
পাকিস্তানে যাত্রীবাহী একটি বাসে অজ্ঞাত বন্দুকধারীর গুলিতে অন্তত ৩৮ জন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া, এই ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ২৯ জন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের খুররম এ ঘটনা ঘটে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মুখ্য সচিব নাদিম আসলাম চৌধুরী রয়টার্সকে জানান, নিহতদের মধ্যে একজন নারী ও এক শিশু আছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী অধ্যুষিত খুররম জেলার এই ঘটনাকে ‘খুবই দুঃখজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন নাদিম আসলাম চৌধুরী।
আফগানিস্তানের সীমান্তসংলগ্ন অঞ্চলে অবস্থিত খুররম জেলা। এই অঞ্চলে বিগত কয়েক দশক ধরেই সশস্ত্র শিয়া ও সুন্নি মুসলমানদের মধ্যে ভূমি নিয়ে বিরোধ চলছে।
খুররম জেলার প্রধান শহর পারাচিনারের বাসিন্দা জিয়ারত হুসেন টেলিফোনে রয়টার্সকে বলেন, ‘সেখানে দুটি যাত্রীবাহী বাস ছিল। একটি পেশোয়ার থেকে পারাচিনার ও অন্যটি পারাচিনার থেকে পেশোয়ারের দিকে যাচ্ছিল। এমন সময়ে সশস্ত্র বন্দুকধারীরা তাদের ওপর গুলি চালায়।’ পেশোয়ার থেকে যাওয়া পারাচিনারের গাড়িতে তাঁর স্বজন ছিল বলে জানান জিয়ারাত হুসেন।
এই ঘটনার পর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি শোক প্রকাশ করে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাসে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

ট্রুথ সোশ্যালে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের সময় শেষ হয়ে আসছে। তাদের খুব দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, তা না হলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। এখন প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত মূল্যবান!’
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি এবং পারমাণবিক বিকিরণের (রেডিওলজিক্যাল সেফটি) কোনো ঝুঁকি তৈরি হয়নি। আবুধাবি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, জেনারেটরের আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সমস্ত ইউনিট বর্তমানে সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবে সচল রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে চলমান অস্থিরতা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি ও বাণিজ্য ব্যবস্থাকে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে তেল পরিবহন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আজ রোববার সন্ধ্যায় দেশটির তুমাইর ও সুদাইর পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চাঁদ দেখা যায়। ফলে আগামীকাল সোমবার (১৮ মে) থেকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে।
৩ ঘণ্টা আগে