
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর শহর কঙ্গানে অবস্থিত সাউথ পার্স রিফাইনারিতে একটি ইসরায়েলি ড্রোন হামলার পর ‘ভয়াবহ বিস্ফোরণ’ ঘটেছে বলে দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে।
আজ শনিবার সংবাদ সংস্থা তাসনিম এক প্রতিবেদনে জানায়, এক ঘণ্টা আগে ইসরায়েলি একটি ড্রোন সাউথ পার্সের ফেইজ-১৪ রিফাইনারিতে আঘাত হানে, যার ফলে সেখানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ফার্স সংবাদ সংস্থা জানায়, বিস্ফোরণের পরপরই রিফাইনারিতে বড় ধরনের আগুন ধরে যায়, এবং দমকল কর্মীরা তা নিয়ন্ত্রণে আনতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রাকৃতিক গ্যাস প্রকল্প, যা ইরান এবং কাতারের মধ্যবর্তী পারস্য উপসাগরের তলদেশে অবস্থিত। ফেইজ-১৪ হচ্ছে এর অন্যতম উৎপাদন ইউনিট।
ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সম্প্রতি বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলা ঘটেছে। এর আগে ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আক্রমণ চালায় এবং ইরানও পাল্টা সামরিক প্রতিক্রিয়া জানায়।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের আক্রমণ শুধু সামরিক নয়, বরং ইরানের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ডকে টার্গেট করে করা হচ্ছে। গ্যাস রপ্তানি ও জ্বালানি উৎপাদনে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা আরও নড়বড়ে হয়ে পড়তে পারে।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই সংঘর্ষ থেকে একটি বিস্তৃত যুদ্ধ এড়ানোর লক্ষ্যে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছে। তবে সাউথ পার্স রিফাইনারির মতো কৌশলগত স্থাপনায় হামলা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।

ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি শক্তিশালী কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) নিশ্চিত করেছে, বিমানে থাকা ছয়জন ক্রুর মধ্যে চারজনই এই ‘দুর্ঘটনা’য় প্রাণ হারিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
মালদ্বীপের দক্ষিণ আরিফ ধালু অঞ্চলের ধিগুরাহ দ্বীপে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পাঁচজন প্রবাসী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। মালদ্বীপের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার ভোরের দিকে একটি আবাসন ব্লকে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের প্রচণ্ড সামরিক চাপ এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে লেবানন সরকার হিজবুল্লাহর সামরিক শাখাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে সরকারের এই কঠোর অবস্থান কার্যকর করতে গিয়ে এক নজিরবিহীন সংকটের মুখে পড়েছে দেশটি। লেবাননের রাজনৈতিক নেতৃত্ব
২ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলি ও পশ্চিমা সূত্রের হিসাব অনুযায়ী, টানা এক সপ্তাহের নিরবচ্ছিন্ন বিমান হামলার পরও ইরানের মিসাইল লঞ্চার বা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণযানের সংখ্যা প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, আকাশপথে বিশেষ করে নজরদারি ব্যবস্থায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ না থাকলে ছোট ও চলমান লক্ষ্যবস্তু খুঁজে বের করা কতটা কঠিন।
২ ঘণ্টা আগে