
গাজায় ইসরায়েলের হামলায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য হামাসপ্রধান ইসমাইল হানিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কাতার পৌঁছেছেন রেডক্রসের প্রেসিডেন্ট। গতকাল সোমবার রেডক্রস এক বিবৃতিতে এ তথ্য দিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রস (আইসিআরসি) প্রেসিডেন্ট মিরজানা স্পোলজারিক পৃথক বৈঠকে হামাসপ্রধান হানিয়া ও কাতার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলার সময় হামাস বাহিনী ২৪০ ব্যক্তিকে জিম্মি করে। তাঁদের কয়েকজনকে মুক্তি দিতে চুক্তি স্বাক্ষরের চেষ্টা করছে মধ্যস্থতাকারীরা। এ সময় রেডক্রসপ্রধানের সাক্ষাতের ঘোষণা আসে।
ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ বলছে, হামাসের হামলায় প্রায় ১২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিল বেসামরিক নাগরিক। এর প্রতিক্রিয়ায় গাজায় বর্বরোচিত বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এ হামলায় মৃতের সংখ্যা ১৩ হাজার ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে জানায় গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু।
আইসিআরসি জোর দিয়ে বলছে, স্পোলজারিকের এই সফর ‘আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়ানোর জন্য সমস্ত পক্ষের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা’ করার প্রচেষ্টার অংশ।
বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তিনি গাজায় আটক জিম্মিদের পরিবারের পাশাপাশি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গেও একাধিকবার বৈঠক করেছেন।
জেনেভাভিত্তিক সংস্থাটি জানায়, এটি ‘সংঘাতের সমস্ত ক্ষতিগ্রস্তকে জরুরি সুরক্ষার জন্য এবং গাজা উপত্যকায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতি দূরীকরণের জন্য আবেদন অব্যাহত রেখেছে।’
সংস্থাটি আরও বলে, ‘গাজায় আইসিআরসি কর্মীরা জীবন রক্ষায় সহায়তা দিচ্ছে এবং আইসিআরসি একদল চিকিৎসক আহতদের অস্ত্রোপচার চালিয়ে যাচ্ছে। এটি গাজায় টেকসই, নিরাপদ মানবিক প্রবেশাধিকারের আহ্বান জানাচ্ছে, যেন সংস্থাটি তার কাজ বাড়াতে পারে।’
সংস্থাটি জোর দিয়ে বলেছে, জিম্মিদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে তারা ক্রমাগত আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আইসিআরসির দাবি আমাদের দলকে যেন জিম্মিদের সুস্থতা যাচাই এবং ওষুধ সরবরাহের সুযোগ দেওয়া হয়। এ ছাড়া জিম্মিরা যেন তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে সে সুযোগ দেওয়া হয়।’
‘এ কাজ নিরাপদে সম্পন্ন করার জন্য চুক্তিতে আসা উচিত। আইসিআরসি জোর করে জিম্মিদের কাছে পৌঁছাতে পারবে না এবং আমরা তাদের অবস্থানও জানি না।’
এর আগে পৃথকভাবে দুই জিম্মির মুক্তিতে সহায়তা করেছে আইসিআরসি। তাদের দাবি, জিম্মিদের মুক্তিবিষয়ক আলোচনায় সংস্থাটি অংশগ্রহণ করে না।
তবে সংস্থাটি বলছে, ‘একটি নিরপেক্ষ মানবিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভবিষ্যতে আমরা সংঘাতের যেকোনো পক্ষের সম্মত হওয়া যেকোনো মুক্তিতে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছি।’

গাজায় ইসরায়েলের হামলায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য হামাসপ্রধান ইসমাইল হানিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কাতার পৌঁছেছেন রেডক্রসের প্রেসিডেন্ট। গতকাল সোমবার রেডক্রস এক বিবৃতিতে এ তথ্য দিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রস (আইসিআরসি) প্রেসিডেন্ট মিরজানা স্পোলজারিক পৃথক বৈঠকে হামাসপ্রধান হানিয়া ও কাতার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলার সময় হামাস বাহিনী ২৪০ ব্যক্তিকে জিম্মি করে। তাঁদের কয়েকজনকে মুক্তি দিতে চুক্তি স্বাক্ষরের চেষ্টা করছে মধ্যস্থতাকারীরা। এ সময় রেডক্রসপ্রধানের সাক্ষাতের ঘোষণা আসে।
ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ বলছে, হামাসের হামলায় প্রায় ১২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিল বেসামরিক নাগরিক। এর প্রতিক্রিয়ায় গাজায় বর্বরোচিত বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এ হামলায় মৃতের সংখ্যা ১৩ হাজার ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে জানায় গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু।
আইসিআরসি জোর দিয়ে বলছে, স্পোলজারিকের এই সফর ‘আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়ানোর জন্য সমস্ত পক্ষের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা’ করার প্রচেষ্টার অংশ।
বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তিনি গাজায় আটক জিম্মিদের পরিবারের পাশাপাশি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গেও একাধিকবার বৈঠক করেছেন।
জেনেভাভিত্তিক সংস্থাটি জানায়, এটি ‘সংঘাতের সমস্ত ক্ষতিগ্রস্তকে জরুরি সুরক্ষার জন্য এবং গাজা উপত্যকায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতি দূরীকরণের জন্য আবেদন অব্যাহত রেখেছে।’
সংস্থাটি আরও বলে, ‘গাজায় আইসিআরসি কর্মীরা জীবন রক্ষায় সহায়তা দিচ্ছে এবং আইসিআরসি একদল চিকিৎসক আহতদের অস্ত্রোপচার চালিয়ে যাচ্ছে। এটি গাজায় টেকসই, নিরাপদ মানবিক প্রবেশাধিকারের আহ্বান জানাচ্ছে, যেন সংস্থাটি তার কাজ বাড়াতে পারে।’
সংস্থাটি জোর দিয়ে বলেছে, জিম্মিদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে তারা ক্রমাগত আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আইসিআরসির দাবি আমাদের দলকে যেন জিম্মিদের সুস্থতা যাচাই এবং ওষুধ সরবরাহের সুযোগ দেওয়া হয়। এ ছাড়া জিম্মিরা যেন তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে সে সুযোগ দেওয়া হয়।’
‘এ কাজ নিরাপদে সম্পন্ন করার জন্য চুক্তিতে আসা উচিত। আইসিআরসি জোর করে জিম্মিদের কাছে পৌঁছাতে পারবে না এবং আমরা তাদের অবস্থানও জানি না।’
এর আগে পৃথকভাবে দুই জিম্মির মুক্তিতে সহায়তা করেছে আইসিআরসি। তাদের দাবি, জিম্মিদের মুক্তিবিষয়ক আলোচনায় সংস্থাটি অংশগ্রহণ করে না।
তবে সংস্থাটি বলছে, ‘একটি নিরপেক্ষ মানবিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভবিষ্যতে আমরা সংঘাতের যেকোনো পক্ষের সম্মত হওয়া যেকোনো মুক্তিতে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছি।’

গাজায় ইসরায়েলের হামলায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য হামাসপ্রধান ইসমাইল হানিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কাতার পৌঁছেছেন রেডক্রসের প্রেসিডেন্ট। গতকাল সোমবার রেডক্রস এক বিবৃতিতে এ তথ্য দিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রস (আইসিআরসি) প্রেসিডেন্ট মিরজানা স্পোলজারিক পৃথক বৈঠকে হামাসপ্রধান হানিয়া ও কাতার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলার সময় হামাস বাহিনী ২৪০ ব্যক্তিকে জিম্মি করে। তাঁদের কয়েকজনকে মুক্তি দিতে চুক্তি স্বাক্ষরের চেষ্টা করছে মধ্যস্থতাকারীরা। এ সময় রেডক্রসপ্রধানের সাক্ষাতের ঘোষণা আসে।
ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ বলছে, হামাসের হামলায় প্রায় ১২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিল বেসামরিক নাগরিক। এর প্রতিক্রিয়ায় গাজায় বর্বরোচিত বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এ হামলায় মৃতের সংখ্যা ১৩ হাজার ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে জানায় গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু।
আইসিআরসি জোর দিয়ে বলছে, স্পোলজারিকের এই সফর ‘আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়ানোর জন্য সমস্ত পক্ষের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা’ করার প্রচেষ্টার অংশ।
বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তিনি গাজায় আটক জিম্মিদের পরিবারের পাশাপাশি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গেও একাধিকবার বৈঠক করেছেন।
জেনেভাভিত্তিক সংস্থাটি জানায়, এটি ‘সংঘাতের সমস্ত ক্ষতিগ্রস্তকে জরুরি সুরক্ষার জন্য এবং গাজা উপত্যকায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতি দূরীকরণের জন্য আবেদন অব্যাহত রেখেছে।’
সংস্থাটি আরও বলে, ‘গাজায় আইসিআরসি কর্মীরা জীবন রক্ষায় সহায়তা দিচ্ছে এবং আইসিআরসি একদল চিকিৎসক আহতদের অস্ত্রোপচার চালিয়ে যাচ্ছে। এটি গাজায় টেকসই, নিরাপদ মানবিক প্রবেশাধিকারের আহ্বান জানাচ্ছে, যেন সংস্থাটি তার কাজ বাড়াতে পারে।’
সংস্থাটি জোর দিয়ে বলেছে, জিম্মিদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে তারা ক্রমাগত আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আইসিআরসির দাবি আমাদের দলকে যেন জিম্মিদের সুস্থতা যাচাই এবং ওষুধ সরবরাহের সুযোগ দেওয়া হয়। এ ছাড়া জিম্মিরা যেন তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে সে সুযোগ দেওয়া হয়।’
‘এ কাজ নিরাপদে সম্পন্ন করার জন্য চুক্তিতে আসা উচিত। আইসিআরসি জোর করে জিম্মিদের কাছে পৌঁছাতে পারবে না এবং আমরা তাদের অবস্থানও জানি না।’
এর আগে পৃথকভাবে দুই জিম্মির মুক্তিতে সহায়তা করেছে আইসিআরসি। তাদের দাবি, জিম্মিদের মুক্তিবিষয়ক আলোচনায় সংস্থাটি অংশগ্রহণ করে না।
তবে সংস্থাটি বলছে, ‘একটি নিরপেক্ষ মানবিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভবিষ্যতে আমরা সংঘাতের যেকোনো পক্ষের সম্মত হওয়া যেকোনো মুক্তিতে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছি।’

গাজায় ইসরায়েলের হামলায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য হামাসপ্রধান ইসমাইল হানিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কাতার পৌঁছেছেন রেডক্রসের প্রেসিডেন্ট। গতকাল সোমবার রেডক্রস এক বিবৃতিতে এ তথ্য দিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রস (আইসিআরসি) প্রেসিডেন্ট মিরজানা স্পোলজারিক পৃথক বৈঠকে হামাসপ্রধান হানিয়া ও কাতার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলার সময় হামাস বাহিনী ২৪০ ব্যক্তিকে জিম্মি করে। তাঁদের কয়েকজনকে মুক্তি দিতে চুক্তি স্বাক্ষরের চেষ্টা করছে মধ্যস্থতাকারীরা। এ সময় রেডক্রসপ্রধানের সাক্ষাতের ঘোষণা আসে।
ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ বলছে, হামাসের হামলায় প্রায় ১২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিল বেসামরিক নাগরিক। এর প্রতিক্রিয়ায় গাজায় বর্বরোচিত বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এ হামলায় মৃতের সংখ্যা ১৩ হাজার ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে জানায় গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু।
আইসিআরসি জোর দিয়ে বলছে, স্পোলজারিকের এই সফর ‘আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়ানোর জন্য সমস্ত পক্ষের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা’ করার প্রচেষ্টার অংশ।
বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তিনি গাজায় আটক জিম্মিদের পরিবারের পাশাপাশি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গেও একাধিকবার বৈঠক করেছেন।
জেনেভাভিত্তিক সংস্থাটি জানায়, এটি ‘সংঘাতের সমস্ত ক্ষতিগ্রস্তকে জরুরি সুরক্ষার জন্য এবং গাজা উপত্যকায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতি দূরীকরণের জন্য আবেদন অব্যাহত রেখেছে।’
সংস্থাটি আরও বলে, ‘গাজায় আইসিআরসি কর্মীরা জীবন রক্ষায় সহায়তা দিচ্ছে এবং আইসিআরসি একদল চিকিৎসক আহতদের অস্ত্রোপচার চালিয়ে যাচ্ছে। এটি গাজায় টেকসই, নিরাপদ মানবিক প্রবেশাধিকারের আহ্বান জানাচ্ছে, যেন সংস্থাটি তার কাজ বাড়াতে পারে।’
সংস্থাটি জোর দিয়ে বলেছে, জিম্মিদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে তারা ক্রমাগত আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আইসিআরসির দাবি আমাদের দলকে যেন জিম্মিদের সুস্থতা যাচাই এবং ওষুধ সরবরাহের সুযোগ দেওয়া হয়। এ ছাড়া জিম্মিরা যেন তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে সে সুযোগ দেওয়া হয়।’
‘এ কাজ নিরাপদে সম্পন্ন করার জন্য চুক্তিতে আসা উচিত। আইসিআরসি জোর করে জিম্মিদের কাছে পৌঁছাতে পারবে না এবং আমরা তাদের অবস্থানও জানি না।’
এর আগে পৃথকভাবে দুই জিম্মির মুক্তিতে সহায়তা করেছে আইসিআরসি। তাদের দাবি, জিম্মিদের মুক্তিবিষয়ক আলোচনায় সংস্থাটি অংশগ্রহণ করে না।
তবে সংস্থাটি বলছে, ‘একটি নিরপেক্ষ মানবিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভবিষ্যতে আমরা সংঘাতের যেকোনো পক্ষের সম্মত হওয়া যেকোনো মুক্তিতে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছি।’

মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৬ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ড দখলে বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
১০ ঘণ্টা আগে
চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেব্লের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল
১২ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৮০৭ সালের বিতর্কিত ‘ইনসারেকশন অ্যাক্ট’ (বিদ্রোহ দমন আইন) প্রয়োগ করে সেনা পাঠানোর হুমকি দিয়েছিলেন। পেন্টাগনের এই পদক্ষেপ তারই প্রতিফলন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মিনিয়াপোলিসে উত্তেজনা চরমে ওঠে ৭ জানুয়ারি। ওই দিন রেনি নিকোল গুড (৩৭) নামের তিন সন্তানের এক জননীকে তাঁর গাড়ির ভেতরে গুলি করে হত্যা করেন আইসিই এজেন্ট জোনাথন রস। মার্কিন নাগরিক ও কবি রেনি গুডের পরিবারের দাবি, তিনি বিক্ষোভকারী ছিলেন না। সন্তানকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে আইসিইর অভিযানের মুখে পড়েন। এই হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে পুরো মিনিয়াপোলিস বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই বিক্ষোভকারীদের ‘পেশাদার আন্দোলনকারী’ ও ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, মিনেসোটার দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদেরা আইন মানতে ব্যর্থ হলে তিনি সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করবেন। বিশেষ করে সোমালি অভিবাসী সম্প্রদায়কে এই অস্থিরতার জন্য দায়ী করছেন তিনি।
তবে মিনিয়াপোলিসের মেয়র জেকব ফ্রে সেনা মোতায়েনের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটি হবে একটি ভয়াবহ পদক্ষেপ। আমাদের নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য অতিরিক্ত ফেডারেল এজেন্টের প্রয়োজন নেই। সেনা মোতায়েন কেবল উত্তেজনা বাড়াবে।’
মিনেসোটার গভর্নর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইতিমধ্যে রাজ্যে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করেছেন।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল জানিয়েছেন, কমান্ডার ইন চিফের আদেশ পালনে সেনাবাহিনী সব সময় প্রস্তুত। আলাস্কা থেকে নির্বাচিত এই ১ হাজার ৫০০ সেনাসদস্য তীব্র শীতে ও প্রতিকূল পরিবেশে অভিযান চালাতে পারদর্শী।
প্রসঙ্গত, মিনিয়াপোলিসে ইতিমধ্যে ৩ হাজার ফেডারেল এজেন্ট মোতায়েন রয়েছে। তা সত্ত্বেও নতুন করে সেনা মোতায়েনের এই প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বিরোধীরা একে ট্রাম্পের ‘কর্তৃত্ববাদী’ আচরণ হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে হোয়াইট হাউস একে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার অপরিহার্য পদক্ষেপ বলে দাবি করেছে।

মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৮০৭ সালের বিতর্কিত ‘ইনসারেকশন অ্যাক্ট’ (বিদ্রোহ দমন আইন) প্রয়োগ করে সেনা পাঠানোর হুমকি দিয়েছিলেন। পেন্টাগনের এই পদক্ষেপ তারই প্রতিফলন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মিনিয়াপোলিসে উত্তেজনা চরমে ওঠে ৭ জানুয়ারি। ওই দিন রেনি নিকোল গুড (৩৭) নামের তিন সন্তানের এক জননীকে তাঁর গাড়ির ভেতরে গুলি করে হত্যা করেন আইসিই এজেন্ট জোনাথন রস। মার্কিন নাগরিক ও কবি রেনি গুডের পরিবারের দাবি, তিনি বিক্ষোভকারী ছিলেন না। সন্তানকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে আইসিইর অভিযানের মুখে পড়েন। এই হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে পুরো মিনিয়াপোলিস বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই বিক্ষোভকারীদের ‘পেশাদার আন্দোলনকারী’ ও ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, মিনেসোটার দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদেরা আইন মানতে ব্যর্থ হলে তিনি সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করবেন। বিশেষ করে সোমালি অভিবাসী সম্প্রদায়কে এই অস্থিরতার জন্য দায়ী করছেন তিনি।
তবে মিনিয়াপোলিসের মেয়র জেকব ফ্রে সেনা মোতায়েনের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটি হবে একটি ভয়াবহ পদক্ষেপ। আমাদের নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য অতিরিক্ত ফেডারেল এজেন্টের প্রয়োজন নেই। সেনা মোতায়েন কেবল উত্তেজনা বাড়াবে।’
মিনেসোটার গভর্নর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইতিমধ্যে রাজ্যে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করেছেন।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল জানিয়েছেন, কমান্ডার ইন চিফের আদেশ পালনে সেনাবাহিনী সব সময় প্রস্তুত। আলাস্কা থেকে নির্বাচিত এই ১ হাজার ৫০০ সেনাসদস্য তীব্র শীতে ও প্রতিকূল পরিবেশে অভিযান চালাতে পারদর্শী।
প্রসঙ্গত, মিনিয়াপোলিসে ইতিমধ্যে ৩ হাজার ফেডারেল এজেন্ট মোতায়েন রয়েছে। তা সত্ত্বেও নতুন করে সেনা মোতায়েনের এই প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বিরোধীরা একে ট্রাম্পের ‘কর্তৃত্ববাদী’ আচরণ হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে হোয়াইট হাউস একে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার অপরিহার্য পদক্ষেপ বলে দাবি করেছে।

গাজায় ইসরায়েলের হামলায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য হামাসপ্রধান ইসমাইল হানিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কাতার পৌঁছেছেন রেড ক্রসের প্রেসিডেন্ট। গতকাল সোমবার রেড ক্রস এক বিবৃতিতে এ তথ্য দিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
২১ নভেম্বর ২০২৩
রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৬ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ড দখলে বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
১০ ঘণ্টা আগে
চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেব্লের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল
১২ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

গাজা উপত্যকায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও যুদ্ধপরবর্তী প্রশাসনিক কাঠামো ঢেলে সাজাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছে ভারত। বার্তা সংস্থা রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
‘বোর্ড অব পিস’ আসলে কী?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ হিসেবে এই বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ড গাজার দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ, পুনর্গঠন ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা তদারকি করবে।
ট্রাম্প এই বোর্ডে যোগ দিতে ভারত, পাকিস্তানসহ বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশকে আমন্ত্রণ পাঠিয়েছেন।
বোর্ডের খসড়া অনুযায়ী, কোনো দেশ যদি তিন বছরের বেশি সময় এই বোর্ডে প্রভাব ধরে রাখতে চায়, তবে তাকে অন্তত ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলার নগদ অনুদান দিতে হবে। এই অর্থ গাজার পুনর্গঠনে ব্যয় করা হবে।
আমন্ত্রণটি এমন এক সময়ে এল, যখন শুল্ক ইস্যুতে নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রপ্তানি পণ্যের ওপর প্রায় ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর রয়েছে, যা বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ। দুই পক্ষ শুল্ক কমানোর বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর থেকে সম্পর্কের এই অবনতি। এ ছাড়া রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনা এবং ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণেও দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সংঘাত চলছে।
এদিকে ভারতের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান ইতিমধ্যে এই শান্তি উদ্যোগে সাড়া দিয়েছে। আজ রোববার সকালে এক বিবৃতিতে ইসলামাবাদ জানায়, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় তারা আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় যুক্ত থাকবে। তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহকেও এই বোর্ডে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকছেন। এ ছাড়া এর নির্বাহী কমিটিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার মতো ব্যক্তিদের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।

গাজা উপত্যকায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও যুদ্ধপরবর্তী প্রশাসনিক কাঠামো ঢেলে সাজাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছে ভারত। বার্তা সংস্থা রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
‘বোর্ড অব পিস’ আসলে কী?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ হিসেবে এই বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ড গাজার দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ, পুনর্গঠন ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা তদারকি করবে।
ট্রাম্প এই বোর্ডে যোগ দিতে ভারত, পাকিস্তানসহ বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশকে আমন্ত্রণ পাঠিয়েছেন।
বোর্ডের খসড়া অনুযায়ী, কোনো দেশ যদি তিন বছরের বেশি সময় এই বোর্ডে প্রভাব ধরে রাখতে চায়, তবে তাকে অন্তত ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলার নগদ অনুদান দিতে হবে। এই অর্থ গাজার পুনর্গঠনে ব্যয় করা হবে।
আমন্ত্রণটি এমন এক সময়ে এল, যখন শুল্ক ইস্যুতে নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রপ্তানি পণ্যের ওপর প্রায় ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর রয়েছে, যা বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ। দুই পক্ষ শুল্ক কমানোর বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর থেকে সম্পর্কের এই অবনতি। এ ছাড়া রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনা এবং ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণেও দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সংঘাত চলছে।
এদিকে ভারতের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান ইতিমধ্যে এই শান্তি উদ্যোগে সাড়া দিয়েছে। আজ রোববার সকালে এক বিবৃতিতে ইসলামাবাদ জানায়, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় তারা আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় যুক্ত থাকবে। তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহকেও এই বোর্ডে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকছেন। এ ছাড়া এর নির্বাহী কমিটিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার মতো ব্যক্তিদের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।

গাজায় ইসরায়েলের হামলায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য হামাসপ্রধান ইসমাইল হানিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কাতার পৌঁছেছেন রেড ক্রসের প্রেসিডেন্ট। গতকাল সোমবার রেড ক্রস এক বিবৃতিতে এ তথ্য দিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
২১ নভেম্বর ২০২৩
মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ড দখলে বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
১০ ঘণ্টা আগে
চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেব্লের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল
১২ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

গ্রিনল্যান্ড দখলে বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিন আজ রোববার দেশটির জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরটিইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন।
মাইকেল মার্টিন বলেছেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন অবশ্যই এর পাল্টা জবাব দেবে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ রাখবেন না। আর সেটি হলে বৈশ্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ রূপ নেবে।’
এর আগে গতকাল শনিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে সমঝোতায় না এলে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ডেনমার্ক, জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্যসহ আটটি দেশের পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে; জুনে যা বেড়ে ২৫ শতাংশ হতে পারে।
আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, পরিস্থিতির নাটকীয় পরিবর্তন ঘটছে। তবে এই মুহূর্তে ইউরোপের অ্যান্টি কোয়ার্সন ইনস্ট্রুমেন্ট বা জবরদস্তি বিরোধী আইন ব্যবহারের কথা বলাটা কিছুটা অপরিণত বা সময়ের আগে হয়ে যাবে। তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে অবশ্যই এটি আলোচনার টেবিলে আসবে।
মাইকেল মার্টিন মনে করেন, এই সংকট নিরসনে সংলাপের কোনো বিকল্প নেই। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বর্তমানে দুটি পথে এগোচ্ছে। প্রথম, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বাণিজ্য যুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টা। দ্বিতীয়ত, যদি যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক কার্যকর করে, তবে ইউরোপও আমদানি করা মার্কিন পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক বসানোর একটি তালিকা তৈরি রাখছে।
অর্থনীতিবিদেরা সতর্ক করেছেন, আটলান্টিকের দুই পাড়ে এই শুল্ক যুদ্ধ শুরু হলে তা কেবল ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রের নয়, বরং পুরো বিশ্ব অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে, গাড়িশিল্প, প্রযুক্তি পণ্য ও বিলাস দ্রব্যের দাম হু হু করে বেড়ে যেতে পারে।

গ্রিনল্যান্ড দখলে বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিন আজ রোববার দেশটির জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরটিইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন।
মাইকেল মার্টিন বলেছেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন অবশ্যই এর পাল্টা জবাব দেবে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ রাখবেন না। আর সেটি হলে বৈশ্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ রূপ নেবে।’
এর আগে গতকাল শনিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে সমঝোতায় না এলে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ডেনমার্ক, জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্যসহ আটটি দেশের পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে; জুনে যা বেড়ে ২৫ শতাংশ হতে পারে।
আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, পরিস্থিতির নাটকীয় পরিবর্তন ঘটছে। তবে এই মুহূর্তে ইউরোপের অ্যান্টি কোয়ার্সন ইনস্ট্রুমেন্ট বা জবরদস্তি বিরোধী আইন ব্যবহারের কথা বলাটা কিছুটা অপরিণত বা সময়ের আগে হয়ে যাবে। তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে অবশ্যই এটি আলোচনার টেবিলে আসবে।
মাইকেল মার্টিন মনে করেন, এই সংকট নিরসনে সংলাপের কোনো বিকল্প নেই। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বর্তমানে দুটি পথে এগোচ্ছে। প্রথম, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বাণিজ্য যুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টা। দ্বিতীয়ত, যদি যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক কার্যকর করে, তবে ইউরোপও আমদানি করা মার্কিন পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক বসানোর একটি তালিকা তৈরি রাখছে।
অর্থনীতিবিদেরা সতর্ক করেছেন, আটলান্টিকের দুই পাড়ে এই শুল্ক যুদ্ধ শুরু হলে তা কেবল ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রের নয়, বরং পুরো বিশ্ব অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে, গাড়িশিল্প, প্রযুক্তি পণ্য ও বিলাস দ্রব্যের দাম হু হু করে বেড়ে যেতে পারে।

গাজায় ইসরায়েলের হামলায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য হামাসপ্রধান ইসমাইল হানিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কাতার পৌঁছেছেন রেড ক্রসের প্রেসিডেন্ট। গতকাল সোমবার রেড ক্রস এক বিবৃতিতে এ তথ্য দিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
২১ নভেম্বর ২০২৩
মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৬ ঘণ্টা আগে
চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেব্লের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল
১২ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

লন্ডনে চীনের প্রস্তাবিত নতুন ‘মেগা দূতাবাস’ নির্মাণের বিরুদ্ধে জোরালো হচ্ছে বিক্ষোভ। সরকারের অনুমোদন বা বাতিলের সিদ্ধান্তের সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মধ্যেই গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এই বিক্ষোভে যোগ দেন যুক্তরাজ্যের প্রধান বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি ব্যাডেনক।
কনজারভেটিভ পার্টির এ নেতা ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির সরকারের প্রতি আহ্বান জানান চীনের এই দূতাবাস প্রকল্প প্রত্যাখ্যান করার জন্য। ব্যাডেনকের অভিযোগ, চীনা সরকার ব্রিটিশ সংসদ সদস্যদের হয়রানি ও নিষেধাজ্ঞার মুখে ফেলেছে এবং চীনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্রিটিশ নাগরিকদের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছে।
বিক্ষোভস্থলে জড়ো হওয়া শত শত মানুষের সামনে কেমি ব্যাডেনক বলেন, ‘চীনের নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমাদের দাঁড়াতেই হবে। কিন্তু আমার আশঙ্কা হচ্ছে, বর্তমান সরকার চীনের ব্যাপারে ভীত।’ সে সময় বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেন—‘নো চায়না মেগা অ্যাম্বাসি’। এই সমাবেশে কনজারভেটিভ পার্টিসহ বিভিন্ন বিরোধী দলের রাজনীতিকেরা বক্তব্য দেন।
বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আইনি জটিলতার পর সরকার আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। এরপরই জানা যাবে লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজের কাছে রয়্যাল মিন্টে ইউরোপের সবচেয়ে বড় চীনা দূতাবাস নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হবে কি না। তবে বিভিন্ন সরকারি সূত্রে জানা গেছে, শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটি হয়তো অনুমোদন পেতে পারে।
চীন ইতিমধ্যে এই প্রকল্পের বিলম্ব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। বেইজিংয়ের অভিযোগ, যুক্তরাজ্য সাত বছর ধরে বিষয়টি নিয়ে ‘অযথা জটিলতা ও রাজনীতি’ করছে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না। তবে একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এশিয়ার এই পরাশক্তির সঙ্গে কূটনৈতিক সংলাপ ও সহযোগিতা বজায় রাখা জরুরি। এই দূতাবাস নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদিত হলে স্টারমারের বহু প্রতীক্ষিত চীন সফরের পথ খুলে যাবে এবং বেইজিংয়ে যুক্তরাজ্যের দূতাবাস সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।
কেন এই মেগা দূতাবাস নিয়ে আপত্তি
চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেব্লের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল দূতাবাস নয়, বরং একটি ‘স্পাই হাব’ বা গোয়েন্দা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
সম্প্রতি ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দূতাবাসের নকশায় ভূগর্ভস্থ অংশে ২০৮টি গোপন কক্ষ ও একটি লুকানো চেম্বার রয়েছে, যা থেকে ব্রিটেনের স্পর্শকাতর তথ্য চুরি বা ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর নজরদারি চালানো সম্ভব।
যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো আগেও চীনা গুপ্তচর তৎপরতা নিয়ে একাধিক সতর্কবার্তা দিয়েছে। গত নভেম্বরে দেশটির সামরিক নিরাপত্তা সংস্থা এমআই-৫ সংসদ সদস্যদের সতর্ক করে জানায়, চীনা এজেন্টরা লিংকডইন বা ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে তাঁদের নিয়োগ ও প্রভাবিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এই দূতাবাস প্রকল্পে আপত্তি তোলেনি। কিছু নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের মতে, ঝুঁকি থাকলেও তা নিয়ন্ত্রণযোগ্য আর এতে লন্ডনে বর্তমানে ছড়িয়ে থাকা চীনের সাতটি কূটনৈতিক স্থাপনা এক জায়গায় আনা যাবে।

লন্ডনে চীনের প্রস্তাবিত নতুন ‘মেগা দূতাবাস’ নির্মাণের বিরুদ্ধে জোরালো হচ্ছে বিক্ষোভ। সরকারের অনুমোদন বা বাতিলের সিদ্ধান্তের সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মধ্যেই গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এই বিক্ষোভে যোগ দেন যুক্তরাজ্যের প্রধান বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি ব্যাডেনক।
কনজারভেটিভ পার্টির এ নেতা ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির সরকারের প্রতি আহ্বান জানান চীনের এই দূতাবাস প্রকল্প প্রত্যাখ্যান করার জন্য। ব্যাডেনকের অভিযোগ, চীনা সরকার ব্রিটিশ সংসদ সদস্যদের হয়রানি ও নিষেধাজ্ঞার মুখে ফেলেছে এবং চীনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্রিটিশ নাগরিকদের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছে।
বিক্ষোভস্থলে জড়ো হওয়া শত শত মানুষের সামনে কেমি ব্যাডেনক বলেন, ‘চীনের নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমাদের দাঁড়াতেই হবে। কিন্তু আমার আশঙ্কা হচ্ছে, বর্তমান সরকার চীনের ব্যাপারে ভীত।’ সে সময় বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেন—‘নো চায়না মেগা অ্যাম্বাসি’। এই সমাবেশে কনজারভেটিভ পার্টিসহ বিভিন্ন বিরোধী দলের রাজনীতিকেরা বক্তব্য দেন।
বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আইনি জটিলতার পর সরকার আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। এরপরই জানা যাবে লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজের কাছে রয়্যাল মিন্টে ইউরোপের সবচেয়ে বড় চীনা দূতাবাস নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হবে কি না। তবে বিভিন্ন সরকারি সূত্রে জানা গেছে, শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটি হয়তো অনুমোদন পেতে পারে।
চীন ইতিমধ্যে এই প্রকল্পের বিলম্ব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। বেইজিংয়ের অভিযোগ, যুক্তরাজ্য সাত বছর ধরে বিষয়টি নিয়ে ‘অযথা জটিলতা ও রাজনীতি’ করছে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না। তবে একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এশিয়ার এই পরাশক্তির সঙ্গে কূটনৈতিক সংলাপ ও সহযোগিতা বজায় রাখা জরুরি। এই দূতাবাস নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদিত হলে স্টারমারের বহু প্রতীক্ষিত চীন সফরের পথ খুলে যাবে এবং বেইজিংয়ে যুক্তরাজ্যের দূতাবাস সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।
কেন এই মেগা দূতাবাস নিয়ে আপত্তি
চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেব্লের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল দূতাবাস নয়, বরং একটি ‘স্পাই হাব’ বা গোয়েন্দা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
সম্প্রতি ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দূতাবাসের নকশায় ভূগর্ভস্থ অংশে ২০৮টি গোপন কক্ষ ও একটি লুকানো চেম্বার রয়েছে, যা থেকে ব্রিটেনের স্পর্শকাতর তথ্য চুরি বা ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর নজরদারি চালানো সম্ভব।
যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো আগেও চীনা গুপ্তচর তৎপরতা নিয়ে একাধিক সতর্কবার্তা দিয়েছে। গত নভেম্বরে দেশটির সামরিক নিরাপত্তা সংস্থা এমআই-৫ সংসদ সদস্যদের সতর্ক করে জানায়, চীনা এজেন্টরা লিংকডইন বা ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে তাঁদের নিয়োগ ও প্রভাবিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এই দূতাবাস প্রকল্পে আপত্তি তোলেনি। কিছু নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের মতে, ঝুঁকি থাকলেও তা নিয়ন্ত্রণযোগ্য আর এতে লন্ডনে বর্তমানে ছড়িয়ে থাকা চীনের সাতটি কূটনৈতিক স্থাপনা এক জায়গায় আনা যাবে।

গাজায় ইসরায়েলের হামলায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য হামাসপ্রধান ইসমাইল হানিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কাতার পৌঁছেছেন রেড ক্রসের প্রেসিডেন্ট। গতকাল সোমবার রেড ক্রস এক বিবৃতিতে এ তথ্য দিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
২১ নভেম্বর ২০২৩
মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৬ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ড দখলে বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
১০ ঘণ্টা আগে