
আগ্নেয়াস্ত্র কেনার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন। বন্দুক কেনার সময় মাদকাসক্তির বিষয়ে মিথ্যা বলার জন্য ডেলাওয়্যার অঙ্গরাজ্যের উইমিংটনের একটি জুরি বোর্ড হান্টারকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। এখন এই অবস্থায় যে প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তা হলো—হান্টার বাইডেন কি জেলে যাবেন, নাকি বাবার ক্ষমা পাবেন।
হান্টার বাইডেনকে যদি কারাদণ্ড দেওয়াও হয়, সে ক্ষেত্রে তিনটি বন্দুক মামলার তিনটি অভিযোগের জন্য তাঁকে ২৫ বছর জেল খাটতে হতে পারে এমন আশঙ্কা কম। অন্তত এমনটাই মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি এই মামলা একটি অভিযোগের—মাদক ব্যবহারের ব্যাপারে তথ্য গোপন করা—কারণে তাঁর ১০ বছর কারাদণ্ড হবে—এমনটাও ভাবছেন না তাঁরা। আবার কয়েকজন মনে করেন, হান্টারকে পূর্ণ মেয়াদে কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ টেক্সাস কলেজ অব ল হিউস্টনের অধ্যাপক ড্রু স্টিভেনসন বলেছেন, হান্টার বাইডেন যদি পাঁচ বছরের কাছাকাছি কারাদণ্ডও পান, তবে এটি ‘অদ্ভুত ও নজিরবিহীন’ একটি ঘটনা হবে। তিনি বলেন, এটি বিপজ্জনক লোকদের ক্ষেত্রে নজির তৈরি করবে। বিশেষ করে যাঁরা এফবিআইয়ের নজরদারির তালিকায় আছেন।
এ সময় আইনের এই অধ্যাপক আরও বলেন, তিনি মনে করেন হান্টার বাইডেনের পূর্ণাঙ্গ মেয়াদের কারাবাসের সম্ভাবনা ফিফটি ফিফটি। এ সময় তিনি অনুমান প্রকাশ করেন, সম্ভবত বাইডেনপুত্রের ২০ মাস কারাদণ্ড হতে পারে। তিনি বলেন, ‘এটি অনুমান করা খুবই কঠিন, কিন্তু আমি মনে করি এমনটা হওয়া খুবই সম্ভব।’
অধ্যাপক স্টিভেনসন আরও বলেন, এমনটাও সম্ভব যে বিচারকেরা হান্টারকে কারাদণ্ড না দিয়ে প্রবেশনও দিতে পারেন। মাদকাসক্তি থেকে হান্টার বাইডেনের সেরে ওঠার বিষয়টিও তাঁর পক্ষে যেতে পারে, যা তাঁর দণ্ড কমানোর পক্ষে কাজ করতে পারে।
স্টিভেনসন আরও উল্লেখ করেন, মামলার বিচারক বিচার চলাকালে হান্টারের আইনজীবীদের ‘খুব একটা সুযোগ’ দেননি। এটি এমন ইঙ্গিত হতে পারে যে, হান্টার বাইডেনকে সাধারণের চেয়ে বেশি সময় কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে। উল্লেখ্য, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই মামলার দণ্ডাদেশ দেওয়া হতে পারে।
এদিকে, এটি প্রায় নিশ্চিত যে হান্টার বাইডেনকে নির্দিষ্ট মেয়াদে সাজা ভোগ করতেই হবে। সেটা কারাদণ্ড হোক বা প্রবেশন হোক। এখন এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, তাঁর বাবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তাঁর নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করে তাঁকে ক্ষমা করবেন কি না।
এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা বোধ হয় কমই। কারণ বন্দুক মামলায় হান্টার বাইডেন দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগেও বাইডে বলেছেন, তিনি তাঁর ছেলেকে ক্ষমা করবেন না। রায়ের পরও তিনি তাঁর এই অবস্থান বজায় রেখেছেন। গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ‘আমি এই মামলার ফলাফল মেনে নেব এবং হান্টার আপিল করলে তখনো আমি বিচারিক প্রক্রিয়াকে সম্মান করব।’

আগ্নেয়াস্ত্র কেনার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন। বন্দুক কেনার সময় মাদকাসক্তির বিষয়ে মিথ্যা বলার জন্য ডেলাওয়্যার অঙ্গরাজ্যের উইমিংটনের একটি জুরি বোর্ড হান্টারকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। এখন এই অবস্থায় যে প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তা হলো—হান্টার বাইডেন কি জেলে যাবেন, নাকি বাবার ক্ষমা পাবেন।
হান্টার বাইডেনকে যদি কারাদণ্ড দেওয়াও হয়, সে ক্ষেত্রে তিনটি বন্দুক মামলার তিনটি অভিযোগের জন্য তাঁকে ২৫ বছর জেল খাটতে হতে পারে এমন আশঙ্কা কম। অন্তত এমনটাই মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি এই মামলা একটি অভিযোগের—মাদক ব্যবহারের ব্যাপারে তথ্য গোপন করা—কারণে তাঁর ১০ বছর কারাদণ্ড হবে—এমনটাও ভাবছেন না তাঁরা। আবার কয়েকজন মনে করেন, হান্টারকে পূর্ণ মেয়াদে কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ টেক্সাস কলেজ অব ল হিউস্টনের অধ্যাপক ড্রু স্টিভেনসন বলেছেন, হান্টার বাইডেন যদি পাঁচ বছরের কাছাকাছি কারাদণ্ডও পান, তবে এটি ‘অদ্ভুত ও নজিরবিহীন’ একটি ঘটনা হবে। তিনি বলেন, এটি বিপজ্জনক লোকদের ক্ষেত্রে নজির তৈরি করবে। বিশেষ করে যাঁরা এফবিআইয়ের নজরদারির তালিকায় আছেন।
এ সময় আইনের এই অধ্যাপক আরও বলেন, তিনি মনে করেন হান্টার বাইডেনের পূর্ণাঙ্গ মেয়াদের কারাবাসের সম্ভাবনা ফিফটি ফিফটি। এ সময় তিনি অনুমান প্রকাশ করেন, সম্ভবত বাইডেনপুত্রের ২০ মাস কারাদণ্ড হতে পারে। তিনি বলেন, ‘এটি অনুমান করা খুবই কঠিন, কিন্তু আমি মনে করি এমনটা হওয়া খুবই সম্ভব।’
অধ্যাপক স্টিভেনসন আরও বলেন, এমনটাও সম্ভব যে বিচারকেরা হান্টারকে কারাদণ্ড না দিয়ে প্রবেশনও দিতে পারেন। মাদকাসক্তি থেকে হান্টার বাইডেনের সেরে ওঠার বিষয়টিও তাঁর পক্ষে যেতে পারে, যা তাঁর দণ্ড কমানোর পক্ষে কাজ করতে পারে।
স্টিভেনসন আরও উল্লেখ করেন, মামলার বিচারক বিচার চলাকালে হান্টারের আইনজীবীদের ‘খুব একটা সুযোগ’ দেননি। এটি এমন ইঙ্গিত হতে পারে যে, হান্টার বাইডেনকে সাধারণের চেয়ে বেশি সময় কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে। উল্লেখ্য, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই মামলার দণ্ডাদেশ দেওয়া হতে পারে।
এদিকে, এটি প্রায় নিশ্চিত যে হান্টার বাইডেনকে নির্দিষ্ট মেয়াদে সাজা ভোগ করতেই হবে। সেটা কারাদণ্ড হোক বা প্রবেশন হোক। এখন এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, তাঁর বাবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তাঁর নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করে তাঁকে ক্ষমা করবেন কি না।
এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা বোধ হয় কমই। কারণ বন্দুক মামলায় হান্টার বাইডেন দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগেও বাইডে বলেছেন, তিনি তাঁর ছেলেকে ক্ষমা করবেন না। রায়ের পরও তিনি তাঁর এই অবস্থান বজায় রেখেছেন। গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ‘আমি এই মামলার ফলাফল মেনে নেব এবং হান্টার আপিল করলে তখনো আমি বিচারিক প্রক্রিয়াকে সম্মান করব।’

মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
৯ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
১০ ঘণ্টা আগে