
যুক্তরাষ্ট্রের নভেম্বরের নির্বাচন হবে নতুন প্রেসিডেন্ট বেছে নিতে। চার বছর পরপর যা দেখা যায়, এবারও তা-ই হবে। তবে দেশটির ১০ অঙ্গরাজ্যে এই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পাশাপাশি গর্ভপাত ইস্যুতেও ভোট হবে। জনগণই তাঁদের ভোটের মাধ্যমে ঠিক করে দেবেন, এসব অঙ্গরাজ্যে একজন নারীর গর্ভে ভ্রূণ আসার পার কতদিন পর্যন্ত গর্ভপাত করতে পারবেন।
গর্ভপাতের অধিকার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। ২০২২ সালে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট ৫০ বছর আগের একটি রায় বাতিল করে দেন। ওই রায়ে বলা হয়েছে, গর্ভপাতের আইন কী হবে তা ঠিক করবে অঙ্গরাজ্যগুলো। এই রায়ের আলোকেই নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটের পাশাপাশি মনটানা, অ্যারিজোনা, মিজৌরি, নেব্রাস্কা, কলোরাডো, ফ্লোরিডা, মেরিল্যান্ড, নেভাদা, নিউইয়র্ক ও সাউথ ডাকোটায় গর্ভপাতের অধিকার নিয়ে ভোট হবে।
নারীর স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বৈধ গর্ভপাতের সময় নির্ধারণ রয়েছে আগে থেকেই। সে সময় কমানো-বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে ব্যালটে। যেমন অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের কথা বলা যেতে পারে। সেখানে ১৫ সপ্তাহের ভ্রূণের গর্ভপাত বৈধ। তবে ধর্ষণের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। কোনো ধর্ষিত নারী যেকোনো সময় গর্ভপাত করতে পারেন। এবার ভোট হচ্ছে, বৈধ গর্ভপাত ইস্যুতে। ২৪ সপ্তাহ পর্যন্ত কোনো নারী গর্ভপাত করবেন কি না, সে ইস্যুতে ভোট হবে।
ফ্লোরিডার আইনটি একটু ভিন্ন। এই অঙ্গরাজ্যের আইন অনুসারে, ছয় সপ্তাহের মধ্যে একজন নারী গর্ভপাত করতে পারবেন। তবে এর আগে তাঁকে দুবার হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসককে দেখাতে হবে। আর ছয় সপ্তাহের পর কেউ গর্ভপাত করতে চাইলে, এটি নিশ্চিত করতে হবে, ওই নারীর স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। এ ছাড়া ধর্ষণের ক্ষেত্রে এ সুযোগ ১৫ সপ্তাহ পর্যন্ত। অঙ্গরাজ্যের সংবিধানে এই অধিকার থাকবে, নাকি আইন বদলাতে হবে—সে ইস্যুতে এবার ভোট হবে ফ্লোরিডায়।
ধারণা করা হচ্ছে, এবারের প্রেসিডেন্ট ভোটে গর্ভপাত ইস্যু একটি বড় প্রভাব ফেলবে। কারণ রিপাবলিকান পার্টি এই গর্ভপাতের অধিকারের ব্যাপারে যথেষ্ট নেতিবাচক। আর ডেমোক্রেটিক পার্টি আশা করছে, নাগরিকেরা এখন গর্ভপাতের অধিকার চায়। তাই গর্ভপাতের পক্ষে এবং তাঁদের প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেবে জনগণ।

যুক্তরাষ্ট্রের নভেম্বরের নির্বাচন হবে নতুন প্রেসিডেন্ট বেছে নিতে। চার বছর পরপর যা দেখা যায়, এবারও তা-ই হবে। তবে দেশটির ১০ অঙ্গরাজ্যে এই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পাশাপাশি গর্ভপাত ইস্যুতেও ভোট হবে। জনগণই তাঁদের ভোটের মাধ্যমে ঠিক করে দেবেন, এসব অঙ্গরাজ্যে একজন নারীর গর্ভে ভ্রূণ আসার পার কতদিন পর্যন্ত গর্ভপাত করতে পারবেন।
গর্ভপাতের অধিকার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। ২০২২ সালে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট ৫০ বছর আগের একটি রায় বাতিল করে দেন। ওই রায়ে বলা হয়েছে, গর্ভপাতের আইন কী হবে তা ঠিক করবে অঙ্গরাজ্যগুলো। এই রায়ের আলোকেই নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটের পাশাপাশি মনটানা, অ্যারিজোনা, মিজৌরি, নেব্রাস্কা, কলোরাডো, ফ্লোরিডা, মেরিল্যান্ড, নেভাদা, নিউইয়র্ক ও সাউথ ডাকোটায় গর্ভপাতের অধিকার নিয়ে ভোট হবে।
নারীর স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বৈধ গর্ভপাতের সময় নির্ধারণ রয়েছে আগে থেকেই। সে সময় কমানো-বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে ব্যালটে। যেমন অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের কথা বলা যেতে পারে। সেখানে ১৫ সপ্তাহের ভ্রূণের গর্ভপাত বৈধ। তবে ধর্ষণের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। কোনো ধর্ষিত নারী যেকোনো সময় গর্ভপাত করতে পারেন। এবার ভোট হচ্ছে, বৈধ গর্ভপাত ইস্যুতে। ২৪ সপ্তাহ পর্যন্ত কোনো নারী গর্ভপাত করবেন কি না, সে ইস্যুতে ভোট হবে।
ফ্লোরিডার আইনটি একটু ভিন্ন। এই অঙ্গরাজ্যের আইন অনুসারে, ছয় সপ্তাহের মধ্যে একজন নারী গর্ভপাত করতে পারবেন। তবে এর আগে তাঁকে দুবার হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসককে দেখাতে হবে। আর ছয় সপ্তাহের পর কেউ গর্ভপাত করতে চাইলে, এটি নিশ্চিত করতে হবে, ওই নারীর স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। এ ছাড়া ধর্ষণের ক্ষেত্রে এ সুযোগ ১৫ সপ্তাহ পর্যন্ত। অঙ্গরাজ্যের সংবিধানে এই অধিকার থাকবে, নাকি আইন বদলাতে হবে—সে ইস্যুতে এবার ভোট হবে ফ্লোরিডায়।
ধারণা করা হচ্ছে, এবারের প্রেসিডেন্ট ভোটে গর্ভপাত ইস্যু একটি বড় প্রভাব ফেলবে। কারণ রিপাবলিকান পার্টি এই গর্ভপাতের অধিকারের ব্যাপারে যথেষ্ট নেতিবাচক। আর ডেমোক্রেটিক পার্টি আশা করছে, নাগরিকেরা এখন গর্ভপাতের অধিকার চায়। তাই গর্ভপাতের পক্ষে এবং তাঁদের প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেবে জনগণ।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
১ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৩ ঘণ্টা আগে