
চীনের ওপর খনিজ সম্পদের নির্ভরতা কমিয়ে আনতে এবং স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে সমুদ্র অভিযান শুরু করেছে জাপান। আজ সোমবার জাপানের একটি জাহাজ টোকিও থেকে প্রায় ১ হাজার ৯০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত মিনামিতোরি দ্বীপের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। সমুদ্রের তলদেশ থেকে দুর্লভ খনিজ সমৃদ্ধ কাদা বা স্লাজ সংগ্রহের লক্ষে এটি বিশ্বের প্রথম কোনো প্রচেষ্টা।
‘চিকিউ’ নামক এই পরীক্ষামূলক জাহাজটি এক মাসব্যাপী এই মিশনে থাকবে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার গভীর থেকে ক্রমাগত রেয়ার-আর্থ বা বিরল মৃত্তিকা খনিজ সমৃদ্ধ কাদা ওপরে তুলে আনার এটিই হবে বিশ্বের প্রথম বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টা। ১৩০ জন ক্রু এবং গবেষক নিয়ে জাহাজটি আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি বন্দরে ফিরে আসার কথা রয়েছে।
প্রকল্পের প্রধান শোইচি ইশি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘সাত বছরের নিরলস প্রস্তুতির পর অবশেষে আমরা এই নিশ্চিতকরণ পরীক্ষা শুরু করতে পারছি। যদি এই প্রকল্প সফল হয়, তবে জাপানের খনিজ সম্পদ সংগ্রহের বৈচিত্র্যকরণে এটি এক বিশাল মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে।’
স্মার্টফোন, বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং সামরিক সরঞ্জাম তৈরির জন্য অপরিহার্য এই খনিজগুলোর সরবরাহে চীনের একক আধিপত্য রয়েছে। সম্প্রতি বেইজিং জাপানের ওপর খনিজ রপ্তানিতে কড়াকড়ি আরোপ শুরু করায় টোকিওর জন্য এই বিকল্প উৎস খুঁজে বের করা জরুরি হয়ে পড়েছে। গত সপ্তাহে চীন জাপানের সামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে এমন কিছু খনিজ রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে।
জাপান এক সময় তাদের চাহিদার ৯০ শতাংশ খনিজ চীনের কাছ থেকে আমদানি করত। ২০১০ সালে চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক বিরোধের পর থেকে জাপান সেই নির্ভরতা ৬০ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। তবে বৈদ্যুতিক যানবাহনের মোটরের চুম্বকে ব্যবহৃত ভারি খনিজগুলোর জন্য জাপান এখনও প্রায় পুরোপুরি চীনের ওপর নির্ভরশীল। এই নির্ভরতা দেশের অটোমোবাইল শিল্পের জন্য বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখছে জাপান।
২০১৮ সাল থেকে জাপান সরকার এই মিনামিতোরি দ্বীপ প্রকল্পে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ইয়েন (২৫০ মিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগ করেছে। এই প্রকল্পের আওতায় ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ খনি খনন পরীক্ষা শুরু হতে পারে। তবে এই খনিজ আহরণ ব্যয়সাপেক্ষ হওয়ায় এটি অর্থনৈতিকভাবে কতটা লাভজনক হবে তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চীনের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে এবং খনিজের দাম বাড়লে এই প্রকল্প বাণিজ্যিকভাবে সফল হবে।
এদিকে জাপানের এই তৎপরতার ওপর কড়া নজর রাখছে চীন। গত বছর এই এলাকায় জরিপ চালানোর সময় চীনা নৌবাহিনীর জাহাজ ওই অঞ্চলের খুব কাছ দিয়ে চলাচল করেছে বলে জানা গেছে। জাপান এই বিষয়টিকে ‘ভীতি প্রদর্শন’ হিসেবে দেখলেও চীন একে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন নয় বলে দাবি করেছে।

ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও ‘সবচেয়ে বড় ঢেউ’ এখনো আসেনি। স্থানীয় সময় সোমবার (২ মার্চ) সকালে সিএনএনকে দেওয়া প্রায় ৯ মিনিটের এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানকে ‘ভালোভাবেই আঘা
২ ঘণ্টা আগে