
ইরান দাবি করেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এর ফলে মার্কিন নৌবহরটি অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও বার্তা সংস্থা ইরনা-এর খবরে বলা হয়, ইরানি নৌবাহিনী উপকূলভিত্তিক ‘কাদার’ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এই হামলা চালায়। নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি জানান, মার্কিন রণতরীর গতিবিধি নিয়মিত নজরদারিতে রাখা হচ্ছে এবং তা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লায় এলে আরও শক্তিশালী হামলা চালানো হবে।
তবে এই হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে এখন পর্যন্ত ১,৩০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিও রয়েছেন।
প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলসহ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে। এতে হতাহতের পাশাপাশি অবকাঠামোগত ক্ষতি এবং বৈশ্বিক বাজার ও বিমান চলাচলেও প্রভাব পড়েছে।
পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে এবং নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

ইয়েমেন উপকূলের কাছে লোহিত সাগরে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজ ক্ষেপণাস্ত্র বা অন্য কোনো বস্তুর আঘাতে ডুবে গেছে। জাহাজটিতে থাকা ১৩ ভারতীয় নাগরিকসহ মোট ১৪ জন নাবিককে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে চলতি বছরে ভারতীয় নাবিকদের জন্য তৃতীয় একটি সামুদ্রিক ফ্রন্টে সরাসরি বিপদের সৃষ্টি হলো। এর আগে হরমু
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় গতকাল মঙ্গলবার একই গোত্রের ১১২ সদস্যকে দাফন করা হয়েছে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে ইসরায়েলের গণহত্যামূলক হামলায় তারা নিহত হয়েছিলেন। গত মাসে ধ্বংসস্তূ থেকে তাদের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। গাজা সিটির আবু শারিয়া ও আল-হাসায়না গোত্রের লোকজন প্রয়াত স্বজনদের শেষ বিদায় জানাতে জড়ো হন।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে ৫ মাস ধরে চলা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী তাদের বিশ্বব্যাপী মজুত থাকা অত্যন্ত নির্ভুল দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের বড় একটি অংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। এ বিষয়ে তথ্য জানা তিনজন ব্যক্তি এ কথা জানিয়েছেন। এর ফলে ভবিষ্যতে অন্য কোনো সংঘাত শুরু হলে মার্কিন সামরিক বাহিনী কতটা প্রস্তুত থাকবে...
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী তাদের গুরুত্বপূর্ণ মিসাইল ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী অস্ত্রের মজুতের প্রায় ৮০ শতাংশ এবং প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় অর্ধেক ব্যবহার করে ফেলেছে। গতকাল মঙ্গলবার সিএনএন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে