
সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর আগে, বিদ্রোহীরা বাশার আল-আসাদের দেশত্যাগের বিষয়টি দাবি করলেও এর পক্ষে কোনো শক্ত প্রমাণ হাজির করেনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আল-আসাদ ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছেড়েছেন এবং দেশ ত্যাগের আগে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন। এক বিবৃতিতে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কথা জানিয়েছে।
তবে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেনি আসাদ বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন এবং জানিয়েছে যে তাঁর প্রস্থানের আলোচনায় রাশিয়া কোনো অংশ নেয়নি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সিরিয়ায় রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটিগুলো উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে, তবে এই মুহূর্তে সেখানে কোনো গুরুতর হুমকি নেই। মস্কো জানিয়েছে, তারা সিরিয়ার সব বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং সবাইকে সহিংসতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
এর আগে, বাশার আল-আসাদের পতনের সশস্ত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) সিরিয়াকে ‘মুক্ত’ ঘোষণা করেছে। তারা জানিয়েছে, স্বৈরাচারী প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ দেশ ত্যাগ করেছেন। এটি একটি অন্ধকার যুগের সমাপ্তি এবং একটি নতুন যুগের সূচনা, টেলিগ্রাম চ্যানেলে এমন বার্তা দিয়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী এইচটিএস।
বিদ্রোহীরা বলেছে, আসাদের শাসনের অর্ধ-শতাব্দী ধরে যারা বাস্তুচ্যুত বা বন্দী হয়েছিলেন, তাঁরা এখন ঘরে ফিরতে পারবেন। এইচটিএস বলেছে, এটি হবে একটি ‘নতুন সিরিয়া’ যেখানে ‘সবাই শান্তিতে বসবাস করবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।’
এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের একজন কূটনৈতিক উপদেষ্টা বলেছেন, তিনি নিশ্চিত নন, আসাদ আরব আমিরাতে রয়েছেন কিনা। বাহরাইনে মানামা ডায়ালগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আসাদের প্রসঙ্গে আসে। সাংবাদিকেরা আসাদের আরব আমিরাতে আশ্রয় নেওয়ার বিষয়ে জল্পনা নিয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন।
তিনি বলেন, ‘যখন মানুষ জিজ্ঞেস করে, বাশার আল-আসাদ কোথায় যাচ্ছেন?, এটি সত্যিই, দিনের শেষে, ইতিহাসে একটি ফুটনোট মাত্র।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি এটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। যেমন আমি বলেছি, শেষ পর্যন্ত এটি বড় ঘটনাগুলোর তুলনায় একটি ফুটনোট মাত্র।’ গারগাশ আরও উল্লেখ করেন, সিরিয়া এখনও ‘ঝুঁকিমুক্ত নয়’ এবং সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থার উত্থানের শঙ্কা রয়েই গেছে।
অপরদিকে, সিরিয়ার প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ গাজী আল-জালালি সম্প্রচার মাধ্যম আল-আরাবিয়া চ্যানেলকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া উচিত। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
সাক্ষাৎকারে সিরিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন, তিনি বিদ্রোহী কমান্ডার আবু মোহাম্মদ আল-জাওলানির সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেন। তাঁদের আলোচনায় ক্ষমতা হস্তান্তর ও অন্তর্বর্তী সময় নিয়ে কথা হয়েছে।
আজ রোববার সকালে আল-আরাবিয়া চ্যানেল প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলেছে, তাঁর বাশার আল-আসাদের সঙ্গে সর্বশেষ যোগাযোগ হয়েছে ‘গতকাল সন্ধ্যায়’। আসাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই। আজ ভোরে প্রধানমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক বক্তব্যে বলেছেন, তিনি জনগণের জন্য সর্বোত্তম কাজটি করতে প্রস্তুত।

সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর আগে, বিদ্রোহীরা বাশার আল-আসাদের দেশত্যাগের বিষয়টি দাবি করলেও এর পক্ষে কোনো শক্ত প্রমাণ হাজির করেনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আল-আসাদ ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছেড়েছেন এবং দেশ ত্যাগের আগে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন। এক বিবৃতিতে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কথা জানিয়েছে।
তবে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেনি আসাদ বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন এবং জানিয়েছে যে তাঁর প্রস্থানের আলোচনায় রাশিয়া কোনো অংশ নেয়নি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সিরিয়ায় রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটিগুলো উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে, তবে এই মুহূর্তে সেখানে কোনো গুরুতর হুমকি নেই। মস্কো জানিয়েছে, তারা সিরিয়ার সব বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং সবাইকে সহিংসতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
এর আগে, বাশার আল-আসাদের পতনের সশস্ত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) সিরিয়াকে ‘মুক্ত’ ঘোষণা করেছে। তারা জানিয়েছে, স্বৈরাচারী প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ দেশ ত্যাগ করেছেন। এটি একটি অন্ধকার যুগের সমাপ্তি এবং একটি নতুন যুগের সূচনা, টেলিগ্রাম চ্যানেলে এমন বার্তা দিয়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী এইচটিএস।
বিদ্রোহীরা বলেছে, আসাদের শাসনের অর্ধ-শতাব্দী ধরে যারা বাস্তুচ্যুত বা বন্দী হয়েছিলেন, তাঁরা এখন ঘরে ফিরতে পারবেন। এইচটিএস বলেছে, এটি হবে একটি ‘নতুন সিরিয়া’ যেখানে ‘সবাই শান্তিতে বসবাস করবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।’
এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের একজন কূটনৈতিক উপদেষ্টা বলেছেন, তিনি নিশ্চিত নন, আসাদ আরব আমিরাতে রয়েছেন কিনা। বাহরাইনে মানামা ডায়ালগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আসাদের প্রসঙ্গে আসে। সাংবাদিকেরা আসাদের আরব আমিরাতে আশ্রয় নেওয়ার বিষয়ে জল্পনা নিয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন।
তিনি বলেন, ‘যখন মানুষ জিজ্ঞেস করে, বাশার আল-আসাদ কোথায় যাচ্ছেন?, এটি সত্যিই, দিনের শেষে, ইতিহাসে একটি ফুটনোট মাত্র।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি এটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। যেমন আমি বলেছি, শেষ পর্যন্ত এটি বড় ঘটনাগুলোর তুলনায় একটি ফুটনোট মাত্র।’ গারগাশ আরও উল্লেখ করেন, সিরিয়া এখনও ‘ঝুঁকিমুক্ত নয়’ এবং সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থার উত্থানের শঙ্কা রয়েই গেছে।
অপরদিকে, সিরিয়ার প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ গাজী আল-জালালি সম্প্রচার মাধ্যম আল-আরাবিয়া চ্যানেলকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া উচিত। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
সাক্ষাৎকারে সিরিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন, তিনি বিদ্রোহী কমান্ডার আবু মোহাম্মদ আল-জাওলানির সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেন। তাঁদের আলোচনায় ক্ষমতা হস্তান্তর ও অন্তর্বর্তী সময় নিয়ে কথা হয়েছে।
আজ রোববার সকালে আল-আরাবিয়া চ্যানেল প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলেছে, তাঁর বাশার আল-আসাদের সঙ্গে সর্বশেষ যোগাযোগ হয়েছে ‘গতকাল সন্ধ্যায়’। আসাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই। আজ ভোরে প্রধানমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক বক্তব্যে বলেছেন, তিনি জনগণের জন্য সর্বোত্তম কাজটি করতে প্রস্তুত।

ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
৩৭ মিনিট আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
২ ঘণ্টা আগে
তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
৩ ঘণ্টা আগে