
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েলকে গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধকে শিগগির শেষ করতে হবে। কারণ, এ ধরনে যুদ্ধ জনমনে ইহুদিবাদী রাষ্ট্রটির জন্য ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিচ্ছে। স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়া উচিত কারণ এ সংক্রান্ত প্রচারণার কারণে তারা (ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরায়েল) ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এবং আপনারা জানেন, ইসরায়েল জনসংযোগে খুব একটা ভালো নয়।’ ট্রাম্প এমন এক সময়ে এই মন্তব্য করলেন যার মাত্র একদিন পরই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক আছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ মিত্র। এর আগে, ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন তখন তিনি নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ইসরায়েল ঘেঁষা প্রেসিডেন্ট হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন। তিনি নেতানিয়াহুর অনুরোধেই ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়েছিলেন।
এ ছাড়া, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ইসরায়েলে মার্কিন দূতাবাস তেল আবিব থেকে সরিয়ে পূর্ব জেরুসালেমে স্থানান্তরিত করেছিলেন এবং আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্য আব্রাহাম অ্যাকর্ডের অবতারণা করেছিলেন। এই অ্যাকর্ডের আওতায় এরই মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মরক্কো, বাহরাইন ও সুদানের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়েছে।
এদিকে, গত বছরের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকেই ট্রাম্প যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে ইসরায়েল ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছেন। চলতি বছরের মার্চে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইসরায়েল হায়োমকে তিনি বলেছিলেন, ‘আপনাকে (নেতানিয়াহু) দ্রুতই এই যুদ্ধ শেষ করতে হবে। আপনাকে নিশ্চয় এটি করতে হবে এবং আমি নিশ্চিত আপনি এটি করবেন।’
সে সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও বলেছিলেন, ‘গাজায় বেসামরিক লোকদের বাড়িঘর বিধ্বস্ত হওয়ার বিষয়টি বিশ্বের জন্যই একই খারাপ নজির।’ তিনি বলেন, ‘বিশ্ববাসী প্রতিদিন এমন চিত্র দেখছে। আমি দেখতে পাচ্ছি, লোকজনের ওপর ভবনের ধ্বংসাবশেষ ধসে পড়ছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েলকে গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধকে শিগগির শেষ করতে হবে। কারণ, এ ধরনে যুদ্ধ জনমনে ইহুদিবাদী রাষ্ট্রটির জন্য ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিচ্ছে। স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়া উচিত কারণ এ সংক্রান্ত প্রচারণার কারণে তারা (ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরায়েল) ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এবং আপনারা জানেন, ইসরায়েল জনসংযোগে খুব একটা ভালো নয়।’ ট্রাম্প এমন এক সময়ে এই মন্তব্য করলেন যার মাত্র একদিন পরই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক আছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ মিত্র। এর আগে, ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন তখন তিনি নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ইসরায়েল ঘেঁষা প্রেসিডেন্ট হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন। তিনি নেতানিয়াহুর অনুরোধেই ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়েছিলেন।
এ ছাড়া, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ইসরায়েলে মার্কিন দূতাবাস তেল আবিব থেকে সরিয়ে পূর্ব জেরুসালেমে স্থানান্তরিত করেছিলেন এবং আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্য আব্রাহাম অ্যাকর্ডের অবতারণা করেছিলেন। এই অ্যাকর্ডের আওতায় এরই মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মরক্কো, বাহরাইন ও সুদানের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়েছে।
এদিকে, গত বছরের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকেই ট্রাম্প যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে ইসরায়েল ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছেন। চলতি বছরের মার্চে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইসরায়েল হায়োমকে তিনি বলেছিলেন, ‘আপনাকে (নেতানিয়াহু) দ্রুতই এই যুদ্ধ শেষ করতে হবে। আপনাকে নিশ্চয় এটি করতে হবে এবং আমি নিশ্চিত আপনি এটি করবেন।’
সে সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও বলেছিলেন, ‘গাজায় বেসামরিক লোকদের বাড়িঘর বিধ্বস্ত হওয়ার বিষয়টি বিশ্বের জন্যই একই খারাপ নজির।’ তিনি বলেন, ‘বিশ্ববাসী প্রতিদিন এমন চিত্র দেখছে। আমি দেখতে পাচ্ছি, লোকজনের ওপর ভবনের ধ্বংসাবশেষ ধসে পড়ছে।’

গাজায় ভয়াবহ শীতকালীন ঝড়ে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ধসে পড়ে অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া, প্রচন্ড ঠান্ডায় প্রাণ হারিয়েছে আরও অন্তত ৬ শিশু। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরা ও তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল করেছেন। একই সঙ্গে তেহরানের দমনপীড়নের মুখে বিক্ষোভকারীদের ‘আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিন’ বলে আহ্বান জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের ‘আশ্বাস দিয়ে’ বলেছেন, ‘সাহায্য আসছে।’
১ ঘণ্টা আগে
মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
১১ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
১১ ঘণ্টা আগে