
ইরাকের মরুভূমি আর আফগানিস্তানের পাহাড় যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীকে শিখিয়েছিল, আপনার সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, অস্ত্র থাকতে পারে, কিন্তু যুদ্ধে শেষ কথাটা প্রকৃতপক্ষে ভূগোলই বলে। বহু বছর পর ইরানের উপকূলঘেঁষা জলরাশিও এখন সেই একই পাঠ দিচ্ছে।

ইরান হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করার পর ভয়াবহ উৎপাদন সংকটে পড়া ইরাক অবশেষে বিকল্প পথে তেল রপ্তানির বিষয়ে একটি যুগান্তকারী চুক্তিতে পৌঁছেছে। তুরস্কের সেহান টার্মিনালের মাধ্যমে পুনরায় তেল রপ্তানি শুরু করার বিষয়ে বাগদাদ এবং আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলের (ইরবিল) মধ্যে এই সমঝোতা হয়েছে।

ইরাকের ফেডারেল বা কেন্দ্রীয় সরকার কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারকে (কেআরজি) কুর্দি গোষ্ঠীগুলোকে ইরান যুদ্ধে জড়িত হতে না দেওয়ার জন্য সতর্ক করেছে। কুর্দি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে যে, কুর্দি প্রাদেশিক সরকার যদি এটি ঠেকাতে ব্যর্থ হয়, তবে ইরাকি বাহিনী সীমান্ত এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে অগ্রসর হতে পারে।

বিশ্বজুড়ে সৌদি তেলের ক্রেতাদের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, তারা লোহিত সাগর থেকে তেল পেতে পারেন, আবার পারস্য উপসাগর থেকেও পেতে পারেন। এই অনিশ্চয়তা দেখে সৌদির এক নিয়মিত তেল ক্রেতা মন্তব্য করেছেন, ‘এই যুদ্ধ কবে শেষ হবে আর আমি কবে তেল পাব, তা জানতে এখন আমাকে ইরানে ফোন করলেই বোধ হয় ভালো হবে।’