
গত ৬ অক্টোবর নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন মেক্সিকোর সহিংসতায় জর্জরিত রাজ্য গুয়েরেরোর রাজধানী চিলপানসিঙ্গোর মেয়র। পুরো দেশকে হতবাক করে দেওয়া এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে মঙ্গলবার মেক্সিকোর নিরাপত্তা মন্ত্রী বলেছেন—হত্যার আগে শহরের বাইরের একটি মিটিংয়ে যোগ দিতে মেয়র একাই রওনা হয়েছিলেন।
চিলপানসিঙ্গো শহরের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ছয় দিন পরই গত রোববার হত্যাকাণ্ডের শিকার হন মেক্সিকোর প্রধান বিরোধী জোটের তরুণ রাজনীতিবিদ আলেজান্দ্রো আরকোস। সেদিন হোয়াটসঅ্যাপ এবং মেক্সিকান গণমাধ্যমে প্রচারিত একাধিক ছবিতে একটি পিক-আপ ট্রাকের ওপর একটি বিচ্ছিন্ন মাথা দেখা গেছে। এক দেখায় অনেকেই এটাকে আরকোসের বলেই শনাক্ত করেছে।
গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে মেক্সিকোর নিরাপত্তা মন্ত্রী ওমর গার্সিয়া হারফুচ জানান, দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শিনবাউম সহিংস অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের লক্ষ্যে তাঁর নিরাপত্তা কৌশল উন্মোচন করতে যাচ্ছেন। এর মাত্র কয়েক দিন আগেই মেয়র হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, ঘটনার দিন আরকোস কোনো চালক কিংবা সহচর ছাড়াই নিজের গাড়িতে চড়ে চিলপানসিঙ্গোর নিকটবর্তী শহর পেটাকিলাসের দিকে রওনা হয়েছিলেন।
গার্সিয়া হারফুচ বলেন, ‘আমরা জানি যে, তিনি (আরকোস) একটি নির্দিষ্ট মিটিংয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর সঙ্গে কেউ ছিল না। তিনি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন এবং কয়েক ঘণ্টা পর মেয়রের মৃতদেহ পাওয়া যায়।’
আরকোস কার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন—একজন সাংবাদিক এমন প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বিস্তারিত কিছু জানাতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, ‘এই বিষয়ে অনেক তথ্য রয়েছে, যা তদন্তের স্বার্থে আমাদের অবশ্যই গোপন রাখতে হবে।’
এদিকে ফেডারেল সূত্রের বরাত দিয়ে মেক্সিকান সংবাদপত্র রিফর্মা জানিয়েছে, আরকোস তাঁর মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে গুয়েরেরো রাজ্যে সক্রিয় একটি অপরাধী গোষ্ঠী লস আর্ডিলোসের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন।
গত সোমবার (৭ অক্টোবর) আরকোসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাঁর কফিন নিয়ে যাওয়ার সময় শোকার্ত অসংখ্য মানুষ শহরের রাস্তায় সারিবদ্ধ হয়েছিলেন এবং কফিনটির দিকে গোলাপের পাপড়ি নিক্ষেপ করেছিলেন।
শিরশ্ছেদের মতো ভয়ংকর হত্যাকাণ্ড অতীতেও চিলপানসিঙ্গো সহ গুয়েরেরো রাজ্যে অহরহই ঘটেছে। আরকোসের মৃত্যুর মাত্র তিন দিন আগেই ২ লাখ ৮০ হাজার জনসংখ্যার চিলপানসিঙ্গো শহরেরই নতুন সিটি সরকারের সেক্রেটারি ফ্রান্সিসকো তাপিয়াকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ধরনের হত্যাকাণ্ডকে মাদক নিয়ন্ত্রণকারী কার্টেলগুলো হুমকি এবং বার্তা হিসেবে ব্যবহার করে।

গত ৬ অক্টোবর নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন মেক্সিকোর সহিংসতায় জর্জরিত রাজ্য গুয়েরেরোর রাজধানী চিলপানসিঙ্গোর মেয়র। পুরো দেশকে হতবাক করে দেওয়া এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে মঙ্গলবার মেক্সিকোর নিরাপত্তা মন্ত্রী বলেছেন—হত্যার আগে শহরের বাইরের একটি মিটিংয়ে যোগ দিতে মেয়র একাই রওনা হয়েছিলেন।
চিলপানসিঙ্গো শহরের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ছয় দিন পরই গত রোববার হত্যাকাণ্ডের শিকার হন মেক্সিকোর প্রধান বিরোধী জোটের তরুণ রাজনীতিবিদ আলেজান্দ্রো আরকোস। সেদিন হোয়াটসঅ্যাপ এবং মেক্সিকান গণমাধ্যমে প্রচারিত একাধিক ছবিতে একটি পিক-আপ ট্রাকের ওপর একটি বিচ্ছিন্ন মাথা দেখা গেছে। এক দেখায় অনেকেই এটাকে আরকোসের বলেই শনাক্ত করেছে।
গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে মেক্সিকোর নিরাপত্তা মন্ত্রী ওমর গার্সিয়া হারফুচ জানান, দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শিনবাউম সহিংস অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের লক্ষ্যে তাঁর নিরাপত্তা কৌশল উন্মোচন করতে যাচ্ছেন। এর মাত্র কয়েক দিন আগেই মেয়র হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, ঘটনার দিন আরকোস কোনো চালক কিংবা সহচর ছাড়াই নিজের গাড়িতে চড়ে চিলপানসিঙ্গোর নিকটবর্তী শহর পেটাকিলাসের দিকে রওনা হয়েছিলেন।
গার্সিয়া হারফুচ বলেন, ‘আমরা জানি যে, তিনি (আরকোস) একটি নির্দিষ্ট মিটিংয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর সঙ্গে কেউ ছিল না। তিনি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন এবং কয়েক ঘণ্টা পর মেয়রের মৃতদেহ পাওয়া যায়।’
আরকোস কার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন—একজন সাংবাদিক এমন প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বিস্তারিত কিছু জানাতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, ‘এই বিষয়ে অনেক তথ্য রয়েছে, যা তদন্তের স্বার্থে আমাদের অবশ্যই গোপন রাখতে হবে।’
এদিকে ফেডারেল সূত্রের বরাত দিয়ে মেক্সিকান সংবাদপত্র রিফর্মা জানিয়েছে, আরকোস তাঁর মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে গুয়েরেরো রাজ্যে সক্রিয় একটি অপরাধী গোষ্ঠী লস আর্ডিলোসের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন।
গত সোমবার (৭ অক্টোবর) আরকোসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাঁর কফিন নিয়ে যাওয়ার সময় শোকার্ত অসংখ্য মানুষ শহরের রাস্তায় সারিবদ্ধ হয়েছিলেন এবং কফিনটির দিকে গোলাপের পাপড়ি নিক্ষেপ করেছিলেন।
শিরশ্ছেদের মতো ভয়ংকর হত্যাকাণ্ড অতীতেও চিলপানসিঙ্গো সহ গুয়েরেরো রাজ্যে অহরহই ঘটেছে। আরকোসের মৃত্যুর মাত্র তিন দিন আগেই ২ লাখ ৮০ হাজার জনসংখ্যার চিলপানসিঙ্গো শহরেরই নতুন সিটি সরকারের সেক্রেটারি ফ্রান্সিসকো তাপিয়াকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ধরনের হত্যাকাণ্ডকে মাদক নিয়ন্ত্রণকারী কার্টেলগুলো হুমকি এবং বার্তা হিসেবে ব্যবহার করে।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৭ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৭ ঘণ্টা আগে