আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ট্রাম্প প্রশাসনের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে কাটছাঁটের সিদ্ধান্তকে বাতিল করে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল বুধবার এ রায় দেন বোস্টনভিত্তিক ফেডারেল জজ অ্যালিসন বারোস। রায়ে ট্রাম্প প্রশাসনের এই তহবিল কাটছাঁটের পদক্ষেপকে অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের গবেষণা অনুদান বাতিলের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
এই রায়কে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বড় জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। চলতি বছরের এপ্রিলে ইহুদিবিদ্বেষ, চরম বামপন্থী মতাদর্শ এবং বর্ণবাদ প্রচারের অভিযোগ এনে বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণা খাতে সরকারি অনুদান বন্ধ করে দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। আইভি লীগের অন্তর্ভুক্ত আরও তিন বিশ্ববিদ্যালয়—কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ এনে অনুদান বন্ধের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তহবিল হারানোর ভয়ে ওই তিন বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সমঝোতার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দমনের কাছে হার মানতে চায়নি। ফলে, বিরোধ গড়ায় আদালত পর্যন্ত।
প্রশাসনের বিরুদ্ধে সেই লড়াইয়েই ঐতিহাসিক জয় পেল হার্ভার্ড। রায়ে বারোস বলেন, ‘মত প্রকাশের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে কাটছাঁট করা সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর পরিপন্থী। তাই কোর্ট নির্দেশ দিচ্ছে, প্রশাসন আর কখনো হার্ভার্ডের কোনো তহবিল আটকাবে না এবং বিদ্যমান তহবিলও বন্ধ করা যাবে না। প্রশাসন দ্বারা ইস্যুকৃত ফ্রিজ অর্ডার ও টার্মিনেশন লেটার বাতিল করা হলো।’
তবে, গাজা যুদ্ধ শুরুর পর হার্ভার্ড ক্যাম্পাসে ইহুদিবিদ্ধেষ দেখা দিয়েছে বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। হার্ভার্ড প্রশাসন তা নিয়ন্ত্রণে যথাযথ উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ হয়েছে—এমনটাও বলা হয়েছে। তবে, ইহুদিবিদ্বেষের এসব ঘটনাকে ব্যবহার করে তা দমনের অজুহাত দেখিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন আসলে ‘দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধে একপাক্ষিক আদর্শভিত্তিক আক্রমণ’ চালিয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিচারক।
মার্কিন ফেডারেল বিচারপতি অ্যালিসন ব্যারোস তাঁর ৮৪ পৃষ্ঠার রায়ে উল্লেখ করেছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হার্ভার্ড অ্যান্টিসেমিটিজম বা ইহুদিবিরোধী বৈষম্যের শিকার হয়েছে এবং এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির আরও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল। তিনি লিখেছেন, ‘হার্ভার্ড অনেক দিন ধরে ঘৃণাত্মক আচরণ সহ্য করেছে, যা ভুল ছিল।’ তবে ইহুদিবিদ্বেষ মোকাবিলা ট্রাম্প প্রশাসনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বলে মনে করেন না তিনি। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রাচীন ও ধনী বিশ্ববিদ্যালয়টির বিরুদ্ধে মতাদর্শভিত্তিক পরিকল্পিত আক্রমণের অজুহাত হিসেবে ইহুদিবিদ্বেষ ইস্যুটিকে ব্যবহার করেছে ট্রাম্প।
এই রায়কে গুরুতর ভুল আখ্যা দিয়েছে হোয়াইট হাউস। পাশাপাশি বিচারককেও ‘অ্যাক্টিভিস্ট’ হিসেবে অভিহিত করেছে তারা। উল্লেখ্য, বিচারক অ্যালিসন বারোসকে নিয়োগ দিয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট ব্যারাক ওবামা। হোয়াইট হাউসের অভিযোগ—ডেমোক্র্যাটদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত কোনো বিচারক কখনো রিপাবলিকানদের পক্ষে রায় দেবেন না। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির সহকারী লিজ হিউস্টন বলেন, ‘করদাতাদের অর্থ পাওয়ার কোনো অধিকার হার্ভার্ডের নেই। ভবিষ্যতেও তারা অনুদানের অযোগ্যই থাকবে।’
এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে হার্ভার্ড। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট অ্যালান গারবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এ রায় হার্ভার্ডের মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও প্রক্রিয়াগত অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে।’ বিশ্ববিদ্যালয় রায়ের প্রভাব পর্যালোচনা করে পরিবর্তিত পরিস্থিতি অনুযায়ী তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাবে বলেও জানান তিনি।

ট্রাম্প প্রশাসনের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে কাটছাঁটের সিদ্ধান্তকে বাতিল করে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল বুধবার এ রায় দেন বোস্টনভিত্তিক ফেডারেল জজ অ্যালিসন বারোস। রায়ে ট্রাম্প প্রশাসনের এই তহবিল কাটছাঁটের পদক্ষেপকে অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের গবেষণা অনুদান বাতিলের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
এই রায়কে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বড় জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। চলতি বছরের এপ্রিলে ইহুদিবিদ্বেষ, চরম বামপন্থী মতাদর্শ এবং বর্ণবাদ প্রচারের অভিযোগ এনে বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণা খাতে সরকারি অনুদান বন্ধ করে দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। আইভি লীগের অন্তর্ভুক্ত আরও তিন বিশ্ববিদ্যালয়—কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ এনে অনুদান বন্ধের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তহবিল হারানোর ভয়ে ওই তিন বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সমঝোতার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দমনের কাছে হার মানতে চায়নি। ফলে, বিরোধ গড়ায় আদালত পর্যন্ত।
প্রশাসনের বিরুদ্ধে সেই লড়াইয়েই ঐতিহাসিক জয় পেল হার্ভার্ড। রায়ে বারোস বলেন, ‘মত প্রকাশের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে কাটছাঁট করা সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর পরিপন্থী। তাই কোর্ট নির্দেশ দিচ্ছে, প্রশাসন আর কখনো হার্ভার্ডের কোনো তহবিল আটকাবে না এবং বিদ্যমান তহবিলও বন্ধ করা যাবে না। প্রশাসন দ্বারা ইস্যুকৃত ফ্রিজ অর্ডার ও টার্মিনেশন লেটার বাতিল করা হলো।’
তবে, গাজা যুদ্ধ শুরুর পর হার্ভার্ড ক্যাম্পাসে ইহুদিবিদ্ধেষ দেখা দিয়েছে বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। হার্ভার্ড প্রশাসন তা নিয়ন্ত্রণে যথাযথ উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ হয়েছে—এমনটাও বলা হয়েছে। তবে, ইহুদিবিদ্বেষের এসব ঘটনাকে ব্যবহার করে তা দমনের অজুহাত দেখিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন আসলে ‘দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধে একপাক্ষিক আদর্শভিত্তিক আক্রমণ’ চালিয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিচারক।
মার্কিন ফেডারেল বিচারপতি অ্যালিসন ব্যারোস তাঁর ৮৪ পৃষ্ঠার রায়ে উল্লেখ করেছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হার্ভার্ড অ্যান্টিসেমিটিজম বা ইহুদিবিরোধী বৈষম্যের শিকার হয়েছে এবং এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির আরও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল। তিনি লিখেছেন, ‘হার্ভার্ড অনেক দিন ধরে ঘৃণাত্মক আচরণ সহ্য করেছে, যা ভুল ছিল।’ তবে ইহুদিবিদ্বেষ মোকাবিলা ট্রাম্প প্রশাসনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বলে মনে করেন না তিনি। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রাচীন ও ধনী বিশ্ববিদ্যালয়টির বিরুদ্ধে মতাদর্শভিত্তিক পরিকল্পিত আক্রমণের অজুহাত হিসেবে ইহুদিবিদ্বেষ ইস্যুটিকে ব্যবহার করেছে ট্রাম্প।
এই রায়কে গুরুতর ভুল আখ্যা দিয়েছে হোয়াইট হাউস। পাশাপাশি বিচারককেও ‘অ্যাক্টিভিস্ট’ হিসেবে অভিহিত করেছে তারা। উল্লেখ্য, বিচারক অ্যালিসন বারোসকে নিয়োগ দিয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট ব্যারাক ওবামা। হোয়াইট হাউসের অভিযোগ—ডেমোক্র্যাটদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত কোনো বিচারক কখনো রিপাবলিকানদের পক্ষে রায় দেবেন না। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির সহকারী লিজ হিউস্টন বলেন, ‘করদাতাদের অর্থ পাওয়ার কোনো অধিকার হার্ভার্ডের নেই। ভবিষ্যতেও তারা অনুদানের অযোগ্যই থাকবে।’
এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে হার্ভার্ড। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট অ্যালান গারবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এ রায় হার্ভার্ডের মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও প্রক্রিয়াগত অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে।’ বিশ্ববিদ্যালয় রায়ের প্রভাব পর্যালোচনা করে পরিবর্তিত পরিস্থিতি অনুযায়ী তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাবে বলেও জানান তিনি।

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
৫ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে