আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বৈশ্বিক রেটিং এজেন্সি মুডিস বলছে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা পাকিস্তানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব ফেলবে। আজ সোমবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এজেন্সিটি।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন মুডিসের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ‘ভারতের সঙ্গে ধারাবাহিক উত্তেজনা বৃদ্ধি সম্ভবত পাকিস্তানের প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব ফেলবে এবং সরকারের চলমান রাজস্ব একত্রীকরণকে ব্যাহত করবে, যা সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনে পাকিস্তানের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করবে।’
পাকিস্তানের অর্থনৈতিক গতিপথ সম্পর্কে মুডিস বলছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রোগ্রামে ‘ধারাবাহিক অগ্রগতির’ মধ্যে দেশটির সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকগুলো উন্নত হচ্ছিল, প্রবৃদ্ধি ধীরে ধীরে বাড়ছিল, মুদ্রাস্ফীতির চাপ কমছিল এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছিল। তবে মুডিস উল্লেখ করেছে, উত্তেজনার ধারাবাহিক বৃদ্ধি বহির্বিশ্ব থেকে পাকিস্তানে বিনিয়োগের বিষয়টিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এর ফলে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি হবে, যা আগামী কয়েক বছরের জন্য বিদেশি ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে যে বিপুল অর্থের প্রয়োজন, সে চাহিদা মেটাতে ব্যর্থ হবে।
মুডিস আরও বলেছে, সম্প্রতি ভারত ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হয়েছে। খোদ পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এক বিবৃতিতে এই কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আশঙ্কা করছি, ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যেকোনো মুহূর্তে সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে।’ মুডিস এই বিষয়কে সূত্র ধরে বলেছে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক এতটাই তলানিতে পৌঁছেছে যে ভারত ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানিচুক্তি স্থগিত করতেও পিছপা হয়নি। এর ফলে পাকিস্তানে পানির সরবরাহ মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে।
অন্যদিকে এই পরিস্থিতিতে ভারতের সামষ্টিক অর্থনীতি স্থিতিশীল থাকবে বলে মনে করছে মুডিস। এজেন্সিটি বলছে, ‘সীমান্তে ধারাবাহিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পরিস্থিতিতেও আমরা ভারতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের বিঘ্ন আশা করি না। কারণ পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের তেমন কোনো অর্থনৈতিক সম্পর্ক নেই।’ মুডিস আরও বলেছে, ২০২৪ সালে ভারতের মোট রপ্তানির মাত্র ০.৫ শতাংশেরও কম ছিল পাকিস্তানে।
তবে মুডিস জোর দিয়ে বলেছে, উচ্চ প্রতিরক্ষা ব্যয় ভারতের রাজস্ব শক্তির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং এর রাজস্ব একত্রীকরণকে ধীর করতে পারে। এ ছাড়া এই ‘ধারাবাহিক উত্তেজনা’ ভারতের ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ফলে কখনো কখনো ‘সীমিত সামরিক পদক্ষেপ’ নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে, যা দেশটির সীমান্তে অস্থিরতা বাড়াবে।
মুডিসের আশঙ্কা, প্রতিবেশী এই দুটি দেশ স্বাধীনতার পর থেকে এমন একাধিক উত্তেজনায় জড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের ঘটনা ঘটবে। তবে এটি ‘ব্যাপক সামরিক সংঘাতে’ পরিণত হবে না।
প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে ভয়াবহ এক হামলায় ২৬ জন নিহত হন, যাঁদের বেশির ভাগই ছিলেন পর্যটক। ২০০০ সালের পর ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে এটি ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাগুলোর একটি। ভারত এই হামলার জন্য কোনো প্রমাণ ছাড়াই পাকিস্তানকে দায়ী করে। তবে ইসলামাবাদ এমন অভিযোগ অস্বীকার করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।
এ ঘটনার পর থেকে পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তান সম্ভাব্য আগ্রাসনের আশঙ্কায় সীমান্তে সেনা মোতায়েন জোরদার করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীও সেনাবাহিনীকে ‘অপারেশনাল ফ্রিডম’ দিয়েছেন। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের ‘তাৎক্ষণিক জবাব দিতে তারা প্রস্তুত’।

