
চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক খুব একটা ভালো অবস্থায় নেই। এ পরিস্থিতিতে যেকোনো সময় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সালিভান। এ আশঙ্কায় প্রতিরক্ষা মজুত বাড়ানোর পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
গতকাল বুধবার সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেক সালিভান বলেন, ‘ঈশ্বর না করুন, আমরা চীনের সঙ্গে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ি! চীনের মতো একটি সামরিক শক্তির সঙ্গে যুদ্ধে আমাদের গোলাবারুদের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাবে।’
এএফপির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়।
২০ জানুয়ারি প্রশাসনে বসতে যাওয়া ট্রাম্পকে দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে সালিভান বলেন, ইউক্রেনের যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের উৎপাদন বাড়াতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘একটি পরিপূর্ণ প্রতিরক্ষা শিল্প ভিত্তি গড়ে তোলার জন্য সংঘাত চলাকালে পুনরুৎপাদনের সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ। কেবল যুদ্ধের আগে নয়, বরং যুদ্ধ চলাকালীনও অস্ত্র-সরঞ্জাম তৈরির সক্ষমতা থাকতে হবে।’
সালিভান যুদ্ধ বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত গোলাবারুদ সংগ্রহ ও বিতরণের জন্য বাইডেনের প্রস্তাবিত তহবিলটি চালু রাখতে কংগ্রেস ও ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। বছরে ৫০ কোটি ডলারের এই তহবিল থেকে পেন্টাগনকে প্রতিরক্ষা মজুত পরিপূর্ণ রাখতে এবং যুদ্ধকালীন সময়ে সহায়তা করা হবে।
পরবর্তী প্রশাসনে প্রতিরক্ষা বাজেটের আকার নিয়ে বিতর্ক হতে পারে বলে মনে করেন সালিভান। তিনি বলেন, স্নায়ুযুদ্ধের পরে যুক্তরাষ্ট্র কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি দেখেনি। তাই সামরিক শিল্প ভিত্তি শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা জরুরি।
সালিভান বলেন, ‘প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমাদের উৎপাদন এবং সংগ্রহ বাড়ানোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।’ তিনি উদাহরণ হিসেবে ইউক্রেনের জন্য ১৫৫ মিলিমিটার গোলাবারুদ তৈরির প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, বাইডেন প্রশাসনের মেয়াদ শেষে প্রতি মাসে ৫৫ হাজার গোলাবারুদ উৎপাদন হবে, যা আগের তুলনায় ৪০০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে এই সংখ্যা প্রতি মাসে ১ লাখে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে।
চীন, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া ও ইরানের মতো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ দেশগুলোর বিপরীতে প্রতিরোধ গড়ে তোলারও প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন সালিভান।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে শুরু থেকেই ট্রাম্প ও তাঁর মিত্ররা ইউক্রেনে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের বিরোধিতা করেছেন। তাঁরা রাশিয়ার সঙ্গে দ্রুত সমঝোতার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্পের উপদেষ্টারা, বিশেষ করে নবনির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, মার্কিন প্রতিরক্ষা সম্পদ চীনকে মোকাবিলায় ব্যবহার করা উচিত।

চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক খুব একটা ভালো অবস্থায় নেই। এ পরিস্থিতিতে যেকোনো সময় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সালিভান। এ আশঙ্কায় প্রতিরক্ষা মজুত বাড়ানোর পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
গতকাল বুধবার সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেক সালিভান বলেন, ‘ঈশ্বর না করুন, আমরা চীনের সঙ্গে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ি! চীনের মতো একটি সামরিক শক্তির সঙ্গে যুদ্ধে আমাদের গোলাবারুদের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাবে।’
এএফপির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়।
২০ জানুয়ারি প্রশাসনে বসতে যাওয়া ট্রাম্পকে দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে সালিভান বলেন, ইউক্রেনের যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের উৎপাদন বাড়াতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘একটি পরিপূর্ণ প্রতিরক্ষা শিল্প ভিত্তি গড়ে তোলার জন্য সংঘাত চলাকালে পুনরুৎপাদনের সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ। কেবল যুদ্ধের আগে নয়, বরং যুদ্ধ চলাকালীনও অস্ত্র-সরঞ্জাম তৈরির সক্ষমতা থাকতে হবে।’
সালিভান যুদ্ধ বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত গোলাবারুদ সংগ্রহ ও বিতরণের জন্য বাইডেনের প্রস্তাবিত তহবিলটি চালু রাখতে কংগ্রেস ও ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। বছরে ৫০ কোটি ডলারের এই তহবিল থেকে পেন্টাগনকে প্রতিরক্ষা মজুত পরিপূর্ণ রাখতে এবং যুদ্ধকালীন সময়ে সহায়তা করা হবে।
পরবর্তী প্রশাসনে প্রতিরক্ষা বাজেটের আকার নিয়ে বিতর্ক হতে পারে বলে মনে করেন সালিভান। তিনি বলেন, স্নায়ুযুদ্ধের পরে যুক্তরাষ্ট্র কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি দেখেনি। তাই সামরিক শিল্প ভিত্তি শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা জরুরি।
সালিভান বলেন, ‘প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমাদের উৎপাদন এবং সংগ্রহ বাড়ানোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।’ তিনি উদাহরণ হিসেবে ইউক্রেনের জন্য ১৫৫ মিলিমিটার গোলাবারুদ তৈরির প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, বাইডেন প্রশাসনের মেয়াদ শেষে প্রতি মাসে ৫৫ হাজার গোলাবারুদ উৎপাদন হবে, যা আগের তুলনায় ৪০০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে এই সংখ্যা প্রতি মাসে ১ লাখে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে।
চীন, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া ও ইরানের মতো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ দেশগুলোর বিপরীতে প্রতিরোধ গড়ে তোলারও প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন সালিভান।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে শুরু থেকেই ট্রাম্প ও তাঁর মিত্ররা ইউক্রেনে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের বিরোধিতা করেছেন। তাঁরা রাশিয়ার সঙ্গে দ্রুত সমঝোতার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্পের উপদেষ্টারা, বিশেষ করে নবনির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, মার্কিন প্রতিরক্ষা সম্পদ চীনকে মোকাবিলায় ব্যবহার করা উচিত।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
২ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে