
ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে রকেট হামলায় এক নারী নিহত এবং আরও অনেকে আহত হওয়ার পর লেবাননে ‘ব্যাপক হামলা’ শুরু করেছে ইসরায়েল। বিমান হামলায় লেবাননের বহু গ্রামে আগুন জ্বলছে বলে জানিয়েছে লেবাননের সংবাদমাধ্যমগুলো।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, ইসরায়েলে হামলায় হিজবুল্লাহ জড়িত বলে ধারণা করা হলেও স্বীকার করেনি গোষ্ঠীটি।
গত ৭ অক্টোবর হামাস–ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু পর থেকেই ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েল—দুপক্ষের মধ্যে নিয়মিত গোলাগুলি চলছে।
আজ বুধবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা দলের মুখপাত্র দানিয়েল হাগারি এক্স প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করে বলেন, ‘যুদ্ধবিমান লেবাননের ভূখণ্ডে ব্যাপক হামলা শুরু করেছে।’
হাগারি বলেন, আইডিএফ আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাদের সর্বশেষ বিমান হামলা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানাবে।
আইডিএফ বলছে, লেবাননের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় সাফেদ এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ড সেন্টার লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়।
একটি ভিডিওতে ইসরায়েলের হাসপাতালের গেটের কাছেই একটি রকেট আঘাত করতে দেখা যায়।
এক বিবৃতিতে আইডিএফ বলে, কিছুক্ষণ আগে আইডিএফের জঙ্গি বিমানগুলো জাবাল এল ব্রাইজ, হাউনেহ, দুনিন, আদচিত ও সৌয়ানেহ এলাকায় হিজবুল্লাহর বেশ কয়েকটি সশস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে ছিল সামরিক কম্পাউন্ড, অপারেশনাল কন্ট্রোল রুম এবং হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের ব্যবহৃত অবকাঠামো। এর মধ্যে কয়েকটি লক্ষ্যবস্তু ছিল রেদোয়ান বাহিনীর।
এর আগে দুটি নিরাপত্তা সূত্র বিবিসিকে জানায়, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের একটি গ্রামে ইসরায়েলি হামলায় এক নারী ও দুই শিশু নিহত হয়েছে।
শিয়া মুসলিমদের সংগঠন হিজবুল্লাহ বিশ্বের অন্যতম অ–রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র সামরিক বাহিনীর একটি। ১৯৮০–এর দশকের গোড়ার দিকে এই অঞ্চলের সবচেয়ে প্রভাবশালী শিয়া রাষ্ট্র ইরান এই গোষ্ঠীকে সামরিক সহায়তা দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে রকেট হামলায় এক নারী নিহত এবং আরও অনেকে আহত হওয়ার পর লেবাননে ‘ব্যাপক হামলা’ শুরু করেছে ইসরায়েল। বিমান হামলায় লেবাননের বহু গ্রামে আগুন জ্বলছে বলে জানিয়েছে লেবাননের সংবাদমাধ্যমগুলো।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, ইসরায়েলে হামলায় হিজবুল্লাহ জড়িত বলে ধারণা করা হলেও স্বীকার করেনি গোষ্ঠীটি।
গত ৭ অক্টোবর হামাস–ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু পর থেকেই ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েল—দুপক্ষের মধ্যে নিয়মিত গোলাগুলি চলছে।
আজ বুধবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা দলের মুখপাত্র দানিয়েল হাগারি এক্স প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করে বলেন, ‘যুদ্ধবিমান লেবাননের ভূখণ্ডে ব্যাপক হামলা শুরু করেছে।’
হাগারি বলেন, আইডিএফ আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাদের সর্বশেষ বিমান হামলা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানাবে।
আইডিএফ বলছে, লেবাননের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় সাফেদ এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ড সেন্টার লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়।
একটি ভিডিওতে ইসরায়েলের হাসপাতালের গেটের কাছেই একটি রকেট আঘাত করতে দেখা যায়।
এক বিবৃতিতে আইডিএফ বলে, কিছুক্ষণ আগে আইডিএফের জঙ্গি বিমানগুলো জাবাল এল ব্রাইজ, হাউনেহ, দুনিন, আদচিত ও সৌয়ানেহ এলাকায় হিজবুল্লাহর বেশ কয়েকটি সশস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে ছিল সামরিক কম্পাউন্ড, অপারেশনাল কন্ট্রোল রুম এবং হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের ব্যবহৃত অবকাঠামো। এর মধ্যে কয়েকটি লক্ষ্যবস্তু ছিল রেদোয়ান বাহিনীর।
এর আগে দুটি নিরাপত্তা সূত্র বিবিসিকে জানায়, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের একটি গ্রামে ইসরায়েলি হামলায় এক নারী ও দুই শিশু নিহত হয়েছে।
শিয়া মুসলিমদের সংগঠন হিজবুল্লাহ বিশ্বের অন্যতম অ–রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র সামরিক বাহিনীর একটি। ১৯৮০–এর দশকের গোড়ার দিকে এই অঞ্চলের সবচেয়ে প্রভাবশালী শিয়া রাষ্ট্র ইরান এই গোষ্ঠীকে সামরিক সহায়তা দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৫ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৮ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৯ ঘণ্টা আগে