
ইউক্রেনের ভূখণ্ড দখলে রাশিয়ার প্রচেষ্টাকে কখনোই স্বীকৃতি দেবে না যুক্তরাষ্ট্র—এমনটা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া ও খেরসন অঞ্চলকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ‘স্বাধীন’ ঘোষণার আগে এ মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
জো বাইডেন বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই, ইউক্রেনের সার্বভৌম ভূখণ্ডে রাশিয়ার দখলকে কখনোই স্বীকৃতি দেবে না যুক্তরাষ্ট্র।’ একই সঙ্গে রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দেন তিনি।
বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক গণভোটে দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিঝিয়া ও খেরসন রাশিয়ায় যোগ দেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছেন বলে দাবি করছে ক্রেমলিন। এরই মধ্যে জাপোরিঝিয়া ও খেরসনকে স্বাধীন ঘোষণা করেছেন পুতিন। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন ঘোষণা করেন রুশ প্রেসিডেন্ট।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে শেয়ার করা এক নথিতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের দুই অঞ্চলের স্বাধীনতা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী স্বীকৃত এবং ‘জাতিসংঘের সনদে অন্তর্ভুক্ত’ হয়েছে।
তবে শক্তি প্রয়োগের ভিত্তিতে কোনো দেশের ভূখণ্ড দখল করা জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
এদিকে রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিঝিয়া ও খেরসনকে নিজেদের সঙ্গে সংযুক্ত করার ঘোষণা দিতে তৎপর হলেও ইউক্রেন ও পশ্চিমা বিশ্ব এই গণভোটকে প্রত্যাখ্যান করেছে। এর আগে গণভোটের সমালোচনা করে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও ফ্রান্স জানিয়েছি, তারা এ ধরনের ‘ভুয়া’ ব্যালটের ফলাফলকে কখনোই স্বীকৃতি দেবে না। রাশিয়ার এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন বলছে পশ্চিমারা।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
৬ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৮ ঘণ্টা আগে