
যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ তুঙ্গে উঠেছে। কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলবিরোধী এই ছাত্র বিক্ষোভ ছড়িয়ে গেছে দেশটির অন্তত আরও ডজনখানেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে। সর্বশেষ ম্যাসাচুসেটসে অবস্থিত বিখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়েও উড়ানো হয়েছে ফিলিস্তিনের পতাকা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতার প্রতিমূর্তির কাছে ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলন করা হয়। সে সময় বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিনের পক্ষে নানা স্লোগান দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পতাকা উত্তোলনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষোভকারীরা যে স্থানে ফিলিস্তিনের পতাকাটি উত্তোলন করে, সেখানে সাধারণত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা উত্তোলন করা হয়। বিক্ষোভকারীরা হার্ভার্ডের ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলের সবচেয়ে ওপরের তলার একটি কক্ষের জানালা থেকে একটি বিশাল ফিলিস্তিনি পতাকাও উত্তোলন করে।
এদিকে, হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতির দাবিতে বিক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস যেন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। গত এক সপ্তাহে পুলিশ ৫৫০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
আটলান্টার এমোরি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বিক্ষোভকারীদের ওপর টেজার ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ। যদিও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল বলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত কর্মী ও মিডিয়া কর্মীরা জানান।
এমোরি ক্যাম্পাসে পুলিশ প্রবেশের পরবর্তী দৃশ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংলিশ অ্যান্ড ইনডিজেনাস বিষয়ের অধ্যাপক এমিল কেমেকে কিশোর বয়সে গুয়াতেমালার গৃহযুদ্ধের কথা মনে করিয়ে দেয়। পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢোকার পরপরই সবাইকে জোর করে সরাতে থাকে। সশস্ত্র পুলিশ ও তাদের রাবার বুলেট এসব দেখে আমার মনে হচ্ছিল আমি কোনো যুদ্ধক্ষেত্রে আছি। আমাদের ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ আমার পাশে এক শিক্ষার্থীকে ধরে নিয়ে যায়, এক বৃদ্ধাকে ধাক্কা দেয়, এরপর আমাকেও ধাক্কা দেয়।’
বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা বলছেন, তাঁরা গাজার ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছেন। হামাস নিয়ন্ত্রিত ওই অঞ্চলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, উপত্যকাটিতে এরই মধ্যে ৩৪ হাজার ৩০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা চান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেন ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এমন সবকিছুতে বিনিয়োগ বন্ধ করে, যা গাজা যুদ্ধে ইন্ধন জোগায়। এর মানে হলো ব্ল্যাকরক, গুগলের পাশাপাশি অ্যামাজনের ক্লাউড পরিষেবা, লকহিড মার্টিন, এমনকি এয়ারবিএনবি থেকে ক্যাম্পাসের অর্থায়ন বিচ্ছিন্ন করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
আরও পড়ুন:

যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ তুঙ্গে উঠেছে। কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলবিরোধী এই ছাত্র বিক্ষোভ ছড়িয়ে গেছে দেশটির অন্তত আরও ডজনখানেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে। সর্বশেষ ম্যাসাচুসেটসে অবস্থিত বিখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়েও উড়ানো হয়েছে ফিলিস্তিনের পতাকা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতার প্রতিমূর্তির কাছে ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলন করা হয়। সে সময় বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিনের পক্ষে নানা স্লোগান দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পতাকা উত্তোলনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষোভকারীরা যে স্থানে ফিলিস্তিনের পতাকাটি উত্তোলন করে, সেখানে সাধারণত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা উত্তোলন করা হয়। বিক্ষোভকারীরা হার্ভার্ডের ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলের সবচেয়ে ওপরের তলার একটি কক্ষের জানালা থেকে একটি বিশাল ফিলিস্তিনি পতাকাও উত্তোলন করে।
এদিকে, হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতির দাবিতে বিক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস যেন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। গত এক সপ্তাহে পুলিশ ৫৫০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
আটলান্টার এমোরি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বিক্ষোভকারীদের ওপর টেজার ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ। যদিও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল বলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত কর্মী ও মিডিয়া কর্মীরা জানান।
এমোরি ক্যাম্পাসে পুলিশ প্রবেশের পরবর্তী দৃশ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংলিশ অ্যান্ড ইনডিজেনাস বিষয়ের অধ্যাপক এমিল কেমেকে কিশোর বয়সে গুয়াতেমালার গৃহযুদ্ধের কথা মনে করিয়ে দেয়। পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢোকার পরপরই সবাইকে জোর করে সরাতে থাকে। সশস্ত্র পুলিশ ও তাদের রাবার বুলেট এসব দেখে আমার মনে হচ্ছিল আমি কোনো যুদ্ধক্ষেত্রে আছি। আমাদের ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ আমার পাশে এক শিক্ষার্থীকে ধরে নিয়ে যায়, এক বৃদ্ধাকে ধাক্কা দেয়, এরপর আমাকেও ধাক্কা দেয়।’
বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা বলছেন, তাঁরা গাজার ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছেন। হামাস নিয়ন্ত্রিত ওই অঞ্চলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, উপত্যকাটিতে এরই মধ্যে ৩৪ হাজার ৩০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা চান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেন ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এমন সবকিছুতে বিনিয়োগ বন্ধ করে, যা গাজা যুদ্ধে ইন্ধন জোগায়। এর মানে হলো ব্ল্যাকরক, গুগলের পাশাপাশি অ্যামাজনের ক্লাউড পরিষেবা, লকহিড মার্টিন, এমনকি এয়ারবিএনবি থেকে ক্যাম্পাসের অর্থায়ন বিচ্ছিন্ন করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
আরও পড়ুন:

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩৯ মিনিট আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৪২ মিনিট আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৪ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৪ ঘণ্টা আগে