বৈশ্বিক রেটিং এজেন্সি মুডিস বলছে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা পাকিস্তানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব ফেলবে। আজ সোমবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এজেন্সিটি।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন মুডিসের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ‘ভারতের সঙ্গে ধারাবাহিক উত্তেজনা বৃদ্ধি সম্ভবত পাকিস্তানের প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব ফেলবে এবং সরকারের চলমান রাজস্ব একত্রীকরণকে ব্যাহত করবে, যা সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনে পাকিস্তানের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করবে।’
পাকিস্তানের অর্থনৈতিক গতিপথ সম্পর্কে মুডিস বলছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রোগ্রামে ‘ধারাবাহিক অগ্রগতির’ মধ্যে দেশটির সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকগুলো উন্নত হচ্ছিল, প্রবৃদ্ধি ধীরে ধীরে বাড়ছিল, মুদ্রাস্ফীতির চাপ কমছিল এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছিল। তবে মুডিস উল্লেখ করেছে, উত্তেজনার ধারাবাহিক বৃদ্ধি বহির্বিশ্ব থেকে পাকিস্তানে বিনিয়োগের বিষয়টিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এর ফলে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি হবে, যা আগামী কয়েক বছরের জন্য বিদেশি ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে যে বিপুল অর্থের প্রয়োজন, সে চাহিদা মেটাতে ব্যর্থ হবে।
মুডিস আরও বলেছে, সম্প্রতি ভারত ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হয়েছে। খোদ পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এক বিবৃতিতে এই কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আশঙ্কা করছি, ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যেকোনো মুহূর্তে সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে।’ মুডিস এই বিষয়কে সূত্র ধরে বলেছে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক এতটাই তলানিতে পৌঁছেছে যে ভারত ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানিচুক্তি স্থগিত করতেও পিছপা হয়নি। এর ফলে পাকিস্তানে পানির সরবরাহ মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে।
অন্যদিকে এই পরিস্থিতিতে ভারতের সামষ্টিক অর্থনীতি স্থিতিশীল থাকবে বলে মনে করছে মুডিস। এজেন্সিটি বলছে, ‘সীমান্তে ধারাবাহিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পরিস্থিতিতেও আমরা ভারতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের বিঘ্ন আশা করি না। কারণ পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের তেমন কোনো অর্থনৈতিক সম্পর্ক নেই।’ মুডিস আরও বলেছে, ২০২৪ সালে ভারতের মোট রপ্তানির মাত্র ০.৫ শতাংশেরও কম ছিল পাকিস্তানে।
তবে মুডিস জোর দিয়ে বলেছে, উচ্চ প্রতিরক্ষা ব্যয় ভারতের রাজস্ব শক্তির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং এর রাজস্ব একত্রীকরণকে ধীর করতে পারে। এ ছাড়া এই ‘ধারাবাহিক উত্তেজনা’ ভারতের ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ফলে কখনো কখনো ‘সীমিত সামরিক পদক্ষেপ’ নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে, যা দেশটির সীমান্তে অস্থিরতা বাড়াবে।
মুডিসের আশঙ্কা, প্রতিবেশী এই দুটি দেশ স্বাধীনতার পর থেকে এমন একাধিক উত্তেজনায় জড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের ঘটনা ঘটবে। তবে এটি ‘ব্যাপক সামরিক সংঘাতে’ পরিণত হবে না।
প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে ভয়াবহ এক হামলায় ২৬ জন নিহত হন, যাঁদের বেশির ভাগই ছিলেন পর্যটক। ২০০০ সালের পর ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে এটি ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাগুলোর একটি। ভারত এই হামলার জন্য কোনো প্রমাণ ছাড়াই পাকিস্তানকে দায়ী করে। তবে ইসলামাবাদ এমন অভিযোগ অস্বীকার করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।
এ ঘটনার পর থেকে পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তান সম্ভাব্য আগ্রাসনের আশঙ্কায় সীমান্তে সেনা মোতায়েন জোরদার করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীও সেনাবাহিনীকে ‘অপারেশনাল ফ্রিডম’ দিয়েছেন। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের ‘তাৎক্ষণিক জবাব দিতে তারা প্রস্তুত’।

ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো হোয়াইট হাউসে বৈঠকের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ট্রাম্প কী ভূমিকা নেবেন, সে বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হিসেবেই মাচাদোর...
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
৩ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
৪ ঘণ্টা আগে