
ইরান-ইসরায়েল সংঘাত ঘিরে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ যখন চরমে, তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, ‘এখন সংঘাত আরও ঘনীভূত হওয়ার বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে। সব পক্ষকে কূটনৈতিক সমাধানের পথ বেছে নিতে হবে।’
স্টারমার আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইতিমধ্যে কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে এবং সেই ধারাবাহিকতায় কূটনীতি হচ্ছে সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত পথ। এই সমস্যার সমাধানে কূটনীতিই সেরা উপায় বলে জানান তিনি।
এরই মধ্যে ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি ওয়াশিংটনে অবস্থান করছেন। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করবেন।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, ব্রিটেনের এই উদ্যোগ ইঙ্গিত দিচ্ছে—যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নেয়, তাহলে তা ট্রান্সআটলান্টিক মিত্রদের মধ্যে মতানৈক্য সৃষ্টি করতে পারে। যুক্তরাজ্য প্রকাশ্যে সংঘাত এড়ানোর পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে আগামী ৪৮ ঘণ্টা কূটনৈতিক যোগাযোগ ও বড় পরাশক্তিগুলোর অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর সপ্তাহখানেক পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিধর দেশ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নিঃসন্দেহে ট্রাম্পের ক্ষমতা বেশি, কিন্তু দ্ব্যর্থহীনভাবে মার্কিন জয় ঘোষণা করতে তাঁকে যে পরিমাণ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষতি মেনে নিতে হবে, সেটা আবার খুব একটা সুখকর...
৩ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলি পার্লামেন্ট ‘নেসেট’ একটি বিতর্কিত মৃত্যুদণ্ড আইন অনুমোদন করেছে। গত সোমবার পাস হওয়া ওই আইনের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে মৃত্যুদণ্ডকে স্বয়ংক্রিয় সাজা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালিসহ ইউরোপীয় দেশগুলো...
৩ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের অবস্থান আবারও স্পষ্ট করলেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ইরান কোনো সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয়; বরং পুরো যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তিই তাদের লক্ষ্য।
৪ ঘণ্টা আগে
এপ্রিল মাসের প্রথম দিনটি বিশ্বজুড়ে ‘এপ্রিল ফুলস ডে’ হিসেবে পরিচিত। এ দিনে অনেকেই কাছের বা পরিচিত মানুষকে বোকা বানিয়ে মজা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু এপ্রিলের প্রথম দিনটি কীভাবে বোকা বানানোর দিন হলো? এ নিয়ে মার্কিন সাময়িকী ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে