
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে। এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ১ হাজারের বেশি স্থাপনা পুড়ে গেছে। ঘরছাড়া হয়েছে লাখো মানুষ। গতকাল বুধবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে লস অ্যাঞ্জেলেস ফায়ার ডিপার্টমেন্টের প্রধান ক্রিস্টিন ক্রাউলি জানান, আগুন হলিউড হিলসে রানিয়ন ক্যানিয়নের কাছে নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, হলিউডের বেশির ভাগ অংশ ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে। অনেক তারকা ওই এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান অনেকে। মানুষ ব্যাগ ও স্যুটকেস নিয়ে নিরাপদ জায়গার সন্ধানে ছুটছে। আগুন ছড়িয়ে যেতে থাকায় বাসিন্দারা বিশৃঙ্খলভাবে পালাচ্ছে। আইকনিক হলিউড বুলেভার্ডসহ হলিউডের বিভিন্ন সড়ক যানজটে পুরোপুরি স্থবির হয়ে আছে।
হাইকার ও প্রকৃতিপ্রেমীদের পছন্দের জায়গা রানিয়ন ক্যানিয়নে দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। ডলবি থিয়েটার, হলিউড বোল, আউটডোর অ্যাম্ফিথিয়েটার ও হলিউড ওয়াক অব ফেম দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার প্রথমে প্যালিসেডসে আগুন লাগে। প্যালিসেডসে ১৫ হাজার ৮০০ একরের বেশি এলাকা পুড়ে গেছে। ইটনে পুড়ে গেছে ১০ হাজার ৬০০ একর এলাকা। অন্যদিকে হার্স্টে প্রায় ৭০০ একর এলাকা দাবানলে পুড়ে গেছে।
ইটন থেকে ১ লাখের বেশি এবং প্যালিসেডস থেকে ৩৭ হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রায় ২৮ হাজার স্থাপনা এই দাবানলে পুড়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এদিকে আগুন নেভাতে গিয়ে পানির সংকটে পড়ছেন দমকলকর্মীরা।
ক্যালিফোর্নিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া এডিসনের (এসসিএ) তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বিকেল থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসের ৩০ লাখের বেশি মানুষ বিদ্যুৎ-বিহীন অবস্থায় রয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, দাবানলে পুড়তে থাকা অঞ্চলগুলোতে বাতাস উত্তর দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১৫ মাইল (১৯ থেকে ২৪ কিলোমিটার/ঘণ্টা) বেগে প্রবাহিত হচ্ছে।
সেখানকার আবহাওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঝোড়ো হাওয়ার গতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪০ কিলোমিটার (২৫ মাইল) পর্যন্ত উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার রাতে বাতাসের গতি কমে প্রায় ৯-১৪ কিলোমিটার/ঘণ্টা (৬-৯ মাইল/ঘণ্টা) হওয়ার আশা করছেন তাঁরা।

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে। এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ১ হাজারের বেশি স্থাপনা পুড়ে গেছে। ঘরছাড়া হয়েছে লাখো মানুষ। গতকাল বুধবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে লস অ্যাঞ্জেলেস ফায়ার ডিপার্টমেন্টের প্রধান ক্রিস্টিন ক্রাউলি জানান, আগুন হলিউড হিলসে রানিয়ন ক্যানিয়নের কাছে নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, হলিউডের বেশির ভাগ অংশ ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে। অনেক তারকা ওই এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান অনেকে। মানুষ ব্যাগ ও স্যুটকেস নিয়ে নিরাপদ জায়গার সন্ধানে ছুটছে। আগুন ছড়িয়ে যেতে থাকায় বাসিন্দারা বিশৃঙ্খলভাবে পালাচ্ছে। আইকনিক হলিউড বুলেভার্ডসহ হলিউডের বিভিন্ন সড়ক যানজটে পুরোপুরি স্থবির হয়ে আছে।
হাইকার ও প্রকৃতিপ্রেমীদের পছন্দের জায়গা রানিয়ন ক্যানিয়নে দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। ডলবি থিয়েটার, হলিউড বোল, আউটডোর অ্যাম্ফিথিয়েটার ও হলিউড ওয়াক অব ফেম দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার প্রথমে প্যালিসেডসে আগুন লাগে। প্যালিসেডসে ১৫ হাজার ৮০০ একরের বেশি এলাকা পুড়ে গেছে। ইটনে পুড়ে গেছে ১০ হাজার ৬০০ একর এলাকা। অন্যদিকে হার্স্টে প্রায় ৭০০ একর এলাকা দাবানলে পুড়ে গেছে।
ইটন থেকে ১ লাখের বেশি এবং প্যালিসেডস থেকে ৩৭ হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রায় ২৮ হাজার স্থাপনা এই দাবানলে পুড়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এদিকে আগুন নেভাতে গিয়ে পানির সংকটে পড়ছেন দমকলকর্মীরা।
ক্যালিফোর্নিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া এডিসনের (এসসিএ) তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বিকেল থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসের ৩০ লাখের বেশি মানুষ বিদ্যুৎ-বিহীন অবস্থায় রয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, দাবানলে পুড়তে থাকা অঞ্চলগুলোতে বাতাস উত্তর দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১৫ মাইল (১৯ থেকে ২৪ কিলোমিটার/ঘণ্টা) বেগে প্রবাহিত হচ্ছে।
সেখানকার আবহাওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঝোড়ো হাওয়ার গতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪০ কিলোমিটার (২৫ মাইল) পর্যন্ত উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার রাতে বাতাসের গতি কমে প্রায় ৯-১৪ কিলোমিটার/ঘণ্টা (৬-৯ মাইল/ঘণ্টা) হওয়ার আশা করছেন তাঁরা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
৩ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে