এমবায়ো’ নামে একটি উন্মুক্ত জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
এমবায়ো জার্নালের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বলেছে, নিউইয়র্ক শহরে অন্তত ৮০ লাখ ইঁদুর রয়েছে। এই ইঁদুরগুলো করোনাভাইরাসের তিনটি ভেরিয়েন্টের জন্য সংবেদনশীল। তবে ভেরিয়েন্টগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়নি ওই প্রতিবেদনে।
গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ইঁদুরগুলো মানুষের সংস্পর্শে আসার প্রচুর সুযোগ রয়েছে। এতে মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর আগে ১৩৪৭ থেকে ১৩৫১ সালের মধ্যে ইউরোপে এমন ঘটনা ঘটেছিল। ওই সময়ে ইঁদুরের মাধ্যমে ব্ল্যাক ডেথ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) বলেছে, পশু থেকে মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা বিরল।
গবেষণাটির প্রধান তত্ত্বাবধানকারী এবং মিসৌরি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফ্লুয়েঞ্জা ও উদীয়মান সংক্রামক রোগ কেন্দ্রের পরিচালক ডা. হেনরি ওয়ান বলেছেন, ‘এই ফলাফলগুলো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসার জন্য যথেষ্ট নয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে।’
এর আগে হংকং ও বেলজিয়ামের ইঁদুরের ওপর গবেষণা করে দেখা গেছে, ইঁদুরগুলো করোনাভাইরাসের সংস্পর্শে এসেছিল।
গবেষকেরা বলেছেন, তাঁরা ৭৯টি ইঁদুরের ওপর গবেষণা করে এ সিদ্ধান্তে এসেছেন। বেশির ভাগ ইঁদুর নিউইয়র্ক শহরের ব্রুকলিন পার্কের আশপাশ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। করোনা পরীক্ষায় ৭৯টি ইঁদুরের মধ্যে ১৩টির শরীরে করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে।
গবেষকেরা আরও বলেছেন, ‘সামগ্রিকভাবে বলা যায়, মহামারির সময়ে প্রাণীরা ভাইরাস ছড়ানোর ব্যাপারে ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য আমাদের জানাশোনার পরিধি আরও বাড়াতে হবে এবং সতর্ক থাকতে হবে, যাতে প্রাণী ও মানুষ—উভয়েই সুস্থ থাকতে পারি।’

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে