আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ইউক্রেনের যুদ্ধ শেষ করার প্ররোচনা হিসেবে বিরল খনিজের সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব তৈরি করছেন। আগামীকাল শুক্রবার পুতিনের সঙ্গে হতে যাওয়া বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠকে ট্রাম্প কিছু অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে বসবেন। তবে এর আগে ট্রাম্প হুমকিও দিয়েছেন যে, পুতিন রাজি না হলে ‘গুরুতর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই প্রস্তাবে আলাস্কার প্রাকৃতিক সম্পদ রাশিয়ার জন্য উন্মুক্ত করা এবং রাশিয়ার বিমানশিল্পের ওপর কিছু মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়াও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এমনকি, বর্তমানে রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনীয় অঞ্চলের বিরল খনিজ পুতিনের দেশের জন্য উন্মুক্ত করা।
জানা গেছে, এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে প্রস্তুত করছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। বেসেন্ট ইউক্রেন যুদ্ধের দ্রুত সমাপ্তির জন্য রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের অর্থনৈতিক চুক্তি করতে পারে তা যাচাই করছেন।
এর আগে, গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, যদি পুতিন শুক্রবারের বৈঠকে যুদ্ধ শেষ করতে সম্মত না হন, সে ক্ষেত্রে তাঁর দেশকে ‘গুরুতর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতা আরও জানান, বৈঠকের পর তিনি পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে দ্বিতীয় বৈঠকের পরিকল্পনা করছেন।
ট্রাম্প এ বিষয়ে বলেন, ‘যদি প্রথম বৈঠকটি ঠিকঠাক হয়, আমরা দ্রুতই দ্বিতীয়টি করব। আমি চাই প্রায় সঙ্গে সঙ্গে এটি হোক এবং যদি তারা চায়, আমি সেখানে থাকব।’
ট্রাম্প এর আগে জেলেনস্কি ও অন্যান্য ইউরোপীয় নেতার সঙ্গে ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেন। এ বৈঠকে ছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ এবং জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ ম্যার্ৎস। আলোচনার পর জেলেনস্কি জানান, ট্রাম্প ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা গ্যারান্টির সমর্থন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা গ্যারান্টি থাকা উচিত। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এটি সমর্থন করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত।’
গত কয়েক মাসে ওয়াশিংটন নিরাপত্তা গ্যারান্টি অর্থাৎ, কোনো শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা ইউক্রেনের জন্য মেনে নেওয়া থেকে বিরত ছিল। এটি কিয়েভের একটি মূল দাবি।
এদিকে, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি এমন একটি শান্তিরক্ষা বাহিনী গঠনের কাজ করছে, যাতে আমেরিকার সরাসরি অংশগ্রহণ না থাকলেও বিমান সহায়তা বা সমর্থন দেওয়ার আশা ছিল। তবে বুধবারের আলোচনার পর কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, তাঁর ‘সর্বসম্মত জোট’ শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে প্রস্তুত।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিকল্পনাগুলো এখন এমন এক রূপে প্রস্তুত, যা যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা গ্যারান্টি নিশ্চিতে বাস্তব অগ্রগতি হয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ইউক্রেনের যুদ্ধ শেষ করার প্ররোচনা হিসেবে বিরল খনিজের সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব তৈরি করছেন। আগামীকাল শুক্রবার পুতিনের সঙ্গে হতে যাওয়া বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠকে ট্রাম্প কিছু অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে বসবেন। তবে এর আগে ট্রাম্প হুমকিও দিয়েছেন যে, পুতিন রাজি না হলে ‘গুরুতর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই প্রস্তাবে আলাস্কার প্রাকৃতিক সম্পদ রাশিয়ার জন্য উন্মুক্ত করা এবং রাশিয়ার বিমানশিল্পের ওপর কিছু মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়াও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এমনকি, বর্তমানে রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনীয় অঞ্চলের বিরল খনিজ পুতিনের দেশের জন্য উন্মুক্ত করা।
জানা গেছে, এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে প্রস্তুত করছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। বেসেন্ট ইউক্রেন যুদ্ধের দ্রুত সমাপ্তির জন্য রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের অর্থনৈতিক চুক্তি করতে পারে তা যাচাই করছেন।
এর আগে, গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, যদি পুতিন শুক্রবারের বৈঠকে যুদ্ধ শেষ করতে সম্মত না হন, সে ক্ষেত্রে তাঁর দেশকে ‘গুরুতর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতা আরও জানান, বৈঠকের পর তিনি পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে দ্বিতীয় বৈঠকের পরিকল্পনা করছেন।
ট্রাম্প এ বিষয়ে বলেন, ‘যদি প্রথম বৈঠকটি ঠিকঠাক হয়, আমরা দ্রুতই দ্বিতীয়টি করব। আমি চাই প্রায় সঙ্গে সঙ্গে এটি হোক এবং যদি তারা চায়, আমি সেখানে থাকব।’
ট্রাম্প এর আগে জেলেনস্কি ও অন্যান্য ইউরোপীয় নেতার সঙ্গে ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেন। এ বৈঠকে ছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ এবং জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ ম্যার্ৎস। আলোচনার পর জেলেনস্কি জানান, ট্রাম্প ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা গ্যারান্টির সমর্থন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা গ্যারান্টি থাকা উচিত। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এটি সমর্থন করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত।’
গত কয়েক মাসে ওয়াশিংটন নিরাপত্তা গ্যারান্টি অর্থাৎ, কোনো শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা ইউক্রেনের জন্য মেনে নেওয়া থেকে বিরত ছিল। এটি কিয়েভের একটি মূল দাবি।
এদিকে, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি এমন একটি শান্তিরক্ষা বাহিনী গঠনের কাজ করছে, যাতে আমেরিকার সরাসরি অংশগ্রহণ না থাকলেও বিমান সহায়তা বা সমর্থন দেওয়ার আশা ছিল। তবে বুধবারের আলোচনার পর কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, তাঁর ‘সর্বসম্মত জোট’ শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে প্রস্তুত।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিকল্পনাগুলো এখন এমন এক রূপে প্রস্তুত, যা যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা গ্যারান্টি নিশ্চিতে বাস্তব অগ্রগতি হয়েছে।’

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
৪ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে